জাতীয় নারী কাবাডি দলে খেলার স্বপ্ননিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি কন্যা
প্রতিটি মানুষেরই জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে—কেউ ডাক্তার, কেউ শিক্ষক কিংবা কেউ বিসিএস ক্যাডার হতে চায়। কিন্তু মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত বান্দরবানের থানচিতে অবস্থিত কচ্ছপতলী আলোর
প্রতিটি মানুষেরই জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে—কেউ ডাক্তার, কেউ শিক্ষক কিংবা কেউ বিসিএস ক্যাডার হতে চায়। কিন্তু মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত বান্দরবানের থানচিতে অবস্থিত কচ্ছপতলী আলোর
অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম আর পায়ের নিখুঁত ড্রিবলিংয়ে নজর কেড়েছে উদীয়মান কিশোর ফুটবলার মো. মানিক। মদনপুর আলোর পাঠশালার ষষ্ঠ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী ফুটবলের সবুজ মাঠে এখন বুনছে জাতীয় দলে খেলার...
পারিবারিক ও আর্থিক প্রতিকূলতাকে জয় করে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩.২৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মো. বরকত উল্যা। সে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত
চরম অভাব-অনটনকে জয় করে চিকিৎসকের স্বপ্ন দেখছে গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে সালমা। মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত আলোর
কাঁচা রাস্তার কাদা-ধুলা পেরিয়ে প্রতিদিন হেঁটে বিদ্যালয়ে আসে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার গুড়িহারী শালবাড়ি গ্রামের মোশরেফা খাতুন। বাবা পেশায় একজন প্রান্তিক কৃষক এবং মা গৃহিণী।
নওগাঁর গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী মুশফিকা খাতুন দারিদ্র্যের বাধা পেরিয়ে চিকিৎসক হয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে সেবা করার স্বপ্ন দেখছেন।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের ‘অদম্য মেধাবীদের সঙ্গে’ আয়োজনে কথা বলেছেন নোয়াখালীর সুবর্ণচরের স্বপ্না আক্তার। প্রতিকূলতা ও সামাজিক বাধা জয় করে কীভাবে তিনি আজ স্বাবলম্বী হলেন, সেই অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প উঠে এসেছে এই সাক্ষাৎকারে।
রাজশাহী আলোর পাঠশালার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জিতু পারিবারিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, যেখানে তাকে সহায়তা করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট।
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইংসাইংওয়াং মারমা আন্তর্জাতিক মানের চিত্রশিল্পী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার স্বপ্ন দেখছেন।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থী মোঃ সূর্য দারিদ্র্য জয় করে বিজিবি অফিসার হয়ে দেশসেবার স্বপ্ন দেখছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিল-বৈলঠা গ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা কোল সম্প্রদায়ের অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী সুরঞ্জনা রাণী প্রতিদিন ১০ কিলোমিটার পথ হেঁটে স্কুলে যাতায়াত করে এবং বাল্যবিয়েমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখে।
সব ধরনের প্রতিকূল পরিবেশ আর সীমিত সুযোগ-সুবিধাকে জয় করে নিজের স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মো. মানিক মিয়া। মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালা থেকে উঠে আসা এই তরুণ নিজের মেধা ও পরিশ্রমের জোরে ভবিষ্যতে একজন আইনজীবী হিসেবে সমাজে অবদান রাখতে চান।
ইচ্ছা আর সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো বাঁধাই টপকানো সম্ভব—তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মদনপুরের ক্ষুদে শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন। বর্তমানে সে মদনপুর আলোর পাঠশালার ষষ্ঠ শ্রেণির একজন অত্যন্ত মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র। ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার (প্রকৌশলী) হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করাই এখন আরিফের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আরিফের বাবা হেলাল মিয়া পেশায় একজন চৌকিদার।
পাহাড়ের বুকে লুকিয়ে আছে কত শত সুপ্ত প্রতিভা, যার অনন্য এক দৃষ্টান্ত বান্দরবানের খুদে ফুটবলার ডনসাতি ত্রিপুরা। আন্তর্জাতিক মানের ফুটবলার হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করাই এখন তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। ডনসাতি ত্রিপুরা ২০২৬ সালে বান্দরবানের কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়।
রাজশাহীর তালাইমারির কেঁদুর মোড় এলাকার এক জীর্ণ ভাড়া বাসায় স্বপ্ন বুনে চলেছে এক কিশোর। নাম তার আব্দুর রহমান।
বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।
মেঘনা নদীর ওপারে অবস্থিত ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মাঝেরচর। চারদিকে নদীবেষ্টিত এই প্রত্যন্ত চরাঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরেই নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অবহেলিত এই জনপদে শিক্ষার আলো পৌঁছানো যেখানে ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ, সেখানে এখন নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মদনপুর আলোর পাঠশালা।
অভাব-অনটন আর নিত্যদিনের টানাপোড়েন যেখানে নিয়তি, সেখানে স্বপ্ন দেখা অনেকের কাছেই এক বিলাসিতা। কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে জয় করে, সীমাবদ্ধতার গণ্ডি ভেঙে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছে মোহনা আক্তার।
শিক্ষা মানুষের জীবনকে আলোকিত করে এবং সমাজকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর এই বিশ্বাস থেকেই নিজের ভেতরে শিক্ষার আলো ধারণ করে ভবিষ্যতে সে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হতে চায়।
টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট বন্ধ থাকায় পর্যটন-সংকটে পড়া এক সাধারণ ব্যবসায়ীর সন্তান ওমর ফারুক এখন ‘দমদমিয়া আলোর পাঠশালা’র হাত ধরে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে।
পারিবারিক ইচ্ছা আর ধর্মীয় শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক শিক্ষায় নিজেকে আলোকিত করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মোহাম্মদ রাসেল। সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে সে এখন মদনপুর আলোর পাঠশালার ৭ম শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। রাসেল মদনপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সিরাজ বেপারী ও বিবি শাহিদা বেগমের ৮ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট।
মেঘনা নদীর বিশাল জলরাশির বুকে যখন ভোরের সূর্য হাসে, তখন নদীর পাড়েই জেগে ওঠে এক ব্যতিক্রমী আলোর পাঠশালা- মেঘনাপাড় ধীবর আলোর পাঠশালা। আর এই পাঠশালারই চতুর্থ শ্রেণির এক স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান তামিম। নদীপাড়ের এক সাধারণ দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া তামিমের স্বপ্নের পরিধি কিন্তু আকাশচুম্বী।
নানা সংকট আর চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠেও সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে এক কিশোরী। তার নাম তহমিনা আক্তার। সে কুড়িগ্রামের দুর্গম চর কুমরেরবসের বাসিন্দা এবং স্থানীয় মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী।
মজু চৌধুরীর হাট বাজারের কোলাহল আর মেঘনা নদীর বাতাস গায়ে মেখে বেড়ে ওঠা এক কিশোর মোঃ লাবিব ওয়াহেদ। দশকের পর দশক ধরে সততার সাথে চা বিক্রি করে সংসার চালানো মোঃ আলমের কনিষ্ঠ পুত্র সে। চারপাশের হাজারো মানুষের আনাগোনা আর আলো ঝলমলে বাজারের আড়ালে এক অন্ধকার বাস্তবতাকে খুব কাছ থেকে দেখেছে লাবিব।