ডাকসু সংগ্রহশালায় ছয় সাহিত্যিকের নামে ভুল ছবি
ডাকসু সংগ্রহশালায় ছয় সাহিত্যিকের নামে ভুল ছবি, সমালোচনার পর পরিবর্তন
ডাকসু সংগ্রহশালায় ছয় সাহিত্যিকের নামে ভুল ছবি, সমালোচনার পর পরিবর্তন
ডাকসুর সংগ্রহশালায় আব্দুল মালেকের ছবি; ১৯৬৯ সালের সংঘর্ষে যেভাবে আহত হয়ে মারা গিয়েছিলেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ডাকসু সংগ্রহশালায় বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে জিন্নাহর ছবি যুক্ত করায় বিতর্ক ও ভাঙচুর
ডাকসু সংগ্রহশালা সংস্কারের নামে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ও স্মারকগুলোকে সরিয়ে দিয়ে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নতুন ইতিহাস তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে।
জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘শুধু প্রথাগত দলীয় রাজনীতিতে যাঁরা অন্ধ, তাঁরা এ ধরনের আচরণ করতে পারেন।’
সংস্কারের পর ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর তিনটি ছবি যুক্ত হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক ছবি রাখা হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবাদ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংস্কারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়কে নতুনভাবে উপস্থাপন করতেই ছবিগুলো রাখা হয়েছে।
ডাকসু সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে সেখানে গোলাম আযমকে জুতাপেটার একটি ছবি টানিয়েছে ছাত্র ফেডারেশন।
ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার। জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ডাকসু সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটি এটিকে ভাষা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ঐতিহ্যের অবমাননা বলে আখ্যা দিয়েছে এবং অবিলম্বে ছবিটি অপসারণের দাবি করেছে।
১৯৪০ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ লাহোরে তাঁর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ নিয়ে ভাষণ দেন। শিগগিরই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাওয়া এই নেতা সে সময় দাবি করেছিলেন, ‘হিন্দু ও মুসলমানরা যে কখনো একটি একক জাতীয়তা গড়ে তুলতে পারে—এটি কেবলই একটি স্বপ্ন।’