মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস কী
মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস জানতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস জানতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীদের মতে, ম্যান্টলের নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল এই কাঠামোগুলো দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে আসছে।
কানাডার নুভুয়াগিত্তুক সুপ্রাক্রাস্টাল বেল্টে ৩৭৭ কোটি বছরের প্রাচীন পাথরে জীবাশ্মের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা পৃথিবীতে প্রাণের উৎস নিয়ে বিজ্ঞানের ধারণা বদলে দিচ্ছে। এটি প্রমাণ করছে যে আদি পৃথিবীতে পানি জমার সঙ্গে সঙ্গেই জীবন গড়ে উঠেছিল। এই আবিষ্কার মঙ্গলে প্রাণের সম্ভাবনা খোঁজায়ও গুরুত্বপূর্ণ।
সৌদি আরবের কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা ‘নেসকোড’ নামে বিদ্যুৎহীন কুলিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেছেন। এটি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও সৌরশক্তি ব্যবহার করে ৫-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বজায় রাখে। মরুভূমি ও দুর্গম এলাকার জন্য আদর্শ এই সিস্টেম পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও সস্তা।
বিজ্ঞানীরা ডিএনএ-অনুপ্রাণিত অণু ব্যবহার করে জ্বালানিবিহীন শক্তি সঞ্চয়ের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এটি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির চেয়ে অনেক বেশি শক্তি ঘনত্ব সহজে ধরে রাখতে পারে। গবেষণাগারে সফল হলেও ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে এমন ২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। এগুলো পৃথিবী থেকে ৬৫০ থেকে ১৮ হাজার আলোকবর্ষ দূরে। নাসার স্যাটেলাইটের তথ্য থেকে এই আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে।
পর্যায় সারণির ১০৯ নম্বর কৃত্রিম মৌল মাইটনেরিয়াম ১৯৮২ সালে ডারমস্টাডে আবিষ্কৃত হয়। লিজ মাইটনারের সম্মানে নামকরণকৃত এই অতিভারী মৌল নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানের সীমানা বোঝাতে গুরুত্বপূর্ণ। এর আইসোটোপগুলো অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী।
কোয়ান্টাম কণা রুবিডিয়াম পরমাণুর মেঘ ভেদ করার সময় গাণিতিকভাবে ঋণাত্মক সময় অতিবাহিত করেছে বলে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে। ফিজিক্যাল রিভিউ লেটারসে প্রকাশিত এই ফলাফল ঋণাত্মক অবস্থানকালকে কোনো বিভ্রম নয় বলে প্রমাণ করে। গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ফোটনের পরীক্ষায় এই অদ্ভুত ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।
নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের ২০০২ এক্সভি৯৩ গ্রহাণুতে অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। নক্ষত্রিক গ্রহণের মাধ্যমে এই আবিষ্কার করা হয়েছে, যা সৌরজগতের প্রান্তীয় জগত সম্পর্কে নতুন জ্ঞান যোগ করছে। বিজ্ঞানীরা এর পুনরুদ্ধারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধূমকেতু সংঘর্ষ বা আগ্নেয়গিরি উল্লেখ করেছেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে যখন বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ সাধারণ ঘটনায় পরিণত হচ্ছে, তখন মরুভূমির জাহাজখ্যাত উট কীভাবে প্রচণ্ড উত্তাপেও বেঁচে থাকে, তা অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয়।
পরিবেশে ক্ষতিকর রোগজীবাণু বা ভাইরাস শনাক্ত করতে পারা যেকোনো প্রাণীর টিকে থাকার জন্য একটি বিশাল আশীর্বাদ।
যুক্তরাজ্যের সমারসেটের মাটির নিচে সন্ধান পাওয়া কুকুরের চোয়ালের একটি হাড়ের টুকরা মানুষ ও কুকুরের বন্ধুত্বের চিরচেনা ইতিহাস বদলে দিয়েছে।
বিশাল তথ্যভান্ডারে নতুন মহাকর্ষীয় লেন্স খুঁজে বের করতে সাধারণ মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিজ্ঞানীদের।
বিজ্ঞানীদের সব আবিষ্কারই যে আমাদের জীবনমান উন্নত করেছে, তা নয়। কিছু আবিষ্কার বেশ ত্রুটিপূর্ণ।
বিশাল মহাবিশ্বে কি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে? এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই উঁকি দেয়।
মহাবিশ্বের অসীম শূন্যতা থেকে আমাদের সৌরজগতে ভেসে আসা রহস্যময় আন্তনাক্ষত্রিক ধূমকেতু ৩আই/অ্যাটলাসের উৎপত্তি সম্পর্কে নতুন তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ ভাগেও তাপমাত্রা মাপার কোনো স্বীকৃত মানদণ্ড ছিল না। একেকজন বিজ্ঞানী একেক পদ্ধতি ব্যবহার করতেন।
চাঁদে বর্ণহীন, স্বচ্ছ ও ভঙ্গুর প্রকৃতির নতুন খনিজ আবিষ্কার করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
পোল্যান্ডের স্তাজনিয়া গুহায় আবিষ্কৃত ৮০ হাজার বছরের পুরোনো আদি মানুষ নিয়ানডারথালের একটি দাঁতের ডিএনএ বিশ্লেষণ করে নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
জার্মানির বিজ্ঞানী পিটার আর্মব্রাস্টার এবং গটফ্রিড মুনজেনবার্গের নেতৃত্বে জিএসআইয়ের একদল বিজ্ঞানী প্রথমবারের মতো আবিষ্কার করেন ১০৮ নম্বর মৌল হ্যাসিয়াম।
বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্ব আসলে সাতটি মাত্রার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অত্যাধুনিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ১০ থেকে ১২ জনের মৃত্যু বা নিখোঁজ-জট এখনো খোলেনি
রহস্যময় ডার্ক ম্যাটারের সঠিক তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা।
সূর্যের প্রচণ্ড উত্তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।