বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেড় লাখ টন অপরিশোধিত লবণ আমদানির অনুমতি দেওয়ায়
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেড় লাখ টন অপরিশোধিত লবণ আমদানির অনুমতি দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন লবণচাষিরা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেড় লাখ টন অপরিশোধিত লবণ আমদানির অনুমতি দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন লবণচাষিরা।
শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোনাট্রেমিয়া হতে পারে। জেনে নিন এর লক্ষণ, কারণ এবং সঠিক লবণ গ্রহণের পরিমাণ সম্পর্কে।
রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করতে সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির শর্ত তুলে নিয়েছে সরকার। শিল্পের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রেও শর্ত শিথিল করা হয়েছে।
সকালের অভ্যাসে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। জানুন হাঁটা, খাবার, পানি ও মানসিক চাপ কমানোর সহজ উপায়।
আটা, ময়দা, লবণ ও ডালের অনেক মিল বন্ধ হয়ে গেছে। ১০ বছরে দৈনিক লেনদেন ২০০ কোটি থেকে কমে ৫০ কোটিতে নেমেছে।
রান্নার এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ লবণ। তবে রোজ কতটা লবণ গ্রহণ করবেন, তা জানা থাকা খুব জরুরি।
খুলনার কয়রায় মাকসুদা খাতুন লবণাক্ততায় সবজি চাষে ব্যর্থ হলেও গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের প্রকল্পে প্রশিক্ষণ নিয়ে মাটিবিহীন এই প্রযুক্তি আয়ত্ত করেন।
দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলের অনেক নদীতে লবণাক্ততার মাত্রা সহনীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে আগেই।
বিসিকের তথ্য অনুসারে, ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১ হাজার ৭১৩টি চামড়াবাহী ট্রাক চামড়াশিল্প নগরীতে প্রবেশ করেছে।
ঘন ঘন লোডশেডিং, ডিজেলসংকট, বৃষ্টিসহ নানা কারণে চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় লবণ উৎপাদন কমেছে। একই সংকটের কারণে বেড়েছে উৎপাদন খরচ। চাষিদের দাবি, খরচের বাড়লেও লবণের দাম সেভাবে বাড়েনি। ফলে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভারতের অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক, সামাজিকমাধ্যমের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। লবণচাষিদের জন্য ন্যায়্যমূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় কক্সবাজার উপকূলের প্রায় ৬০ হাজার একর লবণের মাঠে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ৪২ হাজার প্রান্তিক চাষি। উৎপাদন বন্ধ থাকায় লোকসান গুনে অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
কক্সবাজারের লবণচাষিরা আজ বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। একদিকে উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম দাম, অন্যদিকে প্রকৃতির বৈরী আচরণ—এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে প্রান্তিক চাষিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
খুলনার কয়রায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট। ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকে লবণাক্ততায় ভূগর্ভস্থ পানি খাওয়া যায় না, মানুষ পুকুরের পানি কিনে বা কাঁধে বয়ে খাচ্ছে। পরিবারের আয়ের ২০-২৫ শতাংশ পানিতেই খরচ হচ্ছে।
এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ টেকনাফ ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় অঞ্চলে খাওয়ার পানির তীব্র সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে।
আজ উৎপাদন খরচের তুলনায় লবণের দাম অনেক কম। চাষিরা প্রতি মণ ৪০ কেজি ধরলেও মহাজনেরা নেন ৬০ কেজি হিসাবে। সরকারের কোনো নির্ধারিত মাপকাঠি নেই, তদারকিও নেই।