নৌকা প্রতীক স্থগিত ও নির্বাচন বিধিমালা সংশোধন করল কমিশন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক স্থগিত এবং প্রার্থীর হলফনামা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন এনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮ সংশোধন করল নির্বাচন কমিশন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক স্থগিত এবং প্রার্থীর হলফনামা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন এনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮ সংশোধন করল নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এ সংশোধন এনেছে। এতে ১২০টি প্রতীকের তালিকা চূড়ান্ত করা হলেও 'নৌকা' প্রতীক স্থগিত রাখা হয়েছে এবং নির্বাচনী ব্যয় ও হলফনামার নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
শেখ হাসিনার নামে কীকী সম্পদ আছে
সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সংসদ সদস্যের হলফনামায় বিভিন্ন তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে ইসির দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন করেছেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি, জামায়াত জোটের সদস্যদের তথ্যহীনতার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি ও সংবিধান লঙ্ঘনের বিষয়েও মতামত জানিয়েছেন তিনি।
নিপুণের ৫০২ ভরি স্বর্ণ: 'আমি রাজকপালী'
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মানসুরা আক্তার সর্বকনিষ্ঠ। হলফনামায় বলেছেন, তাঁর কোনো আয় নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন।
সাবিকুন্নাহারের হলফনামায় ১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ, গাড়ি, জমি ও সোনার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে প্রার্থী হয়েছেন তাসমিয়া প্রধান।
সেলিমা রহমানের হলফনামায় ৬ কোটি টাকার বেশি সম্পদ, বাড়ি, ব্যাংক ও সোনার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২২৪ আসনে প্রার্থী রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর। এর মধ্যে ২০১ জন উচ্চশিক্ষিত।
স্থাবর–অস্থাবর সম্পদে কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামায়াতের প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের আয় ও সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেছেন।
বরিশালে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বেশি।
চট্টগ্রামের ১৬ আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই ধার ও দানের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থী এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। তিনি বছরে আয় করেন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতেই জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা প্রার্থী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে বার্ষিক আয়, মোট সম্পদ, আয়কর, দেনা—সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে আছেন মোহাম্মদ আলী আসগার (লবী)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব।
সিলেটে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীরা বেশি সম্পদশালী। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ—সব দিক দিয়েই তাঁরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন।
এইবারের নির্বাচনের মনোনয়নের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা দেখে যা বুঝেছি, পুরোনো রাজনীতিবিদদের হলফনামা খুব বোরিং। বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিংবা এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ অনেকবার নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেই একই হলফনামা। তবে এখন যাঁরা নতুন বা তরুণ নেতা, তাঁদের হলফনামায় চমক আছে।
হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ও সম্পদের মালিক নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় ও সম্পদ রয়েছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবুল কালামের। সম্পদশালীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এনসিপি প্রার্থী। তাঁরা দুজনই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সাচিংপ্রু জেরী ২০১৮ সালেও প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁর আয় ওই সময়ের তুলনায় দেড় গুণ এবং সম্পদ প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্থাবর সম্পদে এগিয়ে আছেন কুমিল্লা-৯ আসনের মো. আবুল কালাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। এরপরই আছেন কুমিল্লা-৭ আসনের রেদোয়ান আহমেদ।