সময়ের আগে বয়ঃসন্ধিকে অবহেলা করা যাবে না
সাত বছরের শিশুর নাকের নিচে হঠাৎ গোঁফের রেখা; বয়সের তুলনায় যেন ভারিক্কি হয়ে উঠছে।
সাত বছরের শিশুর নাকের নিচে হঠাৎ গোঁফের রেখা; বয়সের তুলনায় যেন ভারিক্কি হয়ে উঠছে।
পাউডারের মতো কাঁচামাল নিয়ে প্রি–ডিসপেনসিং কক্ষে রাখা হয়। যে ওষুধ তৈরি করা হবে (যেমন প্যারাসিটামল), সেই ওষুধ তৈরিতে কী কী উপকরণ দরকার, সেসব এখান থেকে নেওয়া হয়।
বর্তমানে যতগুলো শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, তার মধ্যে অন্যতম গ্যাস্ট্রিক। এখন ছোট–বড়–বয়স্ক—সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। এর একটি কারণ হচ্ছে খারাপ খাদ্যাভ্যাস।
যেকোনো সংক্রমণ বা জ্বরে সবাই মনে করে, জ্বর কমেছে মানে রোগী সুস্থ হচ্ছে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনক ভুল ধারণা।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে যিনি এই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন, তিনি মনে করেন, তিনি যাঁদের ভালোবাসেন, তাঁর মৃত্যুর পর এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে তাঁরা চরম কষ্টে পড়বে।
হৃদ্রোগ সব সময় জানান দিয়ে আসে না। দেখতে সুস্থ বা শারীরিকভাবে ফিট মানুষও হৃদ্রোগের ঝুঁকি থেকে পুরোপুরি মুক্ত নন।
হার্ট অ্যাটাক বা হৃদ্রোগ হঠাৎ এক দিনে হয় না। ধূমপান, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ধীরে ধীরে রক্তনালির ক্ষতি করে।
ত্বকের একটি পরিচিত সমস্যা হলো ভাইরাল ওয়ার্ট, যা আমাদের দেশে সাধারণভাবে আঁচিল নামে পরিচিত। এটি ছড়ায় হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে।
কানে সংক্রমণ বা কান পাকা রোগ শিশুদের সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা। বিশেষ করে ছয় মাস থেকে দুই বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।
ইলিশের ভিটামিন এ, ডি, জিংক এবং সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
পুষ্টির ঘাটতি ধরা পড়লেই খাবারের বদলে শুধু সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণে সুষম খাবারই গুরুত্বপূর্ণ।
৪০ বছর বয়সের আগে মেনোপজ হলে তাকে ‘প্রিম্যাচিউর মেনোপজ’ বা ‘প্রিম্যাচিউর ওভারিয়ান ইনসাফিসিয়েন্সি’ বলা হয়।
তেল কম দিলেই কিন্তু এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করা খাবারটি স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। কী ধরনের খাবার কতটুকু পরিমাণে ফ্রাই করছেন, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।
সাধারণ অবস্থায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মিনিটে ১২ থেকে ১৮ বার শ্বাস নেন। কিন্তু ধীর, গভীর শ্বাসের ব্যায়ামে এ গতি কমিয়ে মিনিটে ৬ থেকে ১০ বারে নামিয়ে আনা যায়।
উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করলে এটি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্ট–এ লেখাটি লিখেছেন কলাম লেখক ডানা মিলব্যাঙ্ক। লেখাটিতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থাকায় সেটি তাঁর ভাষাতেই প্রকাশিত হলো।
অনেকেই মনে করেন, ভালো তেল ব্যবহার করলেই সব ঠিক। আবার কারও ধারণা, তেল একেবারে বাদ দেওয়াই ভালো।
যে দেশে প্রচণ্ড তাপদাহ, তাপমাত্রা শীতের দুপুরেও ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই, সেখানে কি ওষুধ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে?
মিষ্টি খাবারের সঙ্গে ডায়াবেটিসের সরাসরি সম্পর্ক নেই। অনেকে বলেন মিষ্টি খাই না, তবু কেন ডায়াবেটিস হলো?
সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পানি কম খাওয়া যেমন ক্ষতিকর, তেমনি অতিরিক্ত পানি পান করাও বিপজ্জনক হতে পারে।
অনেক অভিভাবক তাঁদের শিশুসন্তানের পা হঠাৎ শক্ত হয়ে যাওয়া, পেশিতে টান ধরা বা ব্যথায় কেঁদে ওঠার কথা বলে থাকেন।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি, থাইরয়েডের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা, প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কোষকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে সেলেনিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম।
অনেক মা–বাবা দুশ্চিন্তা করেন, বৃষ্টিতে ভিজলে শিশুর ঠান্ডা লেগে যাবে, নিউমোনিয়া হবে। আসলেই কি বৃষ্টিতে ভিজলে শিশুদের অসুখ হতে পারে?
রক্তের সম্পর্ক থাকা স্বজনদের মধ্যে কারও স্তন ক্যানসার থাকলে কি এ ক্যানসারের ঝুঁকির বাড়ে? চিকিৎসাবিজ্ঞানই–বা কী বলে?