যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবের মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কে, শীর্ষ ১০
এই তালিকায় জায়গা পাওয়ার জন্য শুধু ক্রীড়া দল থাকলেই হয় না। এবার ন্যূনতম সম্পদের সীমা ১২ দশমিক ২ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২২০ কোটি ডলার।
এই তালিকায় জায়গা পাওয়ার জন্য শুধু ক্রীড়া দল থাকলেই হয় না। এবার ন্যূনতম সম্পদের সীমা ১২ দশমিক ২ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২২০ কোটি ডলার।
এআই-এর প্রভাব ও চাকরির বাজারের অনিশ্চয়তায় সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়নিয়াররা, যা বদলে দিচ্ছে তাঁদের উত্তরাধিকার পরিকল্পনা।
স্পেসএক্সের শেয়ারমূল্য বৃদ্ধির ফলে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে ৮২৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তাঁদের অর্জিত বিপুল ধনসম্পদ কখনো ব্যক্তিগত ভোগবিলাস বা ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়নি; বরং তা ব্যবহৃত হয়েছে সমাজকল্যাণ, মানবিক পুনর্বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সংকট নিরসনে।
ধ্বংসোন্মুখ পৃথিবী। বইছে ধূলিঝড়। বাতাস বিষাক্ত। ফসলের খেত পুড়ে ছারখার। না খেয়ে মরছে মানুষ। অথচ সেই চরম সংকটময় সময়ে ভূগর্ভস্থ গোপন দপ্তরে বসে বিজ্ঞানীরা কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানাচ্ছেন মহাকাশযান।
মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে শুক্রবার গৌতম আদানির সম্পদ প্রায় ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার বেড়েছে।
১৯৮৯ সালে আমেরিকার মোট সম্পদের ৩২ শতাংশ ছিল শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনকুবেরের হাতে। ২০২৫ সালে এসে দেখা যাচ্ছে, দেশের মোট সম্পদের প্রায় ৬৮ শতাংশই এখন এই মুষ্টিমেয় ধনীদের দখলে।
অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জেফ বেজোস বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হলেও তাঁর আনুষ্ঠানিক বেতনের অঙ্কটি রীতিমতো অবাক করার মতো।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ফলে এক মাসে ইলন মাস্কসহ বিশ্বের শীর্ষ ৫ ধনীর সম্পদ ৮৮ বিলিয়ন ডলার কমেছে। এর পরিমাণ ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের বাজেটের চেয়ে বেশি। ফোর্বসের তথ্য অনুসারে শেয়ারবাজারের পতন এর কারণ।
শতকোটিপতিদের মধ্যে ১৪ শতাংশ নারী। গত বছর ছিল ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ এ বছর নারী শতকোটিপতিদের সংখ্যা বেড়েছে।
ভারতের দুই শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানির সম্মিলিত সম্পদ গত এক বছরে ১৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৪৭০ কোটি ডলার বেড়েছে।
গত কয়েক বছরে সুইফটের সম্পদ দ্রুত বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালেই তাঁর সম্পদ প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
তালিকায় আবারও জায়গা করে নিয়ে শাহরুখ খান প্রমাণ করলেন, অভিনয়ের বাইরে ব্যবসা ও ব্র্যান্ড সাম্রাজ্য গড়ে তুলেও তিনি সমান সফল।
ফোর্বসের শীর্ষ ধনীর তালিকায় প্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়ীরাই মূলত রাজত্ব করছেন।
বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও এই তালিকায় জায়গা হয়নি বিশ্বের দুই শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক ও ল্যারি পেজের।
বিশ্বে শত কোটিপতিদের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৬ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন (১৬ লাখ ১০ হাজার কোটি) মার্কিন ডলারের বেশি।
বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার পূর্বাভাস, ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ইলন মাস্কের সম্পদমূল্য এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ধনকুবেরদের (বিলিয়নিয়ার) সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
ধনী হওয়ার যত মাইলফলক আছে, ইলন মাস্ক সেগুলো খুব দ্রুত অতিক্রম করে যাচ্ছেন।
প্রথম কয়েকটি ছবি টানা ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত তিনিই হয়ে উঠেছেন হিন্দি সিনেমার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি।