অনুসন্ধান ও ভালোবাসা
জহির রায়হান অমর একুশের মানসসন্তান। ‘একুশের গল্প’, আরেক ফাল্গুন কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারী উপন্যাস অথবা জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্র পরিচালনার মধ্য দিয়ে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বেঁধেছেন অমর ধ্রুবপদে।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
জহির রায়হান অমর একুশের মানসসন্তান। ‘একুশের গল্প’, আরেক ফাল্গুন কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারী উপন্যাস অথবা জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্র পরিচালনার মধ্য দিয়ে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বেঁধেছেন অমর ধ্রুবপদে।
ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ের কামরুল হাসান গ্যালারিতে ‘দ্য কোয়ায়েট উইদিন’ প্রদর্শনীতে রাশেদ জামানের ছবির ভেতর দিয়ে জনাকোলাহলের মধ্যে নিস্তব্ধতা খুঁজে পাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।
‘বাবা খানজাহানের ক্ষমতা, পরীক্ষা কইরে দ্যাখেন।’ শেষের দিকে এসে রপ্ত করা ভদ্র ভাষা কুদরত আলী আর রক্ষা করতে পারে না। ‘আছেন কেউ তুলা রাশি, আছেন কোনো ভাইবেরাদর, থাকলে সাড়া দ্যান, বাবা খানজাহানের তাবিজ।’ গোল হয়ে দাঁড়ানো মজমা যেন উত্তেজনায় শ্বাস বন্ধ করে আছে।
নিঃশব্দে তার পেছনে গিয়ে দাঁড়াল মেরি ম্যালনি। কোনো দ্বিধা ছাড়াই ভেড়ার সেই বিশাল জমে যাওয়া পা-খানা শূন্যে উঁচু করে তুলল। তারপর সবটুকু শক্তি দিয়ে লোকটির মাথার পেছনে সজোরে বসিয়ে দিল মেরি।
জহির ভাইয়ের সঙ্গে আমাদের যখন পরিচয় হয়, তখন তো চারদিকে তাঁর জয়জয়কার। দেশের সেরা সাহিত্যের পুরস্কার পেয়েছেন হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য। একের পর এক সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন, বছরের পর বছর পুরস্কৃত হচ্ছেন।
বুর্জোয়া শিল্প নিয়ে জহির রায়হানের মনোভঙ্গি মিলে যায় আরও একজন মনীষীর সঙ্গে। তিনিও জহির রায়হানের মতো মার্ক্সবাদ ও সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন এবং জহির রায়হানের মতোই ভীষণ রকম সৃজনশীল ছিলেন।
আব্বাসের বাবা কাশমতির নির্দেশমতো পরনের লুঙ্গিটি বারকয়েক উল্টিয়ে পরে এবং একজন মহিলা তুমুল শব্দে বাচ্চার কানের কাছে বাজাতে থাকে কাঁসার একটি বাটি। কিছুক্ষণের মধ্যে ধীরে আব্বাসের মায়ের গর্ভফুল বেরিয়ে আসে। কিন্তু না, বাচ্চা তবু কাঁদে না। মহিলাটি বিকট শব্দে কাঁসার থালা বাজাতে থাকে।
তরুণ শিল্পীদের কাজে নকশিকাঁথা, আলপনা, জামদানি, টেপা পুতুল ও বাউলের মতো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রতীকের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের মার্লিয়ন, স্থাপত্য, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সমুদ্র–বাণিজ্যের অনুষঙ্গ যুক্ত হয়েছে। এই প্রতীকী বিন্যাস দুই দেশের সম্পর্ককে সহজে দৃশ্যমান করে।
মিয়ানমারে সামরিক জান্তার হাতে কবি খেৎ থির হত্যার পর তাঁর মৃত্যুকে কবিতার জগতে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখেছেন ইয়ো খাৎ।
নজরুল দেখিয়েছেন কী সহজে নবীর নাম ‘আহমদ’, আল্লাহর নাম ‘আহাদের’ লক্ষণা হয়ে ওঠে। এই ক্ষেত্রে নজরুল মৌলিক, এই দাবি আমি করছি না।
১৯৬৮ সালে আইয়ুব পাকিস্তানের সব ভাষার জন্য অভিন্ন রোমান হরফ চালু করার প্রস্তাব করলে মাতৃভাষার ওপর শোষকের খড়গের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েই কবি ক্ষান্ত হন না, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখেন ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’র মতো হৃদয়স্পর্শী কবিতা।
৮ আগস্ট দুপুরে খাবার খেয়ে লেখক ও তার সহযাত্রীরা অ্যাশভিলের পথে রওনা দেন। নর্থ ক্যারোলিনার বেলমন্ট থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা পাহাড়ি পথে ঘুরে দুপুরের শেষ ভাগে তারা ওয়ালনাট কোভ ওভারলুকে পৌঁছান; চারপাশ অন্ধকার হয়ে মেঘে ঢাকা এক অন্য জগৎ চোখের সামনে আসে।