নাহিদ হাসানের কবিতা: ও আমার মাংসল ফুল
নাহিদ হাসানের কবিতা ‘ও আমার মাংসল ফুল’
নাহিদ হাসানের কবিতা ‘ও আমার মাংসল ফুল’
পারভেজ আহসানের কবিতা 'বৃষ্টির কোরাস' প্রকাশিত হয়েছে মুক্তকণ্ঠে।
তিনটি প্রশ্ন দিয়ে মূল আলোচনায় প্রবেশ করতে চাই। প্রথম প্রশ্ন: ফকির লালন সাঁই নিজে গান পরিবেশন করতেন কি না? দ্বিতীয় প্রশ্ন: লালন সাঁইয়ের গানের কোনো পাণ্ডুলিপি আছে কি না? তৃতীয় প্রশ্ন: লালন সাঁইয়ের সব গানের সুর অডিও বা ভিজ্যুয়ালি সংরক্ষিত আছে কি না?
২০২৬ সালের বুকার প্রাইজ-এর দীর্ঘ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ১৩টি উপন্যাস স্থান পেয়েছে। তালিকায় সাবেক বিজয়ীদের পাশাপাশি একঝাঁক নতুন লেখকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
জুলাই আন্দোলনের প্রাক্কাল থেকে ঢাকার রাজপথের অভিজ্ঞতা, সমন্বয়কদের সাক্ষাৎকার সংগ্রহের উদ্যোগ এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা—এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে লিখেছেন লেখক।
রীমা ইসলামের গল্প ‘শেষ ফোনকল’
ভয় ও ঘৃণার বিপরীতে সংস্কৃতি ও গান কীভাবে প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে, তা নিয়ে একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন।
এই প্রবন্ধে গালিগালাজকে নৈতিক বিচ্যুতি হিসেবে নয়; বরং ভাষা, ক্ষমতা ও সংস্কৃতির আন্তসম্পর্কের একটি জটিল সাংস্কৃতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মিশেল ফুকোর জ্ঞান-ক্ষমতা তত্ত্ব আমাদের দেখায় কীভাবে রাষ্ট্র, ধর্ম ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ভাষার বৈধতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ‘অশ্লীলতা’ নির্মাণ করে।
ইসলামি রহস্যবাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব মনসুর আল-হাল্লাজ। বহু গ্রন্থ ও বিপুলসংখ্যক কবিতার রচয়িতা এই সাধক মুসলিম লোকগাথায় আল্লাহর প্রেমে আত্মনিবেদিত এক চিরন্তন প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
ইরানি আলোকচিত্রী হেঙ্গামেহ গোলেস্তানের আলোকচিত্রগুচ্ছ ‘উইটনেস ৭৯’ সেই বিরল দলিলগুলোর একটি, যা কেবল কয়েকটি প্রতিবাদ-সমাবেশের ছবি নয়; বরং আধুনিক ইরানের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এমন এক সন্ধিক্ষণকে ধারণ করে, যখন রাষ্ট্র, বিপ্লব এবং নারীর স্বাধীনতা—এই তিনটি শক্তি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।
পদার্থবিদদের মধ্যে যাঁরা চিত্রকর্ম ভালোবাসেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ভিনসেন্ট ভ্যান গঘের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে ভেবেছেন। যত সময় যাচ্ছে, ততই তাঁরা পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে তাঁর শিল্পকর্মকে দেখার চেষ্টা করেও কোনো মীমাংসায় পৌঁছাতে পারছেন না।
ভ্রমণ, প্রকৃতি এবং জীবনদর্শনের এক কাব্যিক সংকলন, যেখানে আগামীর পথ খোঁজার আকুলতা ফুটে উঠেছে।
চৈনিক লেখক লু সুনের (১৮৮১–১৯৩৬) নাম সুবিদিত। ‘শুঁড়িখানায়’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালের ২৫ মে সাংহাইয়ের ‘দ্য শর্ট স্টোরি ম্যাগাজিন’ নামের একটি সাময়িক পত্রিকায়। এই গল্পের আদি থেকে অন্ত পুরোটা লেখক স্বয়ং হাজির; আর আছেন তাঁর এক পুরোনো বন্ধু, গল্পে যার নাম উই-ফু।
ডিনস্টন সিমেট্রির নাম শুনেছেন? ওই যে শ্রীমঙ্গলে টি প্ল্যান্টার সাহেবদের কবরস্থান? ব্রিটিশ সাহেব, যারা কোম্পানির আমন্ত্রণে এ দেশে চা–শিল্পকে প্রতিষ্ঠিত করতে এসে আর নিজ ভূখণ্ডে ফিরে যেতে পারেনি। কেউ রোগে, কেউ বৃদ্ধ হয়ে, কারও শিশু, কারও স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এই সুবিশাল চা–বাগানের সবুজে ঘেরা ডিনস্টন সিমেট্রিতেই এদের সমাহিত করা হয়েছে। আমি এখানকার বাসিন্দা লক্সমি। এখানে কীভাবে এলাম সে গল্পটাই বলছি।
বৃত্ত আর্ট ট্রাস্টের আয়োজনে শিল্পী মাহবুবুর রহমানের পরিচালনা ও কিউরেটিংয়ে ‘বিয়ন্ড দ্য ব্রিফ’ বা ‘নির্দেশনার বাইরে’ নামে ১০ জন শিল্পীর যৌথ প্রদর্শনী চলছে বেঙ্গল শিল্পালয়ের কামরুল হাসান প্রদর্শনালয়ে। প্রদর্শনীর সময়সূচি ও অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
ডেনিস লিভারটভ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান মার্কিন কবি। এখানে তাঁর তিনটি কবিতার অনুবাদ রইল।
বাংলাদেশের সাহিত্যচর্চায় মধ্যবিত্তের ভূমিকা, তাদের আগ্রহের সীমাবদ্ধতা, বৃত্তাবদ্ধতা ও ভাষা-আঙ্গিক প্রসঙ্গ তুলে ধরে একটি মূল্যায়নমূলক বিশ্লেষণ প্রকাশিত হলো মুক্তকণ্ঠে।
নিজের কাজের ওপর বিশ্বাস রাখা জরুরি। আমরা হয়তো ভবিষ্যৎ দেখতে পারি না, কিন্তু আমাদের কাছে “অতীত” আছে। সেই অতীত আমাদের কাজের নানা ধরন, মডেল, তুলনামূলক ধারণা, নীতি ও অনুপ্রেরণার রসদ দেয়।
ঢাকার গুমোট গরমে এক যুবক ও তার স্মৃতির আবর্তে কালবৈশাখীর আগমনে এক রহস্যময়ী মেয়ের সাথে সাক্ষাতের গল্প।
মনজুর আলম বেগের ‘ফটোগ্রাফি ডাইজেস্ট’ বইয়ের প্রচ্ছদে থাকা একটি সাদাকালো ছবির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে স্বাধীনতার পরবর্তী ঢাকার রূপ এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম।
সোহরাব পাশার ‘সন্ধ্যা নামছে’ কবিতায় একাকীত্ব ও অপেক্ষার কাব্যিক বহিঃপ্রকাশ।
নদীর জলে একটি কয়েন পড়ে। তারপর আরেকটি। তারপর আরও একটি। একটি পথশিশু জাহাজের প্রত্যেক মানুষের নামে মঙ্গল কামনা করে একে একে সেগুলো নদীতে নিক্ষেপ করছে। ‘মাস্তুল’ চলচ্চিত্রের এই দৃশ্য যতটা আবেগময়, তার চেয়েও বড় একটি প্রশ্ন রেখে যায়। মানুষ কেন হাজার বছর ধরে নদী, হ্রদ কিংবা ঝরনার জলে মূল্যবান কিছু নিক্ষেপ করে এসেছে?
২০২৬ সাল গোয়েন্দা গল্প ও রহস্য–কাহিনি রচয়িতা রোমেনা আফাজের জন্মশতবর্ষ। তিনি জনপ্রিয় ধারার লেখক ছিলেন, ছিলেন একজন নারী এবং জীবন অতিবাহিত করেছেন মহানগর থেকে দূরবর্তী ‘মফস্সল’ শহর বগুড়ায়।
আমার নাম শফিক। বয়স ৩৩। এই দুটি তথ্য আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। এর বাইরে আমার জীবনের কোনো তথ্যই নিশ্চিত না। বারবার বদলাতে থাকে। কারণটা ভেঙে বলি। আমার জীবন একটি না, দুটি।