‘তাদাব্বুর’: গভীর অভিনিবেশে কোরআন পাঠের শিল্প
কোরআন পাঠকালে মুমিনের আসল উদ্বেগ হওয়া উচিত, কীভাবে এই কিতাব আমাকে হেদায়েত দেবে, কীভাবে আমি আল্লাহর প্রিয় কোরআনের মানুষে পরিণত হব।
কোরআন পাঠকালে মুমিনের আসল উদ্বেগ হওয়া উচিত, কীভাবে এই কিতাব আমাকে হেদায়েত দেবে, কীভাবে আমি আল্লাহর প্রিয় কোরআনের মানুষে পরিণত হব।
এর হলোগ্রাফিক বিন্যাস প্রমাণ করে যে কোরআন প্রচলিত সাহিত্যিক ছকে বন্দি নয়; বরং এটি এক জীবন্ত জ্ঞানতাত্ত্বিক রূপরেখা, ইতিহাসে যার দ্বিতীয় নজির নেই।
মানুষ ও জিন তো বটেই, অন্যান্য প্রাণীও ছিল যার অধীনস্থ। এই বিশাল সাম্রাজ্যের মাঝে ডুবে থেকেও তিনি আল্লাহকে ভুলে যাননি।
নারী প্রতি অতিরিক্ত সমবেদনা অনুভব করা কি ইসলামের দৃষ্টিতে পাপের কারণ? পুরুষবিদ্বেষ এড়িয়ে শুধু নারীর সুরক্ষায় ব্যথিত হওয়াকে ইসলামি নীতিশাস্ত্র কীভাবে মূল্যায়ন করে?
পিপাসায় কাতর মানবজাতি যখন একটু শীতল পানির জন্য ব্যাকুল থাকবে, তখন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজির উম্মতের জন্য অপেক্ষা করবে এক অনন্য নেয়ামত—হাউসে কাউসার।
‘আসহাবে কাহাফ’ মানবজাতির প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তের এক শাশ্বত মনস্তাত্ত্বিক পাঠ—কীভাবে নিরেট তাওয়াক্কুল ও অবিচলতা প্রতিকূলতম পরিস্থিতিকেও স্বর্গীয় শান্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
আল্লাহ যখন মানুষকে জীবন, আলো, বাতাস আর রিজিক দান করেন, তখন তিনি কোনো কার্পণ্য করেন না। কোনো বিনিময়ের শর্ত ছাড়াই তিনি বান্দার ওপর করুণার বারিধারা বর্ষণ করেন।
যে বন্ধু বিপদে পাশে দাঁড়ায়, দেখা হলে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কোনো ভুল হলে স্নেহভরে সংশোধন করে দেয়, ইসলামি জীবনদর্শনে সে-ই তো প্রকৃত বন্ধু।
সত্যকে অস্বীকার করার অন্ধকার, ভ্রষ্টতা ও শিরকি বিশ্বাসের অন্ধকার; এর সঙ্গে আছে নিজের প্রতিপালক ও পরকালের শাস্তি সম্পর্কে অজ্ঞতার অন্ধকার।
কোরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে জীবনের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে খেয়ালখুশি কিংবা সাময়িক আবেগ নয়; বরং আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশকেই চূড়ান্ত অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সমাজের অভাবগ্রস্তদের ক্ষুধা নিবারণ ও পারস্পরিক সংহতি রক্ষায় কোরআন ও সহিহ হাদিসের ১০টি দিকনির্দেশনা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
তাহাজ্জুদ নামাজ, চাশত-ইশরাকের নামাজ, নফল রোজা, দান-সদকা ও পবিত্র কোরআন পাঠ বান্দার অন্তরে আল্লাহর প্রতি বিশেষ ভালোবাসা তৈরি করে।
মার্জিত আচরণ মানুষের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সামাজিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে; পক্ষান্তরে অশোভন ও রুচিহীন আচরণ মানুষের ব্যক্তিত্বকে ধ্বংস করে দেয়।
প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম প্রাণীর মধ্যেও আল্লাহ-তাআলা যে নিখুঁত ব্যবস্থা, শৃঙ্খলা ও হেকমত রেখেছেন, তা নিয়ে চিন্তা করলেই মানুষের সামনে সৃষ্টিকর্তার কুদরত আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
দৃশ্যমান এই বিশ্বজগতের বাইরে এক পরম পবিত্র, নিষ্কলুষ ও পরাক্রমশালী জগৎ রয়েছে, যার বাসিন্দারা হলেন মহান আল্লাহর অনন্য সৃষ্টি ‘মালাইকা’ বা ফেরেশতাকুল।
হেদায়েত আল্লাহ–তাআলার এক বিশেষ দান। যে অন্তর সততা, খোদাভীতি ও বিনয় নিয়ে কোরআনের মুখোমুখি হয়, শুধু সে অন্তরই কোরআনের আলোয় উদ্ভাসিত হতে পারে।
যেখানে পাপকর্মে লিপ্ত হওয়ার সব সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু আল্লাহর ভয়ে নিজেকে সংযত রাখা এবং প্রবৃত্তির চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়াই হলো খাঁটি মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য।
সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি ঋণ থেকে এত বেশি আশ্রয় চান কেন?’ নবীজি বলেন, ‘মানুষ যখন ঋণগ্রস্ত হয়, তখন মিথ্যা বলে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে।’
কোরআনে বুদ্ধি খাটানোর নির্দেশ তো আছেই, সেই সঙ্গে প্রাণপ্রকৃতিকে উপমা বানিয়ে গভীরভাবে চিন্তাফিকিরের ইশারা দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ধরনের কিছু উপমা সংক্রান্ত আয়াতের পর্যালোচনা করব।
নির্ধারিত সময়ের পর নামাজ আদায়ের সুযোগ আছে কি না, কিংবা ইচ্ছাকৃত নামাজ ছাড়লে তা কাজা করতে হয় কি না—এ নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
যে সংসার সামান্য উপকরণ নিয়ে শুরু হয়ে দিনে দিনে বরকতময় হয়ে ওঠে, তা সেই প্রাচুর্যপূর্ণ ঘরের চেয়ে টেকসই, যেখানে জাঁকজমক আছে কিন্তু হৃদয়ের উষ্ণতা নেই।
জীবনের সংকট, হতাশা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং নৈতিক অবক্ষয়ের এই যুগে কোরআনের বার্তাগুলো মানুষের ভেতর আমূল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। এমন ১০ শিক্ষা তুলে ধরা হলো।
একজন মুসলিমের জন্য আরবি হরফ চেনা থেকে শুরু করে কোরআনের বিশুদ্ধ পাঠ শিখতে পারা মনাে আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি ভালোবাসার বন্ধন গড়ার এক অপার্থিব যাত্রা।
খাদ্য নষ্ট হলে খাদ্যের ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়, পানির অপব্যবহার করলে পানিসংকট তৈরি হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অসংযত ব্যবহারে জাতীয় সম্পদ বিনষ্ট হয়।