মহাবিশ্ব বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়ে দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, কারণ কী
মহাবিশ্ব কেন দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।
মহাবিশ্ব কেন দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।
প্রায় ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা অত্যন্ত শক্তিশালী মেগা-লেজার সংকেত শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
নাসার বিজ্ঞানীরা ১২০ আলোকবর্ষ দূরে অদ্ভুত এক সৌরজগত আবিষ্কার করেছেন, যেখানে পৃথিবীর মতো দুটি গ্রহ রয়েছে এবং গ্রহবিন্যাস আমাদের সৌরজগতের উল্টো। এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
বিজ্ঞানীরা প্রথমবার পর্যবেক্ষণ করেছেন আলোর ভিতরের অন্ধকার ভর্টেক্স আলোর গতির চেয়ে দ্রুত চলে। এটি আইনস্টাইনের তত্ত্ব লঙ্ঘন করে না, কারণ ভর্টেক্সে ভর বা তথ্য নেই। গবেষণাটি ন্যানো স্কেল গতির মানচিত্রণে সাহায্য করবে।
পর্যায় সারণির ১০৭ নম্বর বোরিয়াম মৌলটির নামকরণ নিয়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানির বিজ্ঞানীদের মধ্যে তীব্র তর্ক হয়। ১৯৭৫ সালে ডুবনায় গবেষণা শুরু হলেও ইউপ্যাক ১৯৯৭ সালে নীলস বোরের নামে নামকরণের রায় দেয়। এটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল যার কোনো ব্যবহারিক প্রয়োগ এখনো নেই।
নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের খনিজ থেকে অ্যারোসল কণা তৈরি করে ১৫ বছরে গ্রহটির তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি বাড়ানো যাবে। এটি তরল পানি ও মানব বসতির প্রথম ধাপ। কৃত্রিম চৌম্বকীয় ঢাল বায়ুমণ্ডল রক্ষা করবে।
ধূমকেতু সি/২০২৬ এ১ (ম্যাপস) সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক লাখ মাইল দূরে গিয়ে অক্ষত ফিরে এসেছে। এটি এখন পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে দিগন্তের কাছে এর উপস্থিতি লক্ষ করা সম্ভব।
একমাত্র মানুষেরই স্পষ্ট চিবুক রয়েছে, যা বিবর্তনের একটি উপজাত বা 'স্প্যান্ড্রেল'। নৃবিজ্ঞানী নোরিন ভন ক্রামন-টাউবাডেলের গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি খুলি বড় এবং মুখ ছোট করার ফলে অবধারিতভাবে তৈরি হয়েছে। পুরনো তত্ত্বগুলো খণ্ডন করে নতুন ব্যাখ্যা এসেছে।
জাপানের হায়াবুসা-২ মিশনের রিউগু গ্রহাণুর ধুলোয় ডিএনএ-আরএনএ গঠনকারী পাঁচটি নাইট্রোজেন বেস আবিষ্কৃত হয়েছে। এই আবিষ্কার পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি মহাকাশ থেকে হতে পারে এমন সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করে। নেচার অ্যাস্ট্রোনমিতে প্রকাশিত গবেষণায় এসব উপাদানের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে।
নাসা এবং ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারের গবেষণায় আমেরিসিয়াম-২৪১ ভিত্তিক নিউক্লিয়ার ব্যাটারি তৈরি হচ্ছে, যা ৪৩৩ বছর শক্তি সরবরাহ করবে। এটি প্লুটোনিয়াম-২৩৮-এর বিকল্প হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানকে সম্ভব করবে। লস আলামোস ল্যাবে গবেষণা চলছে।
মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এলআইজিওর তথ্য বিশ্লেষণ করে আদিম ব্ল্যাকহোলের প্রথম প্রত্যক্ষ প্রমাণ পেয়েছেন। এটি বিগ ব্যাং-এর পর সৃষ্ট এবং ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উন্মোচনে সাহায্য করতে পারে। তবে চূড়ান্ত নিশ্চয়তার জন্য আরও সংকেত দরকার।
জাপানের এনিওস করপোরেশন বাতাস থেকে কার্বন ডাই–অক্সাইড সংগ্রহ করে কৃত্রিম জ্বালানি তৈরি করছে। এটি বিমান, জাহাজ ও ভারী শিল্পের জন্য আদর্শ। ইয়োকোহামা প্ল্যান্টে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে।
মধ্যযুগের মুসলিম বিজ্ঞানী আল-বাত্তানি ত্রিকোণমিতি ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে অসাধারণ অবদান রেখেছিলেন। তাঁর সূর্যবছরের হিসাব আধুনিক মাপকাঠির কাছাকাছি এবং কোপারনিকাসসহ অনেক বিজ্ঞানী তাঁকে সম্মান করেছেন। চাঁদের একটি এলাকা এবং স্টার ট্রেকের মহাকাশযান তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে।
হাঙ্গেরির বিজ্ঞানী তামাস বোরকোভিটস মহাকাশে সবচেয়ে ঘন চার নক্ষত্রযুক্ত নক্ষত্রমণ্ডলী আবিষ্কার করেছেন। তিনটি নক্ষত্র বুধের কক্ষপথের চেয়ে কম জায়গায় অবস্থিত। এটি নক্ষত্রের জন্ম, টিকে থাকা ও মিলনের বিরল উদাহরণ.
সার্নের বিজ্ঞানীরা প্রথমবার অ্যান্টিম্যাটারকে সড়কপথে পরিবহন করেছেন। ১০ কিলোমিটারের এই যাত্রায় ৯২টি অ্যান্টিপ্রোটন অক্ষত রয়েছে। এটি ইউরোপের গবেষণাগারগুলোতে অ্যান্টিম্যাটার সরবরাহের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
চেরনোবিল মানুষের জন্য বর্জনীয় এলাকা বা এক্সক্লুশন জোন হলেও সেখানে জীবের ভিন্নমাত্রিক বিকাশ দেখা গেছে।
বিজ্ঞানীদের নতুন তথ্য অনুযায়ী, আমাদের পায়ের নিচে পৃথিবীর ম্যান্টল স্তরে বিপুল পরিমাণ পানি জমা রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা গাছটির গোড়ার মাটি পরীক্ষা করে তিন শতাধিক প্রজাতির ছত্রাক শনাক্ত করেছেন।
বাংলাদেশের ডা. সেঁজুতি সাহা পাচ্ছেন ‘২০২৬ রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড’।
মহাকাশ থেকে আসা প্রচণ্ড শক্তিশালী সংকেত সম্প্রতি রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানের ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন নতুন আবিষ্কার কেবল গবেষণাগারের সাফল্যের গল্প হয়ে থাকে না, হয়ে যায় জাতীয় মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের কারণ।
ইতালির দক্ষিণ উপকূলীয় নেপলস উপসাগরের গভীর তলদেশে এক বিস্ময়কর জগতের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
নিরাপদ এনক্রিপশন পদ্ধতি আবিষ্কারের স্বীকৃতিস্বরূপ যৌথভাবে এ বছরের মর্যাদাপূর্ণ টুরিং পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন পদার্থবিদ চার্লস এইচ বেনেট ও কানাডার কম্পিউটারবিজ্ঞানী গিলেস ব্রাসার্ড।
জাহাজের প্রচণ্ড শব্দে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ভাষা বদলে ফেলছে ডলফিন।