১৯৭০ মেক্সিকো: পেলের অমরত্ব এবং জুলে রিমে ট্রফির চিরতরে ব্রাজিলের হয়ে
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ। যে গল্পের কোনোটিতে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
মজা করে বলতেন, ‘আমার গোলগুলো আসলে একটি জুতার ভেতরে দুটি মনের মিলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিল।’
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরিকে হারিয়ে জার্মানির চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প, যা ইতিহাসে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।
যুদ্ধবন্দী শিবির থেকে ১৯৫৪ বিশ্বকাপ জয় পর্যন্ত ফ্রিটজ ওয়াল্টারের অবিশ্বাস্য যাত্রার গল্প।
১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে মারাকানায় দুই লাখ দর্শকের নীরবতায় ব্রাজিল কাঁদে, উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ঐতিহাসিক ম্যাচের রোমাঞ্চকর কাহিনি, বারবোসার অভিশাপ থেকে নতুন জার্সির জন্ম। ফিরে দেখা বিশ্বকাপের স্মৃতি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ১৯৩৮ এবং পরে ১৯৫০ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন এরিক নিলসন ও ফ্রেডি বিকেল। পরপর মাত্র দুটি বিশ্বকাপ খেলেও তাঁরা ইতিহাসে অমর। এছাড়া দুই কোচেরও অনুরূপ বিরল কীর্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পোল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার আর্নেস্ট ভিলিমভস্কির রহস্যময় জীবনী। ১১ আঙুলের জাদুকর ১৯৩৮ বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ৪ গোল করলেও যুদ্ধ ও রাজনীতির কারণে ইতিহাস থেকে মুছে গেলেন। পোল্যান্ড ও জার্মানির জার্সিতে গোল করা এই তারকার ট্র্যাজিক কাহিনি।
১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।
১৯৩৪ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ইতালির কাছে হেরে গ্রিস হঠাৎ প্রত্যাহার করে। ফিফা বলে ‘হতাশা’, কিন্তু মুসোলিনির চাপ, ঘুষের অভিযোগ এবং এথেন্সের রহস্যময় বাড়ির গল্প কী সত্যি? বিশ্বকাপ ইতিহাসের এই বিতর্কিত অধ্যায় নিয়ে বিস্তারিত।
১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে ফ্যাসিবাদী শাসক বেনিতো মুসোলিনির হস্তক্ষেপে ইতালি শিরোপা জেতে। চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। নকআউট ফরম্যাট, বাছাইপর্ব ও রোমাঞ্চকর ঘটনায় ভরা এই টুর্নামেন্টের স্মৃতি।
বিশ্বকাপের প্রথম অধিনায়ক অ্যালেক্স ভিয়াপ্লেন থেকে নাৎসি সহযোগী নৃশংস খুনিতে পরিণত হন। ফ্রান্সের জার্সি গায়ে ইতিহাস গড়লেও যুদ্ধকালীন অপরাধে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড পান। এই রোমাঞ্চকর জীবনী বিশ্বকাপের অজানা গল্পের একটি।
বনবাসের দিনগুলোয় বাইরের বিশ্ব সম্পর্কে পুরোপুরি অজ্ঞ ছিলেন শোইচি ইয়োকোই।