‘রিসেপশনিস্ট’ হিসেবে শুরু, এখন ‘সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং’ বিভাগের প্রধান
আমাদের সময়ে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর লক্ষ্য ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়া কিংবা সরকারি চাকরিতে যাওয়া।
আমাদের সময়ে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর লক্ষ্য ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়া কিংবা সরকারি চাকরিতে যাওয়া।
উৎসবের সবচেয়ে বড় আয়োজন ‘কসপ্লে কম্পিটিশন’। ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন চরিত্র সেজে এসেছিলেন শিক্ষার্থীরা।
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, ভুয়া খবরের ছড়াছড়ি ও তথ্যের সত্যতা যাচাই বর্তমানে এই পেশায় বড় চ্যালেঞ্জ।
টোয়েফলে আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, এটি শুধু ইংরেজি জানার পরীক্ষা নয়।
কৌতূহল, ভালো প্রশ্ন করার ক্ষমতা, তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস এবং সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা—এসবের প্রয়োজন কখনোই ফুরাবে না।
একটি বিশেষ পর্ব ছিল ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াটার চ্যালেঞ্জ’। সেখানেই পুরস্কার জিতেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছেলে জাবীর জারিফ আখতার।
আন্তর্জাতিক মানের একটি স্বয়ংক্রিয় ড্রোন তৈরি করতে মাসের পর মাস পরিশ্রম করেছে আমাদের পুরো দল।
আমরাই ছিলাম প্রথম ব্যাচ। মনে আছে, যে ২০ জন ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে আমি ছিলাম সর্বশেষ।
অনেকেই প্রস্তুতির শুরুতে অনেক বই, ভিডিও, মডেল টেস্ট সংগ্রহ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
এই স্কোর পাওয়ার পর সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটি শুনেছি, তা হলো কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম।
পরমাণু বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় গবেষণা সংস্থা—সার্ন। সেখানেই ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মাহিম।
প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কাজের ধরন বদলে ফেলতে বাধ্য হচ্ছে।
অর্থায়নের পাশাপাশি আর্থ সোসাইটির মেন্টরশিপ (পরামর্শ) ও ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রশ্ন উঠেছিল, কৃষিভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম সোসাইটি কেন? ফারহারা কথায় বোঝাতে না পেরে কাজে বোঝানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ধাপে ধাপে ৪০ লাখ শিক্ষার্থী এসব কোর্স করবে, বছরে অন্তত ২ লাখ দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে অবদান রাখবে।
এটা স্পষ্ট যে আগামী দশকের মধ্যে বহু চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অথবা এমনভাবে বদলে যাবে, যা আগে থেকে অনুমান করা কঠিন।
রিশাদের বেড়ে ওঠা ঢাকার মালিবাগে। পড়েছেন সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে। নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক।
চুয়েটে যাতে বিদেশি শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা নিতে আসতে পারে সেই লক্ষ্যে একটি কমিটি করে দিয়েছি।
চোখের সামনেই একটা বিশাল পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম। চারপাশ কত দ্রুত বদলে যাচ্ছে, দেখাটা সত্যিই চোখ খুলে দেওয়ার মতো ছিল।
শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩০ শতাংশই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছেন। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাড়ি জমাচ্ছেন জার্মানিতে।
স্বামী–স্ত্রী দুজনেরই কীভাবে এই বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ হয়ে গেল? চলুন, জানা যাক।
এটি বাংলাদেশের তরুণ জীবপ্রযুক্তিবিদদের সংগঠন। প্রায় ১৫ হাজার সদস্যের এই নেটওয়ার্ক দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবপ্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের এক করছে।
ব্যবসা বা করপোরেট জগতের প্রতি যদি আগ্রহ থাকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় আইবিএ হতে পারে প্রথম পছন্দ। আইবিএর প্রস্তুতিটা কিন্তু বেশ অন্য রকম।
পাঁচটির বেশি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মাহমুদ শরীফ। সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিয়েছেন এক হাজার মাইল। পিএইচডি করতে এবার যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন এই ‘অলরাউন্ডার’।