পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে তিন কমিটি গঠনের প্রতিবাদে নাগরিক সমাবেশ
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সরকার গঠিত তিন কমিটির প্রতিবাদ জানানো হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সরকার গঠিত তিন কমিটির প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে রাজধানীতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীদের সঙ্গে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের যৌথ উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার, সম–অধিকার ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে সময়সীমাভিত্তিক রোডম্যাপ ও সব পক্ষের অংশগ্রহণে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবানসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত হয়। এই বিপর্যয় কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এক দশকের বেশি সময় ধরে প্রতি বর্ষায় একই অঞ্চলে বন্যা ও পাহাড়ধস আর শুষ্ক মৌসুমে তীব্র পানিসংকট দেখা দিচ্ছে। মৌসুমভেদে এই দুই বিপরীত বাস্তবতা একই পরিবেশগত সংকটের ভিন্ন প্রকাশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রীর পদত্যাগবিষয়ক ঘটনাবলি চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে নিয়ে দেশবাসীর মনে সন্দেহ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বা ভিন্ন কোনো নেতিবাচক আঙ্গিকে না দেখার অনুরোধ করেন মন্ত্রী।
রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (জেএসএস সমর্থিত) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ বুধবার পৃথকভাবে এ দুই শহরে দিবসটি পালিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চুক্তি আদায় করে ছাড়ব।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন দীপেন দেওয়ান। প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
বিবৃতিদাতারা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখে।
বিএনপির নতুন সরকারে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ি একজন মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন অপাহাড়ি একজন। এই প্রথম কোনো নির্বাচিত সরকারের আমলে এমন ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির একটি গণতান্ত্রিক দিক রয়েছে।