পানিহাটিতে ‘অভয়া’র মাকে ঘিরে বিজেপির ভোট–রাজনীতি
ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার কলকাতার আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথ বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়ছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়।
ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার কলকাতার আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথ বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়ছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় অবিশ্বাস্য হারে ভোট পড়েছে। দুই প্রধান দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি এই ভোট পড়াকে তাদের জয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে দাবি করছে।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে উচ্চশিক্ষার কাজে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ আবিষ্কার করলাম যে আমাদের পরিবারের চারজনের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হয়ে গেছে। বাবা, আমার দুই ভাই–বোন ও আমার নাম সেই তালিকা থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোট হচ্ছে।
হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ বানানোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ বানানোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মাছ হয়ে উঠেছে বিজেপি ও তৃণমূলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার।
জঙ্গলমহল হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গের চার জেলায় জনসভায় অংশ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এক যুগ ধরে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যও কবজায় আনতে প্রাণান্ত চেষ্টা চালাচ্ছে। সেই চেষ্টায় এবার তাদের প্রচারকৌশলও পাল্টেছে। তবে বেশির ভাগ প্রাক্নির্বাচনী জনমত জরিপে তৃণমূল কংগ্রেসকেই এগিয়ে রাখছে।
বিজেপির পৃথক তিনটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা।
ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলের দল টিপরা মোথা বিজেপিকে পরাস্ত করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।
হঠাৎই কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে ২০২৯ সালের নির্বাচনেই সেই সংরক্ষণ চালু করতে উদ্যোগী হয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মমতা, ফডনবিশ ও হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে চলতি মাসে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে অসংখ্য মানুষের নাম বাদ পড়েছে, যাঁদের মধ্যে মুসলিমই বেশি বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিজেপি ক্ষমতায় এলে দার্জিলিং সংকটের সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।
সংবাদপত্রটির মূল সংস্থা ‘প্রতিদিন মিডিয়া নেটওয়ার্ক’ জানায়, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা পত্রিকাটি সম্পর্কে সমালোচনামূলক মন্তব্যের পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সব শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অমিত শাহ অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং তৃণমূলের সমালোচনা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে ২৯৪ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে বিজেপির বিরুদ্ধে কটাক্ষ ছুঁড়েন। দুই নেতাই নির্বাচনী সভায় তীব্র বক্তব্য রাখেন।
হুমায়ুন কবি স্বীকার করেছেন, বিজেপির কাছে এক হাজার কোটি টাকা চাওয়ার ভিডিও সত্য। এতে বিজেপি বিপাকে পড়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ জোরদার করেছেন। মোদি–শাহর দল দিশেহারা।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে শিলিগুড়িতে নরেন্দ্র মোদি ‘পদ্ম ফোটান, অনুপ্রবেশকারী হটান’ স্লোগান দিয়ে তৃণমূলের সমালোচনা করেন। আসানসোলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। যোগী আদিত্যনাথ ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সভায় অংশ নেন।
এসআইআরের পর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রণকৌশলে অমিত শাহ ১৫ দিন কাটাবেন। নিরামিষাশী মোদি বাঙালির মন জয় করতে মাছের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তৃণমূল সুস্বাদু বাঙালি খাবারের তালিকা দিয়ে খোঁচা দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইশতেহার ঘোষণা করেছেন অমিত শাহ, 'সোনার বাংলা' গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। তিনি অনুপ্রবেশকারী বিতাড়ন, দুর্নীতি দমন ও উন্নয়ন প্রকল্পের কথা বলেন। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে 'দুমুখো সাপ' বলে সমালোচনা করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে ৯১ লাখের নাম বাদ, তৃতীয় দফায় ৬৫ শতাংশ মুসলিম। মুর্শিদাবাদে সবচেয়ে বেশি ছাঁটাই, রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র। তৃণমূল অভিযোগ করেছে বিজেপির নির্দেশে কমিশন কোপ মেরেছে।
ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের অভিশংসন নোটিশ লোকসভা ও রাজ্যসভার অধ্যক্ষরা খারিজ করায় কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, সাংবিধানিক ও আইনগত পথে লড়াই চালিয়ে যাবেন। এটি ভারতে প্রথমবারের মতো মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব জমা পড়েছে।