কাজী নজরুল ইসলাম: বিদ্রোহ, মানবতা ও সৃষ্টিশক্তির দ্বৈতসত্তা
কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি সাংস্কৃতিক চেতনায় এমন এক নাম, যা একই সঙ্গে আবেগ, ইতিহাস, বিদ্রোহ এবং জনমানসের গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুই বাংলাতেই তাঁর নাম উচ্চারিত হয় প্রবল ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাসে।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি সাংস্কৃতিক চেতনায় এমন এক নাম, যা একই সঙ্গে আবেগ, ইতিহাস, বিদ্রোহ এবং জনমানসের গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুই বাংলাতেই তাঁর নাম উচ্চারিত হয় প্রবল ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাসে।
মধ্যযুগের এই ধর্মতাত্ত্বিক ও মরমি সাধক তাঁর আবেগঘন ও কাব্যিক আধ্যাত্মিক রচনার জন্য সুপরিচিত। সুসোর দর্শন ঈশ্বরপ্রেম ও কৃচ্ছ্রসাধনের এক গভীর মিশ্রণ।
<p>দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতাব্দীর মরমি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তারের ‘তাজকিরাত আল-আউলিয়া’ ফারসি ভাষায় রচিত সুফিদের জীবনীভিত্তিক একটি আকরগ্রন্থ। বাংলায় এর আক্ষরিক অর্থ ‘সাধুদের জীবনী’। মূল বইটির পরিসর অনেক...
<p>‘মোলোয়াসের রক্ত!’ এ হুংকারই ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল সেদিন, ১৯৮৫ সালের ১৮ অক্টোবর, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের রাস্তায় রাস্তায়। এ হুংকারের সঙ্গে মাঝেমধ্যে মিশে যাচ্ছিল সোয়াহিলি রণহুংকার,...
‘তাই মধুতে মাসাকিচির থাবা ভরে যায়—এত বেশি মধু যে সে একা খেয়েও শেষ করতে পারে না। সে তাই মধুগুলো একটা বালতিতে ভরে নেয়।
ভিক্টোরিয়ান নারীদের কাছে চুল কখনোই কেবল চুল ছিল না; এটি ছিল তার মুকুটের গৌরব হিসেবে। এমন একটি ধারণা, যা মূলত ধর্মীয় সূত্র থেকে আসে।
মকবুল সাহেব হতভম্ব হয়ে গরুর ব্যাপারীর দিকে তাকিয়ে রইলেন। লোকটা রসিকতা করছে বলে মনে হলো না। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, লোকটা তাঁর সামনেই তাঁর মতো গরু কিনতে আসা আরও দুজনকে ওই একই পরামর্শ দিল।
যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে চুপি চুপি একটি বেফাঁস কথা বলি। ছোটবেলায় কোরবানির ঈদকে আমার রোজার ঈদের মতো মনে হতো না। কারণ ত্রিবিধ।
<p>পৃথিবীতে সবচেয়ে পরিণামহীন প্রেম করেছিল ইসিদোরা মোরালেস। আকাশের দূর কোণে এক নিঃসঙ্গ নক্ষত্রের প্রেমে পড়েছিল সে।</p><p>এর মধ্যে কোনো উপমা বা রূপক নেই। ইসিদোরা আক্ষরিক অর্থে একটি নক্ষত্রের কাছে সঁপে...
<p>‘আমরা অনেক অনেক দিন পর একসঙ্গে হয়ে একটা প্রাপ্তবয়স্কদের ফিল্মে অভিনয় করছি।’ এই মন্তব্য তৌকীরের। অভিনেতা তৌকীর আহমেদকে দেখলে মনে হবে গম্ভীর প্রকৃতির—ঠাট্টা করা, ঠাট্টা না–বোঝা মানুষ। আসলে মানুষটা...
সেদিন আমি চিকেন টিক্কা-তন্দুরি কিনতে গেছিলাম, নাকি চিকেন ঝাল ফ্রাই আর পরোটা, তাতে কিছুই যায় আসে না। আসল কথা হলো, রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমি কী শুনেছিলাম।
<p>আকাশ চিরে হঠাৎ যদি বিজুলি চমকালো,<br>কম্প্র মনে প্রশ্ন জাগে বাসো কি তবে ভালো?<br><br>বাসো কি ভালো, আবার দেখা মেট্রোস্টেশন<br>যাচ্ছি আমি উত্তরায়, তুমি কি পল্টন?<br>এপারে আমি, ওপারে তুমি, মধ্যখানে...