প্রচ্ছদ/সাহিত্য

সাহিত্য

মোট 370 টি সংবাদ · পৃষ্ঠা 8 / 16

‘বনলতা সেন’: চলচ্চিত্র কি শুধু গল্পই বলে

‘বনলতা সেন’: চলচ্চিত্র কি শুধু গল্পই বলে

‘একটি চলচ্চিত্রে গল্প থাকতেই হবে।’ এই কথা আমরা এতবার শুনেছি যে অনেকেই একে চলচ্চিত্রের মৌলিক শর্ত বলে ধরে নিয়েছেন। আমার কাছে বরং এটি অপরিণত দর্শক-মানসের একটি বালখিল্য আকাঙ্ক্ষা। কারণ, গল্প চলচ্চিত্রের একটি উপাদান হতে পারে, পরিচয় নয়।

১৪ জুলাই, ২০২৬ এ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
‘কার ঘোড়ায় চড়বে আফ্রিকা?’—ওকাইয়ের কবিতায় উত্তর

‘কার ঘোড়ায় চড়বে আফ্রিকা?’—ওকাইয়ের কবিতায় উত্তর

কবি আতুকেই ওকাই ঘানার আক্রায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪১ সালের ১৫ মার্চ। ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর আফ্রিকা এবং আফ্রিকার বাইরের নানা দেশে তাঁর কবিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং তাঁর কবিতার শক্তিমত্তাকে তুলে ধরা হয়। আফ্রিকান মৌখিক কবিতা (ওরাল পোয়েট্রি) ও পারফরম্যান্স পোয়েট্রির বিকাশে তাঁর অবদান অতুলনীয়।

১৩ জুলাই, ২০২৬ এ ১:১৯ অপরাহ্ণ
সংগ্রামমুখর মানুষের কবি পাবলো নেরুদা

সংগ্রামমুখর মানুষের কবি পাবলো নেরুদা

স্প্যানিশ ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি পাবলো নেরুদা। লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে পঠিত কবির নামও পাবলো নেরুদা। রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, বিপ্লবী, প্রেমিক, নোবেলজয়ী—এমন অসংখ্য অভিধা তাঁর নামের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়।

১২ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:১৩ অপরাহ্ণ
কবিতা কি হতে পারে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র

কবিতা কি হতে পারে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র

প্রায় সোয়া শ বছর আগে অত্যন্ত অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে জন্ম নেওয়া কবি পাবলো নেরুদা রেখে গেছেন এমন এক সাহিত্যিক উত্তরাধিকার, যা আজও অমলিন।

১২ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
আবেগের আর্তনাদে লেখা একটি কাব্যিক প্রার্থনা

আবেগের আর্তনাদে লেখা একটি কাব্যিক প্রার্থনা

শূন্যতা, বিরহ এবং যন্ত্রণার এক কাব্যিক বহিঃপ্রকাশ, যেখানে প্রিয়তমার অনুপস্থিতিতে আর্তনাদ ও মৃত্যুনাদের সুর ধ্বনিত হয়েছে।

১২ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
ব্যাকবেঞ্চার সোহেল এবং রবীন্দ্রনাথ

ব্যাকবেঞ্চার সোহেল এবং রবীন্দ্রনাথ

সোহেল এক বিশিষ্ট ব্যাকবেঞ্চার। জীবনে একবারই সে সামনের বেঞ্চিতে বসেছিল, যেদিন তার আব্বা তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে হেডমাস্টারকে বলেছিলেন তার দিকে একটু বিশেষ দৃষ্টি রাখতে। সেদিন হেডস্যার নিজে তাকে ক্লাসে পৌঁছে দিয়ে ফার্স্ট বেঞ্চিতে বসিয়ে দিয়ে গেছিলেন। তার পর থেকে সে আর কখনো ভুলেও ফার্স্ট বেঞ্চিতে বসেনি। বসবেই–বা কেন? পড়ালেখার প্রতি ন্যূনতম আগ্রহ তার কোনোকালে ছিল না; ক্লাসে স্যাররা যা বলেন, তা মনোযোগ দিয়ে শোনার কোনো কারণ সে খুঁজে পায়নি কখনো। পরীক্ষায় সে কোনোমতে টেনেটুনে পাস করে, কখনো কখনো দু–এক সাবজেক্টে ফেলও করে। পড়ালেখায় লাড্ডুমার্কা বলে এমন নয় যে তার মাথায় গোবর পোরা। সিলেবাসের বইগুলো বাদে সব ব্যাপারে তার বিপুল আগ্রহ।

১১ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
২০৪৬-এর বিশ্বকাপে যা যা ঘটল

২০৪৬-এর বিশ্বকাপে যা যা ঘটল

২০৪৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই যখন শুরু হলো, একটা দেশ খুব ভালো করতে শুরু করল। দেশটার নাম আমি বলে দিতে চাই না। ধরা যাক, দেশটার নাম আন্দিরা। তাদের দলে মেসি ২ জন, এমবাপ্পে আছে ২ জন, হল্যান্ড আছে ২ জন, হাকিমি ২ জন, গোলকিপার মার্তিনেজ ২ জন। সব মেড ইন আন্দিরা। তাদের নামও মেসি কিংবা মার্তিনেজ নয়। মেসি ১-এর নাম লিং, আর মেসি ২–এর নাম পিং। এই রকম আরকি।

১০ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
অতল

অতল

শ্যামল দাবি করে, মাঝে মাঝে কুয়ার ভেতর থেকে অস্পষ্ট কিছু আওয়াজ উঠে আসে। কোনো কোনো ঝিম-ধরানো দুপুরবেলা হয়তো সে বাড়ির ভেতরের দিকের বারান্দায় মাদুর পেতে শুয়েছে। তার ঘুম ভেঙেছে অচেনা কিছু শব্দ। অনুসন্ধান করে সে দেখেছে কুয়াতলা থেকে আসছে সেসব শব্দ। কিসের শব্দ? দুটো মানুষ যেন তর্ক করছে, বা কেউ কাউকে ডাকছে। অচেনা ভাষা। মাঝে মাঝে যান্ত্রিক শব্দও ভেসে আসে। যেন একটা ট্রেন যাচ্ছে কোথাও। কোনো কোনো অমাবস্যার রাতেও কুয়ার অতল থেকে শব্দ আসে। খুব মিহি। প্রায় শোনাই যায় না।

১০ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
প্রথম সপ্তাহেই ৩ লাখ কপি বিক্রি ট্রাম্পকে নিয়ে লেখা নতুন বইয়ের

প্রথম সপ্তাহেই ৩ লাখ কপি বিক্রি ট্রাম্পকে নিয়ে লেখা নতুন বইয়ের

ম্যাগি হ্যাবারম্যান ও জনাথন সোয়ানের লেখা 'রেজিম চেঞ্জ' বইটির ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। প্রথম সপ্তাহেই ৩ লাখ কপি বিক্রি হওয়া এই বইটিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রথম ১৪ মাসের অন্তরালের ঘটনা ও তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

১০ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
শহীদুল জহিরের আখ্যানশিল্প ও পাঠকের পাঠনৈতিক বাস্তবতা

শহীদুল জহিরের আখ্যানশিল্প ও পাঠকের পাঠনৈতিক বাস্তবতা

নৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের কারণেও, কেউ কেউ শহীদুল জহিরের লেখ্যশিল্পকর্মের প্রাপ্য মান্যতা দিতে নারাজ। অথচ, সময়ের অগ্রসর পাঠক ক্রমশ শহীদুল জহিরের আখ্যানে বুঁদ হয়ে উঠছেন। অনূদিত শহীদুল জহির বহির্বিশ্বের অন্য ভাষার পাঠকের মুখোমুখি ছড়িয়ে পড়ছেন তাঁর রচনার শক্তিতেই। বাংলা ভাষায় শহীদুল জহিরের চেয়ে শক্তিশালী লেখক এই মুহূর্তে হাজির করতে পারবে কেউ বা হরেদরে গল্প-উপন্যাস লিখিয়েরাও কেউ কি শহীদুল জহিরের মতো গদ্যভাষাকে নিজের আয়ত্বে এনে ব্যবহার করতে পারার ক্ষমতায় পৌঁছেছেন? পারলে এটা পেরেই দেখাতে হবে। বয়ানের মহাজনী ও যুগপত ফাঁপা বাগাড়ম্বর নয়, এটা করে দেখাবার, লিখে দেখাবার প্রশ্ন। বাংলা ভাষায়, সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির—এই বাক্যকে অস্বীকার করবেন, এমন কী আছে কার ঝুলিতে?

৯ জুলাই, ২০২৬ এ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
নগ্নতার আবরণে ঢাকা এক সন্ত-কবি

নগ্নতার আবরণে ঢাকা এক সন্ত-কবি

আক্কা মহাদেবী যে রাজকীয় বস্ত্র ও অলংকার ত্যাগ করে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে যান এবং তাঁর দীর্ঘ কেশই ছিল একমাত্র আবরণ; এ নগ্নতা ছিল জাগতিক মোহ, সামাজিক লজ্জা ও পুরুষতান্ত্রিক কর্তৃত্ব থেকে মুক্তির শক্তিশালী প্রতীক। তাঁর এ পথ ছিল প্রচলিত সামাজিক ও ধার্মিক কাঠামোর প্রতি এক চ্যালেঞ্জ। তিনি ভিক্ষার অন্নে জীবন ধারণ করতেন এবং ভাঙা মন্দিরে রাত কাটাতেন। এভাবে তিনি ইন্দ্রিয়তৃপ্তি ও বৈষয়িক বন্ধন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতেন।

৯ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
নীল স্যুটকেস

নীল স্যুটকেস

হেনরি স্যুটকেসটার সঙ্গে মাথা ঘষছে। সিনথিয়া ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। দৃশ্যটা কোনো কারণে আমার খুব ভালো লাগছে। স্যুটকেসটা একটু ঘুরে গেছে। এখন ওর আধখোলা চেইন দেখা যাচ্ছে। ওখান থেকে লাল-সবুজ চেকের একটা কাপড় উঁকি দিচ্ছে । আর পাশে সাদা পশমি কিছু। অনেকটা শীতের রাতে ঘুমানোর আগে পরার মোজার মতো। হঠাৎ করেই আমার মনে হলো, স্যুটকেসটা বাড়ি ফেরার জন্য গোছানো হয়নি। বাইরে আবার তুষার নামতে শুরু করেছে। ধীরে। একেবারে শব্দহীন।

৯ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
কেন আজও প্রাসঙ্গিক সুভাষ মুখোপাধ্যায়

কেন আজও প্রাসঙ্গিক সুভাষ মুখোপাধ্যায়

২০০৩ সালের ৮ জুলাই কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সাহিত্যকীর্তি আজও সমান জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক। সময় যত এগিয়েছে, ততই নতুন অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতা। সমাজে যখনই শোষণ, অবিচার কিংবা ফ্যাসিবাদের অন্ধকার বিস্তার লাভ করেছে, তখনই প্রতিবাদী যুবসমাজ সাহস ও সংগ্রামের ভাষা খুঁজে পেয়েছে তাঁর কবিতায়। সুভাষ মুখোপাধ্যায় কেবল ২১ বছরের তরুণ পদাতিক-এর কবি নন; তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামে অবিচল এক পথিক। তাঁর কবিতা শুধু একটি সময়ের রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়, বরং ন্যায়, মানবমুক্তি ও প্রতিরোধের এক স্থায়ী কাব্যভাষা, যা যুগে যুগে মেহনতি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কবিতার সেই অবিনশ্বর লাইন, যা চিরকাল মানুষের মনে আশার আলো জ্বেলে রাখবে: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। শান-বাঁধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে।’ (ফুল ফুটুক না ফুটুক, ফুল ফুটুক)

৮ জুলাই, ২০২৬ এ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
নিষিদ্ধ ও বিতর্কিত বই নিয়ে ডুয়া লিপার ‘ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’

নিষিদ্ধ ও বিতর্কিত বই নিয়ে ডুয়া লিপার ‘ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’

লিভরারিয়া লেলোর ব্র্যান্ডপ্রধান ফ্রান্সিসকা পেদ্রো পিন্টো বলেন, ‘১২০ বছর ধরে আমরা একটি বিশ্বাসকে ধারণ করে আসছি যে বই মানুষের স্বাধীনতার শক্তিশালী মাধ্যম। ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি সেই বিশ্বাসেরই প্রতিফলন।’

৮ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
আমরা কি ‘সত্য-উত্তর’ যুগে বাস করছি

আমরা কি ‘সত্য-উত্তর’ যুগে বাস করছি

পোস্ট-ট্রুথের বিপরীতে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে পারে ‘সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি’—কুন্দেরা যাকে বলছেন ‘প্রশ্নপ্রবণ চেতনা’ বা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকে মনে করেন ‘সেন্সরশিপ’ সমাধান। কিন্তু সেন্সরশিপের নীতিমালা তৈরি করবে বা বাস্তবায়ন করবে যে পক্ষ তাকেও আমরা আর বিশ্বাস করতে পারি না। ফলে ‘সেন্সরশিপ’ আরোপ করে সমালোচনার পথ বন্ধ করার প্রচেষ্টা হিতে বিপরীত হয়ে যায়—সমাজে সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তির চর্চার ক্ষেত্র আরও সংকুচিত হয়ে আসে। একটি দেশের গণতন্ত্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন মানুষ যুক্তি দিয়ে মতভেদ করতে শেখে; বিদ্বেষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না। এই সত্য-উত্তর বাস্তবতায় আমাদের রক্ষাকবচ হতে পারে দেশের সহিষ্ণু, চিন্তাশীল নাগরিক।

৭ জুলাই, ২০২৬ এ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
পানির অপর নাম জীবন

পানির অপর নাম জীবন

পুলিশের ব্যারিকেডের এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আশরাফুলের আঙুলগুলো কাঁপছে। তার ইউনিফর্মটা আজ বড়ো বেশি ভারী মনে হচ্ছে। লোহার খাঁচার ওই পাশে যারা আছে, তাদের মুখগুলো খুব চেনা মনে হচ্ছে, ওই মানুষের মধ্যে নিশ্চয় তূর্য মিশে গেছে, সকালে খুব তর্ক করেছে ছেলেটা, ওর সব বন্ধুরা মিছিলে চলে গেছে, সে-ই নাকি ঘরে বন্দী; আসলে ছেলেটা হয়েছে একদম ওর দাদার মতো, আশরাফুলের ঠিক উল্টো, সে তো ঠান্ডা মেজাজের ও শান্ত স্বভাবের লোক, এ জন্য তাকে হাফলেডিস বলে কেউ কেউ, সে অনেকবার শুনেছে, কিন্তু চামড়ার মুখ দিয়ে একটা কথা বেরিয়ে গেলে সে আর কী করতে পারে।

৭ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
৮০ বছর পর মিলল হিরোশিমার প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা

৮০ বছর পর মিলল হিরোশিমার প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা

প্রায় ৮০ বছর আগে লেখা হিরোশিমা পারমাণবিক বোমা হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্কাইভে সেটি খুঁজে পাওয়া গেছে। এবার প্রথমবারের মতো বই আকারে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সেই মূল্যবান দলিল। শুধু তা–ই নয়, স্মৃতিকথাটি অবলম্বনে নির্মিত হবে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও। ‘হিরোশিমা, ৮: ১৫’ শিরোনামে এই স্মৃতিকথার লেখক কিয়োশি তানিমোতো। ১৯৪৭ সালে তিনি ২৩০ পৃষ্ঠার বইটি লিখেছিলেন। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ তিনি নিজের চোখে দেখেছিলেন। সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতাই তিনি তুলে ধরেছিলেন লেখায়।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
তোমার ঘ্রাণে

তোমার ঘ্রাণে

ছাতার শহর, রাতের প্রহর, তোমার কেনা মিথ্যে শোকে ঘ্রাণ মিশে যায় গায়ে গায়ে যেমন চেনা অন্য লোকের মিলিয়ে গেছে, যায়নি পাওয়া তোমার গায়ের সমস্ত ঘ্রাণ একটা শহর ব্যস্ত তখন হারিয়ে যাওয়ার খুব অভিমান।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সাহিত্য - টপিক | মুক্তকণ্ঠ