বড় দরপতনে ডিএসইএক্স সূচক ৫,৫০০ পয়েন্টের নিচে নামল
শেয়ারবাজারে সূচকের সাড়ে পাঁচ হাজার পয়েন্টকে মনস্তাত্ত্বিক সীমা হিসেবে ধরা হয়। বড় দরপতনে ডিএসইএক্স এই সীমার নিচে নেমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
শেয়ারবাজারে সূচকের সাড়ে পাঁচ হাজার পয়েন্টকে মনস্তাত্ত্বিক সীমা হিসেবে ধরা হয়। বড় দরপতনে ডিএসইএক্স এই সীমার নিচে নেমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
ঢাকার বাজারের প্রধান সূচকটি আজ ১০৪ পয়েন্ট কমে গেছে। লেনদেন কমেছে ২৪ শতাংশের বেশি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ২৪ পয়েন্ট কমলেও লেনদেন বেড়েছে। মোট লেনদেনের ৯১ শতাংশই করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা, তবে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের দরপতনে সূচক কমেছে ৫ হাজার ৮৬০ পয়েন্টে।
বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ চামড়া ফেলে দেওয়া, মাটিতে পুঁতে ফেলার যে চিত্র দেখা গেল, সেটা হতাশাজনক।
এশিয়ার বাজারে আজ বুধবার দিনের শুরুতেই জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আজ রোববার এক দিনেই ডিএসইএক্স সূচকটি কমেছে ২৩১ পয়েন্ট বা সাড়ে ৪ শতাংশ। ৯৫ শতাংশ শেয়ারের দরপতন।
ভালো শেয়ারের দরপতনে ঢাকার বাজারে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আজ মঙ্গলবার ২০৯ পয়েন্ট কমেছে। সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ সব জায়গায় শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, শেয়ারবাজারে নতুন প্রণোদনা না আসা পর্যন্ত ভারত থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা বজায় থাকতে পারে।