‘ইসলামি শরিয়া’ কোনো ভীতিকর বিষয় নয়
ভাষাতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে ‘শরিয়া’ শব্দের আভিধানিক অর্থ, মরুভূমিতে প্রবাহিত স্বচ্ছ পানির উৎস বা ঝরনাধারা, যেখান থেকে তৃষ্ণার্ত মানুষ ও প্রাণী জীবন ধারণের উপকরণ সংগ্রহ করে।
ভাষাতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে ‘শরিয়া’ শব্দের আভিধানিক অর্থ, মরুভূমিতে প্রবাহিত স্বচ্ছ পানির উৎস বা ঝরনাধারা, যেখান থেকে তৃষ্ণার্ত মানুষ ও প্রাণী জীবন ধারণের উপকরণ সংগ্রহ করে।
ইসলামের অন্যতম মৌলিক উদ্দেশ্য হলো মানুষের ধনসম্পদের সুরক্ষা (হিফজুল মাল)। কোনো অবস্থাতেই অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সম্পত্তি হস্তান্তরের নতুন বিধান শরিয়াহর আলোকে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন মামুনুল হক।
প্রশ্ন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে—ইসলামি ব্যাংকিং কি তার মূল দার্শনিক চেতনা বাস্তবায়ন করতে পেরেছে, নাকি ক্ষেত্রবিশেষে এটি প্রচলিত ব্যাংকিংয়েরই একটি ‘শরিয়া সংস্করণ’ হয়ে উঠেছে?
ইসলামি আইনের উদ্দেশ্য প্রতিশোধ গ্রহণ নয়; বরং সমাজকে সুরক্ষিত রাখা এবং অপরাধীকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। যেখানে আল্লাহর হক জড়িত, সেখানে ইনসাফের জন্য কঠোরতা করা হয়েছে।
ইসলামের একটি মৌলিক বিধান হলো, হারাম বলে নির্ধারণ হয়নি—এমন সব বিষয়ই বৈধ বা হালাল। তবে সন্দেহজনক বস্তু থেকে বিরত থাকা উত্তম।
আফগানিস্তানে নতুন একটি আইন করছে তালেবান, যাতে কার্যত প্রথমবারের মতো বৈধতা পাচ্ছে বাল্যবিবাহ। অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই ‘লজ্জাজনক’ নতুন আইনের ফলে স্বামীর অমতে কোনো কিশোরী বা তরুণীর পক্ষে বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক চাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
আধুনিক ব্যবস্থাপনার ‘আগে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা’ নিয়ম ইসলামের অগ্রাধিকারের ফিকহে হাজার বছর ধরে রয়েছে। হাদিসের আলোকে এর উদাহরণ এবং আলেমদের বিশ্লেষণ দেখানো হয়েছে। এই জ্ঞান আধুনিক ফ্রেমওয়ার্কে উপস্থাপন করলে বিশ্বব্যাপী পরিবর্তন আনতে পারে।
ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ডাবল স্ট্যান্ড নিয়ে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের পক্ষে তারা নয়। কুড়িগ্রাম সফরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে জেলার উন্নয়ন ও সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। সবাইকে নিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।
আফগানিস্তানের অধিকাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসলিম।
বর্তমান সময়ে বাজারে, বিশেষ করে অটোমোবাইল বা গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকানে অনেক সময় অত্যন্ত সুলভ মূল্যে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়, যেগুলোর উৎস নিয়ে জনমনে সংশয় থাকে।
জাকাত, সাদাকা, ওয়াক্ফ এবং কর্জে হাসানার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ‘গিভিং গ্রেস ফাউন্ডেশন’।