নায়ক–চাবুক দুটোই বদলাতে পারে, কিন্তু ওমর সানী বদলায় না
কিন্তু এখন হইছে কি, একটা চাবুক রাখব। সাক্ষাৎকার দিতে এলে এই চাবুক নিয়ে আসব। প্রশ্ন করার আগে সাংবাদিকেরাও একটু ভেবেচিন্তে প্রশ্ন করবে!
কিন্তু এখন হইছে কি, একটা চাবুক রাখব। সাক্ষাৎকার দিতে এলে এই চাবুক নিয়ে আসব। প্রশ্ন করার আগে সাংবাদিকেরাও একটু ভেবেচিন্তে প্রশ্ন করবে!
আমি সেদিনই আমার ফোন ছিনতাইয়ের ব্যাপারটা নিয়ে থানায় জিডি করেছিলাম। আমাকে বলা হল, তারা খুঁজবে। পেলেই আমাকে জানানো হবে। আমি যাতে নিশ্চিন্তে থাকি।
বাংলাদেশে জীবনযাপন করাটাই একটা চ্যালেঞ্জ। যেকোনো মূহুর্তে যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। এই অনিশ্চয়তাই আমাদের জীবনকে আরও বেশি ভালোবাসতে শেখায়।
কীভাবে বুঝবেন, দেশে বিদ্যুতের সংকট নেই
মনে হলো, গ্যাস আসার খবর শুনে তাঁর পেট আর এক মিনিটও অপেক্ষা করতে রাজি নয়। আমি বললাম, ভাই, আমি তো আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি।
এই যে Made in China লেখা আছে। মানুষ হলে কী লিখত জানেন? Made in Facebook. বাস্তব জীবনে কিছু না, কিন্তু প্রোফাইলে বিশ্ব বিজয়ী।
একদিন নিশ্চয় আবার আমাদের বিদ্যুৎ থাকবে। গ্যাসও থাকবে। সেদিন হয়তো আমাদের নাতি-নাতনিরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করবে, ‘দাদু, তোমাদের সময় কি সত্যিই বিদ্যুৎ চলে যেত?’
‘আমার একটা ইচ্ছা আছে, পূরণ করবেন?’—এই কথাটা বললে মনে হয়, অনেক কঠিন কাজও সহজে করিয়ে নেওয়া যেত!
অর্থমন্ত্রীর মতো কারা কারা চাইলেই কাল সকাল থেকে কী কী দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন, তা নিয়ে রস+আলোর ভাবনায় এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার ঈহা।
না! আমি বলব, স্যারের আইকিউ। তিনি সাইকোলজিস্ট ছিলেন, কাকে দিয়ে কী হবে বুঝতেন। আমাকে ফাজিল চরিত্রে নেওয়ার পুরো কৃতিত্ব তাঁর।
আইডিয়া: জুনায়েদ আজিম চৌধুরী, আঁকা: প্রভা পুচ্চি
‘ভাবি, আপনাদের বিয়ের একজন সাক্ষী আমি। স্পষ্ট মনে আছে, আপনি বলেছিলেন, আশিক ভাইকে ভালোবাসা দিয়ে বেঁধে রাখবেন। এই তার নমুনা?’
এসেছে পিংক বাস! কিন্তু এসেই জনজীবনে ছুড়ে দিয়েছে কিছু চ্যালেঞ্জ, বাসগুলো এরই মধ্যে বাড়িয়ে দিয়েছে টেনশন! বলা তো যায় না, কখন এ বাস আবার হারিয়ে যায়।
শম্ভুনাথ cold-bloodedly বাজারে গিয়ে একটা আস্ত জীবন্ত খাসি নিয়ে এলেন। এরপর খাসির দড়ি আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, satisfied?
বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই।
যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, এই বাহিনী সেই বাহিনী নয়, এখানে বাহিনীর আইনকানুন থাকবে। আগে তারা যা করত, এখন আর করবে না।
মনে মনে ভাবলাম, এ তো সরাসরি আমার চলাফেরার স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ! আমার প্রতিবাদী মন তখন স্লোগান দেওয়ার প্রস্তুতি নিল—‘তুমিও জানো, আমিও জানি...’ তারপর থেমে গেল।
রস+আলোর পাঠকদের জন্য বর্তমান সময়ের তুমুল আলোচিত-সমালোচিত এক চরিত্র, যাকে একনামে সবাই চেনেন, সেই মহামান্য বিদ্যুৎ মশাইয়ের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হলো।
মজার বিষয় হলো, বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের শব্দগুলোর একটি ‘গবেষণা’, অথচ সবচেয়ে অপছন্দের কাজগুলোর একটি হলো ‘গবেষণা করা’।
বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং একজন সম্পাদকের ওপর চারপাশের প্রত্যাশার এক রম্য অভিজ্ঞতা।
মিরপুর পাখির হাটের কাছাকাছি আসতেই রিকশার পেছনের বাঁ পাশের চাকায় কট করে আওয়াজ হলো। রিকশা আচমকা থেমে গেছে।
ধ্যানাবস্থা থেকে সজল ভাইয়ের চোখ ‘প্যানাবস্থায়’ রূপ নিল। আমার দিকে লুক দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘জনাব, দুই দিনের দুনিয়ায় হেসেখেলে পার করতে আসিনি।’
ভার্সিটি-পরবর্তী সময়টাতে আমরা বন্ধুরা খুব টেনশন করতাম। কী করব, কোথায় জব হবে, বিসিএস দেব, নাকি অন্য কিছু ট্রাই করব! চিন্তায় রাতে ঘুম হতো না। শুধু আমাদের দুই বন্ধুকে দেখতাম নিশ্চিন্তে ঘুরতে।
দ্য গোট। গ্রেটেস্ট অব অলটাইম। কে? কে আবার। লিওনেল মেসি। ২১ জুন রোববারের রস+আলোর প্রচ্ছদে এসেছেন তিনি। হ্যাপি বার্থডে দ্য গোট। অমনি খবর চলে গেল আর্জেন্টিনায়। হর্ষধ্বনিতে মেতে উঠল সারা পৃথিবীর মেসি-ভক্তরা।