বড় দরপতনে ডিএসইএক্স সূচক ৫,৫০০ পয়েন্টের নিচে নামল
শেয়ারবাজারে সূচকের সাড়ে পাঁচ হাজার পয়েন্টকে মনস্তাত্ত্বিক সীমা হিসেবে ধরা হয়। বড় দরপতনে ডিএসইএক্স এই সীমার নিচে নেমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
শেয়ারবাজারে সূচকের সাড়ে পাঁচ হাজার পয়েন্টকে মনস্তাত্ত্বিক সীমা হিসেবে ধরা হয়। বড় দরপতনে ডিএসইএক্স এই সীমার নিচে নেমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে, যার ফলে দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে ডিএসই সূচক।
সবশেষ গত মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন ছাড়িয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। আর সূচক বেড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে ডিএসই বন্ধ থাকা ৩২টি ও আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি কোম্পানির আলাদা তালিকা প্রকাশ করেছে।
ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আজ মঙ্গলবার বেড়ে তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে।
লাফার্জহোলসিমের চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) মুনাফা কমে ১১২ কোটি টাকায় নামলো, যা গত বছর ছিল ১৩৯ কোটি। বিক্রি হ্রাস এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে ২৭ কোটি টাকার ক্ষতি। সিইও ইকবাল চৌধুরী নতুন পণ্য নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বিএসইসির সংশোধিত বিধিমালা অনুসারে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অর্ধেকের বেশি মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের ভাগ্য জুনের মধ্যে নির্ধারিত হবে। এনএভির চেয়ে ২৫ শতাংশ কম বাজারমূল্যের ফান্ডগুলো অবসায়িত হবে বা বে-মেয়াদিতে রূপান্তরিত হবে। ইউনিটধারীদের সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তে ফান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।
গত সপ্তাহে ঢাকা শেয়ারবাজারে মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে প্রকৌশল, বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। হাতেগোনা কোম্পানিতে স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় এই প্রবণতা দেখা গেছে, যাতে ঝুঁকি রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে সুযোগ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
আজ সোমবার শেয়ারবাজারে বেশির ভাগ শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে হারানো অংশের বড় একটি অংশ পুনরুদ্ধার হয়েছে। সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও এদিন লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে কমে গেছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আজ রোববার এক দিনেই ডিএসইএক্স সূচকটি কমেছে ২৩১ পয়েন্ট বা সাড়ে ৪ শতাংশ। ৯৫ শতাংশ শেয়ারের দরপতন।
গত সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির সব কটিই ছিল জেড শ্রেণিভুক্ত। এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম সর্বনিম্ন ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
ভালো শেয়ারের দরপতনে ঢাকার বাজারে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আজ মঙ্গলবার ২০৯ পয়েন্ট কমেছে। সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন।
ঢাকার বাজারে আজ রোববার লেনদেনের শুরু থেকেই ছিল সূচকের উত্থান-পতন। যদিও দিন শেষে ডিএসইএক্স সূচকটি ২ পয়েন্ট বেড়েছে।
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আজ লেনদেন শুরুর প্রথম ঘণ্টায় ১২৬ পয়েন্ট বা প্রায় আড়াই শতাংশ বেড়েছে।
টানা দুই দিনের বড় উত্থানে গত ২৭ নভেম্বরের পর আবারও ডিএসইএক্স সূচকটি ৫ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। আজ দিন শেষে এই সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯২ পয়েন্টে।
ঢাকার শেয়ারবাজারে আজ দিনের শুরু হয়েছিল দরপতনে। কিন্তু দিন শেষ হয় সূচকের সামান্য উত্থানে। আর এ উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছে কয়েকটি ব্যাংক ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি।
শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বার্ষিক লেনদেন পর্যালোচনার পর ডিএসইএক্স সূচকে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত ১৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।