চলমান ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হিসাবেও প্রায়
ইরানের তুলনায় সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশটির প্রেসিডেন্ট ভেবেছিলেন, যুদ্ধে দ্রুতই তিনি তেহরানকে কাবু করতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে এই যুদ্ধ প্রায় আট বছর ধরে চলে।
ইরানের তুলনায় সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশটির প্রেসিডেন্ট ভেবেছিলেন, যুদ্ধে দ্রুতই তিনি তেহরানকে কাবু করতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে এই যুদ্ধ প্রায় আট বছর ধরে চলে।
বিশ্ব রাজনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং পররাষ্ট্রনীতি স্পষ্ট করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ডক্টরাল ফেলো আসিফ বিন আলী।
আড়াই শ বছর আগে, রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় আমেরিকা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এ দেশের প্রত্যেক মানুষ সম-অধিকারসম্পন্ন হবে। সে প্রতিশ্রুতি রক্ষিত হয়নি। কিন্তু তা পূরণের জন্য লড়াই থেকেও আমেরিকার মানুষ পিছিয়ে থাকেনি। জর্জ ওয়াশিংটন থেকে আব্রাহাম লিঙ্কন, সেখান থেকে আজকের মামদানি, সেই লড়াইয়েরই অব্যাহত ধারা।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও ইরানের মধ্যে যে এলোমেলো, অসংলগ্ন কূটনীতি চলছে, তা দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে যে বিশ্বরাজনীতি যেন সম্পূর্ণ দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে।
ইউরোপের সামনে এখন অস্তিত্বের প্রশ্ন। প্রায় ৫০ কোটি মানুষ এমন এক বিশ্বরাজনীতির মধ্যে বাস করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা ক্রমেই প্রভাব বিস্তার করছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ বছরের শুরুতে বলেছিলেন, বিশ্ব এখন ‘একটি রূপান্তরের মধ্যে নয়, বরং একধরনের ভাঙনের মধ্যে রয়েছে।
সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে কিউবা। এই সংকট মোকাবিলায় দেশটি এখন প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকে ঝুঁকছে।
৫০ বছর আগে বিশ্ব ছিল দুই শিবিরে বিভক্ত—যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী ব্লক এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক ব্লক। ঠান্ডা যুদ্ধ, স্নায়ুযুদ্ধ, পারমাণবিক প্রতিযোগিতা—এসব ছিল স্বাভাবিক শব্দ। এই দুই শক্তির মাঝখানে ছিল দরিদ্র দেশগুলো, যাদের বলা হতো তৃতীয় বিশ্ব। তারা শক্তিহীন হলেও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ছিল; কারণ, তারা কোনো পক্ষের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।
ইরাক থেকে লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা থেকে ইউক্রেন এবং এখন ইরানের উদাহরণ থেকে একটি সত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে একবিংশ শতাব্দীতে সার্বভৌমত্ব আর নিঃশর্ত নয়। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সার্বভৌমত্বের সীমা এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে লিখেছেন গোলাম রসুল
এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন।
ভারত আর চীনের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আর স্বার্থরক্ষার নামে আরও বেশি আগ্রাসী হবে না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন আসিফ বিন আলী
সোভিয়েত ইউনিয়নও কেবল সামরিক দুর্বলতার জন্য ভেঙে পড়েনি; ভীতিপ্রদর্শন দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষয়কে ঢাকতে পারেনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আগে যাঁরা ব্যবসা করতে গেছেন, তাঁদের মতো জাতিসংঘও এখন এক পরিচিত কৌশলের শিকার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার স্বৈরশাসক নিকোলা মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বেশ উৎসবমুখর আলোচনা চলছে।
তুষারময় শীতকে পেছনে ফেলে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস দুই দিনের সফরে ভারতে গেছেন।
ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান এখন ইতিহাসের বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশজুড়ে বিক্ষোভ এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং স্থায়ী অবস্থায় রূপ নিচ্ছে। নতুন করে অস্থিরতার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সহিংসতাও বেড়েছে। প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আবারও একটি পরিচিত প্রশ্ন সামনে এসেছে। ইরান কি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের মতো আরেকটি মোড়ের দিকে এগোচ্ছে।
এসব বিশৃঙ্খলা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বিপুল অনিশ্চয়তা ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই বৈশ্বিক অস্থিরতার পেছনে একমাত্র না হলেও প্রধান চালিকা শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান শুধু একটি রাষ্ট্র নয়, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর ইরানের প্রভাব রয়েছে। কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হলে এসব নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ঢুকে পড়বে।
গ্রিনল্যান্ডে এখনো পুরোপুরি কাজে না লাগানো তেল ও গ্যাসের বিশাল ভান্ডার রয়েছে। বরফ গলে গেলে বিরল খনিজ সম্পদের উত্তোলন আরও সহজ হবে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও অস্ত্রশিল্পের জন্য অপরিহার্য। যদি ট্রাম্পের আগ্রহ বিরল খনিজে হয়, তাহলে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—উভয় পক্ষই অংশীদারিমূলক চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্প যে ভাগাভাগির পথে হাঁটছেন—তার কোনো লক্ষণ নেই।
ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, তা কোনো আদর্শিক লড়াই বা দুই রাষ্ট্রের সংঘাত নয়; এটি একধরনের বৈশ্বিক ‘রিসিভারশিপ’
যুক্তরাষ্ট্রের বোমায় যখন ভেনেজুয়েলার আকাশ জ্বলে উঠছিল, তখন আমরা এক ক্ষয়িষ্ণু সাম্রাজ্যের রোগলক্ষণ দেখতে পাচ্ছিলাম।