মাদকাসক্তের সুস্থতায় দরকার সঠিক পরিচর্যা ও ভালোবাসা
যদি সমাজ তাদের গ্রহণ না করে, তবে তারা নিজেদের বিচ্ছিন্ন ভেবে আরও বড় কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
যদি সমাজ তাদের গ্রহণ না করে, তবে তারা নিজেদের বিচ্ছিন্ন ভেবে আরও বড় কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
মাদক ও মাদকাসক্ত উভয়ই ভয়ঙ্কর। বর্তমানে সমাজে মাদকের প্রভাবে প্রচুর পারিবারিক নির্যাতন হতে দেখা যায়। মাদকের নেশা একজন ব্যক্তির বিচার-বুদ্ধি লোপ করে দেয়
মাদকাসক্তির ফলে মানুষের মনোসংযোগ বা কনসেন্ট্রেশন দেওয়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। এটি দীর্ঘমেয়াদে একজন তরুণের মেধা ও সৃজনশীলতাকে ধ্বংস করে দেয়
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সভার আওতায় ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে ১৬২তম পরামর্শ সভার আয়োজন করা
শিক্ষার্থীদের কীভাবে মরণনেশা মাদক থেকে ফেরানো সম্ভব? জবাবে মেখলা সরকার বলেন, তরুণ প্রজন্ম বা স্কুলপড়ুয়াদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই
‘ডিনায়াল বা অস্বীকার করা একটি বড় সমস্যা। বাবা-মাকে খেয়াল করতে হবে সন্তানের স্খলনটা কোথায় হচ্ছে। যদি দেখেন আপনার সন্তান তার স্বাভাবিক জীবনের সাথে
মাদকাসক্ত ব্যক্তি যেমন মাদক না পেলে ছটফট করে, প্রযুক্তি আসক্তদের ক্ষেত্রেও একই রকম ‘উইথড্রয়াল ইফেক্ট’ দেখা দেয়। তারা অতিরিক্ত
আসক্তি মূলত একটি ভাইরাসের মতো। এটি যখন একবার মস্তিষ্কে ঢুকে পড়ে, তখন সেটি আপনার জীবনের অর্থ বদলে দেয়।
সভায় আলোচনার এক পর্যায়ে ‘ডিভাইস রুল’ এর কথা বলেন ডা. সরদার আতিক। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পরিবারে একটি ডিভাইস রুল (Device Rule) থাকা অত্যন্ত জরুরি। এটি অনেকটা
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৫ সালের ২৫ মে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক ছিলেন
আগেকার দিনে নেশার জন্য মানুষকে কোথাও যেতে হতো, যেমন তাসের আড্ডা বা নির্দিষ্ট কোনো স্থান। কিন্তু প্রযুক্তি এখন আমাদের পকেটে থাকে। আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দেখতে ফোন হাতে