প্রস্রাব ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায় কেন, চিকিৎসা কী
বয়সের কারণে অনেকেরই প্রস্রাব ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। কারও কারও হাঁচি-কাশি দিলে বা পেটে চাপ পড়লে কয়েক ফোঁটা প্রস্রাব বেরিয়ে আসে।
বয়সের কারণে অনেকেরই প্রস্রাব ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। কারও কারও হাঁচি-কাশি দিলে বা পেটে চাপ পড়লে কয়েক ফোঁটা প্রস্রাব বেরিয়ে আসে।
স্মৃতিশক্তি কোনো স্থির বিষয় নয়; বরং নিয়মিত চর্চা ও সঠিক কৌশলের মাধ্যমে একে যেকোনো বয়সেই শাণিত করা সম্ভব
সাহ্রিতে অনেক বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলেও তা ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় শেষ হয়ে যাবে। বরং এভাবে পেট পুরে খেলে অ্যাসিডিটিসহ পেটের অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন কার্যক্রমের পরিবর্তনের কারণে কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। একটু সতর্ক থাকলে তা এড়ানো সম্ভব।
ইফতারে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এমন খাবার খেতে হবে, যেটা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াবে, নিয়ন্ত্রণে রাখবে গ্লুকোজের মাত্রা।
ছুটির দিনে বেলা করে ঘুমানোর কারণে দেহঘড়িতে যে বিপর্যয় ঘটে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটাই ‘সোশ্যাল জেট ল্যাগ’।
যাঁদের হরমোনজনিত (এন্ডোক্রাইন) রোগ আছে, তাঁদের পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখার আগে কিছু বিষয় জানা জরুরি।
৩৭ সপ্তাহের আগে পানি ভেঙে গেলে জরায়ু সংক্রমণ, অকালপ্রসব, প্রিম্যাচিউর শিশুর জন্ম, নবজাতকের শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি ঝুঁকি বেড়ে যায়।
রক্তে সোডিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা ১৩৫ থেকে ১৪৫ মিলিমোল প্রতি লিটারে। এই মাত্রা ১৩৫-এর নিচে নামলে তাঁকে হাইপোন্যাট্রেমিয়া বলা হয়।
নতুন জুতা, নতুন বইয়ের গন্ধ আর বন্ধুদের সঙ্গে হইহুল্লোড়—স্কুল বলতেই আমাদের চোখে এমন ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু অনেক শিশুর কাছে ‘স্কুল’ এক আতঙ্কের নাম।
আপনি কি জানেন, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার এই অভ্যাস আমাদের শরীরে এক অদ্ভুত সমস্যার জন্ম দিতে পারে, যার নাম ডেড বাট সিনড্রোম?
জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হলে বেঁচে থাকা অনেকাংশে নির্ভর করে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসায়।
জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলে সবাই আতঙ্কিত হন। ধারণা করা হয়, নিশ্চয় মস্তিষ্কের কোনো জটিল রোগের লক্ষণ।
‘শিশু একদম খেতে চায় না। তার ক্ষুধা বলতে কিছু নেই’—এগুলো খুবই পরিচিত অভিযোগ। সাধারণভাবে এর দুটি কারণ দেখা যায়।
বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে দ্রুত বাড়তে থাকা ক্যানসারগুলোর একটি প্রোস্টেট ক্যানসার।
প্রি-কনসেপশন পুষ্টি বলতে বোঝায় গর্ভধারণের পূর্বেই এমন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা, যা প্রজনন স্বাস্থ্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। শুধু নারী নয়, পুরুষের পুষ্টিও এখানে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সারা দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি বা অন্যান্য তরল খাবার না খেয়ে যদি আপনি কেবল চা খেতে থাকেন, তাহলে পানিশূন্যতার ঝুঁকিতেও পড়তে পারেন আপনি।
চুল পড়তে পড়তে কারও মাথার কোনো বিশেষ অংশ ফাঁকা হয়ে যায়। এমনই এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে।
যাঁরা নিয়মিত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও নির্দিষ্ট সংরক্ষণকারী উপাদান গ্রহণ করেন, তাঁদের মধ্যে ক্যানসার ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
গাউট বা গেঁটে বাত একটি মেটাবলিক ও প্রদাহজনিত রোগ, যা সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ না করলে চলাফেরা, কাজকর্ম ও জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
নারীদের মধ্যে অনিদ্রার ঝুঁকি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি। এতে তাঁদের ক্লান্তি, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, কর্মক্ষমতা হ্রাস ও দীর্ঘ মেয়াদে নানা রোগের কারণ হতে পারে।
শরীরের জন্য পটাশিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, বিশেষত হার্টের সুস্থতার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
শিশুর দৈনিক কত ক্যালরি খাদ্যের প্রয়োজন, তা শিশুর বয়স, ওজন ও শারীরিক কাঠামোর ওপর নির্ভর করে। নির্ভর করে শিশুর বেড়ে ওঠার প্রকৃতি ও ক্ষুধা থাকা-না থাকার ওপর।
অনেকে বছরের পর বছর চেষ্টা করেও সন্তান লাভ করতে পারেন না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ অবস্থাকে বলে বন্ধ্যত্ব। নানা কারণেই হতে পারে বন্ধ্যত্ব।