২০২২ বিশ্বকাপ: দুই পা–বিহীন গমিন, নিষিদ্ধ বিয়ার ও বাংলাদেশকে
কাতার বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে আছে একের পর এক চমকের জন্যও। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনা লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ জয়।
কাতার বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে আছে একের পর এক চমকের জন্যও। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনা লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ জয়।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ। আজ ২০১৮ সালে হওয়া রাশিয়া বিশ্বকাপ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ। আজ ২০১৪ সালের ব্রাজিল আসর।
২০১০ বিশ্বকাপের এই গল্পে আছে এক সাংবাদিক, এক গোলকিপার আর বিশ্বকাপে তাঁদের সমালোচিত থেকে বিখ্যাত হয়ে ওঠার ঘটনা।
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই আসরেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছিলেন এমন একজন, যাঁর দল প্রথম তিনেই থাকতে পারেনি।
ফাইনালে জিনেদিন জিদান ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জির করা অপমান সহ্য করতে না পেরে মাথা দিয়ে একটি ঢুস দিয়েছিলেন। সেটি ছিল ২০০৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।
বিশ্বকাপ গল্পে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক। বিশ্বকাপের তেমন একটি গল্প নিয়ে এ আয়োজন।
বিশ্বকাপ খেলতে এসে নেকলেস চুরির অভিযোগ—ঘটনাটিতে অনেকেরই ১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ববি মুরের ‘ব্রেসলেট কেসের’ কথা মনে পড়ে।
নতুন শতাব্দীর প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও জার্মানি। ব্রাজিল তখন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জার্মানি তিনবারের।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয়ের পেছনে ভাগ্যের ছোঁয়া কিংবা রেফারির কৃপাদৃষ্টি—কোনো কিছুরই বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। বরং পুরো টুর্নামেন্টে ৩টি লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল তাদের।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ। যে গল্পের কোনোটিতে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক। বিশ্বকাপের তেমন কিছু গল্প নিয়ে এ আয়োজন—
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
১৯৮২ সালে স্পেনের মাঠে যা ঘটল, তা ফুটবল ইতিহাসে আগে কখনো দেখেনি কেউ। সেই প্রথম দেখা গেল, দুই দেশ একই সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে লড়ছে, আবার বিশ্বকাপের মঞ্চেও খেলছে!
যে রসি প্রথম চার ম্যাচে ছিলেন খলনায়ক, টুর্নামেন্ট শেষে তিনিই ইতালির হাতে বিশ্বকাপ এনে দিয়ে জিতলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার ‘গোল্ডেন বুট’ এবং সেরা খেলোয়াড়ের ‘গোল্ডেন বল’।
যে দল কখনো প্রথম বিভাগে খেলতে পারেনি, সে দলটিই ঘটনাচক্রে হয়ে উঠল বিশ্বকাপের এক মজার অধ্যায়ের অংশ।
ফাইনাল শেষে ৩-১ গোলে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা যখন প্রথমবার বিশ্ব জয় করল, পরদিন খুনে একনায়ক হোর্হে ভিদেলা প্রেস সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের সামনে এসে বললেন, ‘আমরা বিশ্বকে দেখিয়েছি আর্জেন্টিনা আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।’
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ডোপিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়া প্রথম খেলোয়াড় ছিলেন আর্নস্ট ইয়ান-জোসেফ। হাইতির এই ফুটবলার ১৯৭৪ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।