আরও ৩ সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত
আরও তিনটি সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আরও তিনটি সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আসিফ মাহমুদের জন্য এটি হবে সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রথম পরীক্ষা। সংসদ বা স্থানীয় সরকারের কোনো পর্যায়েই তিনি আগে নির্বাচন করেননি।
ঢাকার দুই সিটিসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনেও এবি পার্টির প্রার্থী থাকবে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
একই দিনে নিজেদের ভোটার এলাকা স্থানান্তর করেছেন এনসিপির দুই নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। দলটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিতেই এই...
জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আসিফ মাহমুদ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন।
দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের মধ্যে ৮টিতে মেয়র প্রার্থী প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আতিকুর রহমান মুজাহিদ ও শেখ ফজলুল করিম মারুফকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
সংসদ নির্বাচন জোটগতভাবে করলেও সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিজেদের শক্তিতেই করতে চাইছে জামায়াতে ইসলামী।
বিএনপি ক্ষমতায় এসে সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসালেও এনসিপি পাঁচটি সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দলটি প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া এবং জনসংযোগের জন্য এগিয়ে এসেছে। বাকি সিটি ও স্থানীয় নির্বাচনেও আগাম প্রার্থী ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনসহ কুমিল্লা, রাজশাহী ও সিলেটে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি। বাকি সাত সিটি, উপজেলা ও পৌরসভায়ও শীঘ্রই প্রার্থী দেবে দলটি। স্থানীয় নির্বাচনের জন্য পাঁচ দফা দাবি তুলেছে এনসিপি নেতারা।
সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রশাসকেরা দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের পর তাঁরা মেয়রের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।
পবিত্র রমজানের পর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।