ময়মনসিংহে ধানের শীষের পক্ষে ‘কাজ না করায়’ সাবেক এমপির গাড়ি ভাঙচুর
শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া মোড় এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া মোড় এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছে।
মৌলভীবাজার–২ (কুলাউড়া উপজেলা) আসনে ৩০ বছর পর জয়ের মুখ দেখেছে বিএনপি।
নির্বাচনের পর কয়েকটি স্থানে সহিংসতার খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে, তবে ফেসবুকে এমন আরও খবরে বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। কিন্তু এসব ঘটনা যাচাই করে সব কটির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
নাটোরের তিনটি উপজেলায় নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় ইউপির একজন সাবেক চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর কর্মীরা হামলা চালিয়েছেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে স্বতন্ত্র নির্বাচন করে জয় পাওয়া মো. আবদুল হান্নান ঘোষণা দিয়েছেন, ‘আমার প্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ না করা পর্যন্ত আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেব না।’
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে বাজিতে জেতা একটি মহিষ শেষ পর্যন্ত মালিকের হাতেই ফিরিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সমর্থক আবদুল মান্নান।
চরমোনাই পীরের ভাই দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ আসনে দ্বিতীয় হলেও বরিশাল-৬-এ তৃতীয় হয়েছেন।
বিবৃতিতে মনীষা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বাসদ ১৭৬টি কেন্দ্র, পোস্টাল ভোটসহ মোট ২২ হাজার ৪৮৬টি ভোট পেয়েছে।
এনসিপির নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। আর তাঁর বাবা একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ৫০৫ ভোট।
যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীদের ভূমিধস পরাজয় ঘটেছে। একটিমাত্র আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
জামায়াতের করা মামলায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহসহ তিনটি আসনে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপিসহ সব প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব।
বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা। তাঁদের মধ্যে তিনজন একসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবার তাঁরা সংসদে যাচ্ছেন।
মুন্সিগঞ্জ–৩ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপি প্রার্থী সানজিদা তুলির মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান।
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। তাঁর দাবি, ভোট গণনার সময় কারচুপি করে প্রশাসন ফলাফল বদলে দিয়েছে।
লালমনিরহাটের তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে লালমনিরহাট–১ ও লালমনিরহাট–২ আসনে ৪৭ বছর পর এবং লালমনিরহাট–৩ আসনে ২৫ বছর পর বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।
সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ দ্রুততম সময়ের মধ্যে, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জামানত হারাচ্ছেন। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এই একটিতেই মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি জামায়াতের প্রার্থী। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কয়েক শ থেকে এক হাজারের কিছু বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন পাঁচজন।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক জসিম উদ্দিন (৩০) হত্যার ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।