মানুষের সেবা করতে নার্স হতে চায় মদিনা
‘মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ পাব ভাবতেই পারিনি!’ কথাটি বলে মদিনা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। কী হয়েছিল জিজ্ঞেস করলে তার জীবনের গল্প বলতে শুরু করে সে।
‘মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ পাব ভাবতেই পারিনি!’ কথাটি বলে মদিনা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। কী হয়েছিল জিজ্ঞেস করলে তার জীবনের গল্প বলতে শুরু করে সে।
রাজশাহী আলোর পাঠশালার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবাইয়া খাতুন। রুবাইয়ার আরও একজন বোন আছে। দুই সন্তানকে নিয়ে ওর বাবা-মায়ের সংসার। বাবা রংমিস্ত্রির কাজ করেন। পাশাপাশি ফুটপাতে
মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তারের বাবা মো. শাহানুর ইসলাম পেশায় রিকশা চালক। ভাড়ায় রিকশা চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালান তিনি। নিত্য প্রয়োজনীয় অভাব
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চট্টিগ্রামের বাবুডাইং আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসা: সিমা খাতুন। তার চোখ ভরা স্বপ্ন, যা কিনা তীব্র দারিদ্র্যের কালো ছায়াকেও ম্লান করে দেয়। তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য—লেখাপড়া শেষ করে একজন সেবিকা (নার্স) হওয়া। অভাব-অনটনের সঙ্গে নিত্য সংগ্রাম করেও সিমা তার স্বপ্নকে জীবন্ত রেখেছে।
মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশিদুল ইসলাম। ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে, যেখানে জীবনযাত্রার প্রতিটি ধাপে সংগ্রাম, সেখানেই বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠছে সে। রাশিদুল ইসলামের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো—বাংলাদেশের একজন সফল ক্রিকেটার হওয়া।
মাসুদ হোসেন (৮) দমদমিয়া আলোর পাঠশালার তৃতীয় শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার রোল নম্বর ৫। তার পিতা মোহাম্মদ হোসেন পেশায় দিনমজুর। অন্যের দিনমজুরি কাজ করে কোনোরকমে তাদের সংসার চলে।
কেউ কেউ দাবি করেন যে তাঁরা সশরীরে নবীজিকে দেখেছেন বা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু শরিয়তের আলোকে এই দাবির সত্যতা কতটুকু, তা পর্যালোচনার দাবি রাখে।