এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন কিয়ার স্টারমার
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার প্রায় ছয় সপ্তাহ পর লন্ডনের হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের এমপি পদ থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন স্যার কিয়ার স্টারমার।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার প্রায় ছয় সপ্তাহ পর লন্ডনের হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের এমপি পদ থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন স্যার কিয়ার স্টারমার।
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম। সোমবার (২০ জুলাই) বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি এই দায়িত্ব নেন। বাকিংহাম প্যালেস থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম। সোমবার (২০ জুলাই) বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যভার গ্রহণ করবেন। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। এর মাধ্যমে ২০১৬ স
দলের ৪০৩ এমপির মধ্যে ৩২২ জনের সমর্থন নিয়ে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আরও এগোচ্ছেন; বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দরকার আরও একজন এমপির সমর্থন—তারপর আগামী সপ্তাহে লিডার ঘোষণা, ২০ জুলাই দায়িত্ব নেওয়ার কথা।
বার্নহাম মুখে নিজেকে আলাদা দাবি করলেই চলবে না, তাঁকে কাজেও তা প্রমাণ করতে হবে। আর তাঁর প্রথম প্রমাণ হবে—তিনি নিজের পাশে কাদের জায়গা দিচ্ছেন।
কিয়ার স্টারমার লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন, যার অর্থ যথাসময়ে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদও ছাড়ছেন। মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে অ্যান্ডি বার্নহামের বিশাল জয়ের পর, শেষ পর্যন্ত শত চেষ্টা আর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রবল চাপ আর সামলাতে পারলেন না স্টারমার।
স্যার কিয়ার স্টারমার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ ও লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
স্টারমার শিগগিরই পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
কিয়ার স্টারমারেরও বিদায়ঘণ্টা বাজছে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের এই ঘন ঘন নেতা পরিবর্তনের দৃশ্য দেশের অনেককে ভাবিয়ে তুলেছে। প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাজ্য কি তবে শাসন-অযোগ্য হয়ে পড়ছে?
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয় এবং রিফর্ম ইউকের উত্থান রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নাইজেল ফারাজের দলের অগ্রগতি এবং গ্রিন পার্টির শক্তি দ্বিদলীয় ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে। বিশ্লেষকরা এতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর চাপ দেখছেন।
পূর্ব লন্ডনের নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই মেয়র প্রার্থী।