আসামে বিজেপিই থাকল, পালাবদল কেরালায়
আসামে বিজেপিই থাকল, তবে আরও শক্তিশালী হয়ে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে মসনদ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবার সফল হলো ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট।
আসামে বিজেপিই থাকল, তবে আরও শক্তিশালী হয়ে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে মসনদ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবার সফল হলো ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট।
বাংলাদেশের পাশে ভারতের রাজ্য ত্রিপুরা ও আসামে বিজেপি ক্ষমতায়, মেঘালয়েও তাদের জোট। এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শাসন।
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন হলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির ছেলে। করুণানিধি ছিলেন তামিল সিনেমাজগতের নামকরা স্ক্রিপ্টরাইটার। তিনি পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জয়ললিতা ছিলেন ২৫ বছর। রামচন্দ্র ছিলেন ১০ বছর। এ রকম হিসাব থেকেই স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতি কীভাবে সেখানকার সিনেমা তারকাদের দখলে। থালাপতি পুরোনো সেই ঐতিহ্যে কেবল নিজেকে যুক্ত করতে চাইছেন। সেই সুযোগে বিজেপি চাইছে তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের ধরাশায়ী।
বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বিজেপি না তৃণমূল—পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসছে কোন দল? এখন পর্যন্ত প্রাথমিক গণনায় বিজেপি এগিয়ে আছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ভবানীপুর আসনে এখন পর্যন্ত এগিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার এগিয়ে থাকার এই ফল বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না বলে নিশ্চিত বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু।
মমতা এখনো জয় নিয়ে আশাবাদের কথা জানান। মন খারাপ না করে কর্মীদের লড়াই করতে আহ্বান জানান। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এটিকে বাংলার মানুষের গণতন্ত্রের জয় বলে অভিহিত করেন।
আজ সোমবার সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩টির (একটি আসনে আবার ভোট হবে) ভোট গণনা শুরুর সময় থেকেই বিজেপির অগ্রগতি শুরু।
বিজেপির জয় হোক বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের—উভয় সম্ভাবনাই ভারতের জাতীয় ও প্রাদেশিক রাজনীতির দশকের পর দশক ধরে চলা উদ্বেগ ও উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল সোমবার। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল ও বিজেপি।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল দুই শ আসনে জয় পাবে বলে দাবি করেছেন মমতা।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।
অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া নমুনা সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বুথফেরত জরিপের তথ্য প্রকাশ করবে না।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছে বুথফেরত জরিপগুলো। কে জিতবে, বিজেপি নাকি তৃণমূল।
পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ বিধানসভা ও লোকসভার ভোটে প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে নিজেদের ভুল প্রমাণ করেছিল, তা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতাসহ সাত জেলার ১৪২ আসনে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার প্রচারের শেষ দিনে মমতা-শুভেন্দুর শোডাউন ভবানীপুরে।
ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের প্রাক্কালে সব জায়গায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার। এই সময়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইয়ের মধ্যেই অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র বিজেপিকে একহাত নিলেন।
ভোটের প্রচারে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ঠাকুরনগরে মতুয়া সম্প্রদায়ের মন্দিরে পূজা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর জনসভার মঞ্চে উঠে তিনি স্মৃতিচারণা করলেন বাংলাদেশে ওড়াকান্দির ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শনের; প্রতিশ্রুতি দিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের সবাইকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার।