ডেঙ্গুতে চলতি বছর ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া পাঁচজনের চারজনই নারী। তাঁদের বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া পাঁচজনের চারজনই নারী। তাঁদের বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
হামের টিকার জাতীয় ক্যাম্পেইনের পরও হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যু বন্ধ হয়নি।
ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে বরিশাল ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে। এ সময় বরিশালে সর্বোচ্চ ৫৪ জনসহ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২০ ডেঙ্গু রোগী।
ডেঙ্গু এখন আর কোনো বিশেষ মাস বা মৌসুমের রোগ নয়, সারা বছরের।
দেশে ডেঙ্গুতে জুন মাসে দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর হামের পরেই ডেঙ্গু ধরা পড়ে। আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধ। কারণ, এখনো ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর হামের পরই ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। শিশুটিকে হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর মৌসুমি ধারা বদলে গেছে, এখন বছরজুড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি। ২০২৩-২০২৫ সালে লাখ লাখ আক্রান্ত ও হাজারের বেশি মৃত্যুর পর জাতীয় সমন্বয় কমিটি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা বাড়ানো দরকার।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জনস্বাস্থ্যবিদেরা সতর্ক করে আসছেন যে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু এখন আর শুধু মৌসুমি ভাইরাসজনিত ও নগরকেন্দ্রিক রোগ নয়; অনেক বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে চলতি বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত প্রতি শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৫৩টি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।
ফুটপাতের দোকানির মো. রোকন বলেছেন, মশার যন্ত্রণায় বিকেলের পর ঠিকমতো বেচাবিক্রি করা যায় না।
মার্চে মশার উৎপাত আরও বাড়তে পারে। অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে গবেষণা—ঘণ্টায় ৮৫০ মশা কামড়াতে আসে।
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সঙ্গে যে বায়ুদূষণের সম্পর্ক আছে, তা উঠে এল এক বৈশ্বিক গবেষণায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশসহ যেসব দেশে বায়ুদূষণ বেশি, সেসব দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার বিশ্বের গড় মৃত্যুহারের চেয়ে অনেকটাই বেশি। আবার এসব দেশের যেসব এলাকা বেশি দূষিত, মৃত্যুহারও তুলনামূলক বেশি সেসব এলাকায়।
বনজঙ্গল উজাড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মশা বিলুপ্ত হচ্ছে না।
ডেঙ্গু সবচেয়ে বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে শিশু, তরুণ, কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল মানুষের। ডেঙ্গুর কারণে এই বয়সী মানুষের মৃত্যু শুধু পারিবারিক শোক নয়, এটি অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতার ওপর সরাসরি আঘাত।