ঢাকায় এক দিন ব্যক্তিগত গাড়ি না থাকলে কেমন হতো
ঢাকায় যাত্রীবাহী বাস ৫৩ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করে। কিন্তু রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ পায় মাত্র ১৫ শতাংশ।
ঢাকায় যাত্রীবাহী বাস ৫৩ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করে। কিন্তু রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ পায় মাত্র ১৫ শতাংশ।
সারের বস্তায় হাত দেওয়ার আগে কৃষকেরা নানাভাবে তাঁদের কষ্টের কথা জানিয়েছিলেন।
৯ বছর পর, গত জুনে গিয়ে দেখি প্রাচীন গ্রামটিকে নির্দয়ভাবে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া রাখাইন পরিবারগুলোর স্থায়ী বন্দোবস্ত হয়নি।
একাদশে ভর্তি এবারও এসএসসি ও সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে হবে, পরীক্ষা হচ্ছে না। নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়নের জটিলতার আশঙ্কা থাকায় ভর্তি পরীক্ষা নয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক থেকে তিনি আজ আমাদের সবার শিক্ষক, জাতির শিক্ষক। জাতীয় অধ্যাপক তিনি নন, তবু তিনি জাতির কিংবদন্তি শিক্ষক।
শুধু মহাসড়কেই নয়, ফেনী থেকে ছাগলনাইয়া হয়ে মধুগ্রাম পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশেও অসংখ্য ইটভাটা দেখা গেল।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে অ্যালেন গিন্সবার্গ লিখেছিলেন তাঁর কিংবদন্তি কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’। এ জন্য বাংলাদেশের হৃদয়ে তাঁর জন্য একটি বিশেষ আবেগ রয়েছে।
সব মিলিয়ে তোফায়েল আহমেদের জীবন ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উত্থান-পতন, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার এক প্রতিচ্ছবি।
বংশী নদী—যে নদী একসময় খরস্রোতা ছিল, আজ প্রায় মৃত। বর্ষা ছাড়া সেখানে স্রোত নেই, অনেক জায়গায় হেঁটেই পার হওয়া যায়।
আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।
আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।
বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।
ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।
চৈত্রসংক্রান্তির সন্ধ্যায় বন্ধুর ফোনে পয়লা বৈশাখের দাওয়াত এল, কিন্তু তেলের সংকটে যাওয়া সম্ভব হল না। বন্ধু যুদ্ধপ্রিয় দেশের পরিবর্তে দেশীয় স্বার্থান্বেষীদের ‘অসাধু’ বলে সমালোচনা করলেন, ‘এসব অসাধু মানুষের কারসাজি। এরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।’ চৈত্র-বৈশাখের স্মৃতি আর বর্তমান উৎসব নিয়ে হাসিঠাট্টা চলল।
একাত্তরে আমরা দেখেছি জনযুদ্ধ; বাংলাদেশের মানুষের এক মহান অভ্যুদয়; কতিপয় আলবদর–রাজাকার বাদে বাকি সব মানুষের সম্মিলিত অসামান্য প্রতিরোধ ও সৃষ্টির পর্ব—যা এখনো আমাদের সামনের মুক্তির লড়াইকে সাহস জোগায়।
বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেন অজস্র বিদেশি লেখক-শিল্পী। লেখাটি তাঁদের নিয়েই।
সজীব সন্জীদা খাতুনের নিত্যকার বসবাস ছিল সুস্পষ্ট সাদা আর কালোর সংমিশ্রণে। সর্বদা আলোচনায়, নন্দিত বা নিন্দিত। বিদায়ক্ষণেও যার অন্যথা হয়নি।
স্বাধীনতাসংগ্রামের ৯ মাসে অস্থায়ী সরকার থেকে শুরু করে ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ পর্যন্ত বিস্তৃত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী চক্রান্তের নানা দিক নিয়ে বিশ্লেষণ।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কবে এসেছিল আপনাদের গ্রামে? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ তারিখ বলতে পারে না।
স্টিভ জবস নিয়ে লিখতে হবে। সেই স্টিভ জবস, যিনি ব্যক্তিগত কম্পিউটার ব্যবহারের ধারণাই পাল্টে দিয়েছিলেন। মুঠোফোনের জগতে এনেছিলেন বিপ্লব।
মুহূর্তেই তাঁর ব্যক্তিত্ব আর বাগ্মিতায় অভিভূত হয়ে পড়লাম। তিনিই ছিলেন সিরাজ সিকদার। সেই ছিল তাঁকে প্রথমবার দেখা।
সুভাষ বসু হিটলারের কাছ থেকে যা চেয়েছিলেন, তা ছিল সম্পূর্ণ সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা।
গ্রামের মেঠো রাস্তার পাশে সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে তোলা পানি একটি ট্যাংকে সংরক্ষণ করা আছে।