হিজবুল্লাহ নিয়ে ইরানের নতুন কৌশল
কয়েক দশক ধরে তেহরান হিজবুল্লাহকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটিতে পরিণত করতে সহায়তা করেছে।
কয়েক দশক ধরে তেহরান হিজবুল্লাহকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটিতে পরিণত করতে সহায়তা করেছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৯ জন।
সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ইসরায়েলি হামলায় হাসান নাসরুল্লাহসহ শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুর পর নতুন কৌশলে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে হিজবুল্লাহ।
সর্বশেষ দুটি যুদ্ধে হিজবুল্লাহর কতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, তার কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব নেই।
হিজবুল্লাহর বিষয়ে সিরিয়ার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা আবার নতুন করে শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার বক্তব্যে বিষয়টি সামনে আসে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লেবানন সফর হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার নতুন অধ্যায় উন্মোচনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের মূল সংঘাতের সমাধান করার পরিবর্তে উল্টো অচলাবস্থাকে আরও দীর্ঘায়িত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দেওয়া এক বিবৃতিতে এমনটা বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিলের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।
আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।
আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।
ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠনে ইরানি সম্পদ ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হামলা-পাল্টাহামলায় নাজুক যুদ্ধবিরতি আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।
হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থনে অনিশ্চয়তার মুখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।
গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে এ সমঝোতার দিনও সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত ছিল।
গত ২৫ বছরের মধ্যে লেবাননের সবচেয়ে গভীরে অনুপ্রবেশ করেছে ইসরায়েল।
লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।
গতকাল হিজবুল্লাহর ১০০টির বেশি অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালানো হয়।
লেবাননজুড়ে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড ইরানি ট্যাঙ্কারে হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণের হুমকি দিয়েছে। ট্রাম্প ওয়াশিংটনের শান্তি প্রস্তাবে ইরানের দ্রুত জবাব আশা করছেন। লেবানন সীমান্তেও উত্তেজনা চলছে, খারগ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়েছে।
যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর রেদওয়ান ফোর্সের কমান্ডার মালেক বালু নিহতের দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার নির্দেশ দিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য নেই।