থাইল্যান্ডে জ্বালানি সাশ্রয়ে আমলাদের সিঁড়ি ব্যবহারে নির্দেশ
থাইল্যান্ডের জ্বালানিমন্ত্রী আত্তাপোল রের্কপিবুন জানিয়েছেন, থাইল্যান্ডে ৯৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে।
থাইল্যান্ডের জ্বালানিমন্ত্রী আত্তাপোল রের্কপিবুন জানিয়েছেন, থাইল্যান্ডে ৯৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে।
অকটেনের সংকটের কারণে শহরের মোটরসাইকেল চালকদের অনেকে গাড়ি নিয়ে বের হতে পারেননি। ডিজেল বিক্রি বন্ধ থাকায় ছোট নৌযানের চালকেরা নৌযান চালাতে পারছেন না।
লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, জেনারেটরের জন্য পাম্প থেকে তেল মিলছে না। তেলের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
জালানি তেলের সংকটে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ রুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আগামীকাল সোমবার থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে সরকার।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গতকাল শনিবার রাতে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এ কথা লেখেন।
দেশে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) অকটেন বিক্রি হয়েছে ৪ লাখ ১৫ হাজার টন। সে হিসাবে দিনে অকটেনের চাহিদা গড়ে ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন।
খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমদানি বাড়লেও বাজারে এখনো সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দরে এলপি গ্যাস কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
দেশীয় উৎপাদন কমছে, আমদানিও বাড়ছে না। অনেক বাসায় চুলা জ্বালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই পরিবর্তন বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতা উন্মোচিত করেছে—সীমিত ও ক্ষয়িষ্ণু জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও দেশীয় সক্ষমতা বিকাশে দীর্ঘদিনের ঘাটতি।
পরিবেশ নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন বলছে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি।
দেশে প্রতিবছর ১০ শতাংশের বেশি হারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা বাড়ে।
সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।
গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।
ঢাকায় রান্নার জ্বালানির উৎস মূলত দুটি—তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
বিজ্ঞপ্তিটি গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।
ভোক্তারা দোকানে দোকানে ঘুরেও সিলিন্ডার কিনতে পারছেন না। আবার কেউ সিলিন্ডার পেলেও দাম দিতে হচ্ছে দেড়-দুই গুণ।
তবে সরবরাহ সংকট কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।