ব্রহ্মপুত্রের জেল
আমি মরণ কামড়ে এক টুকরা রুটি জুয়ায় ধরো ওরিনোকো মাদুরো মধ্যপ্রাচ্যের তেল!
আমি মরণ কামড়ে এক টুকরা রুটি জুয়ায় ধরো ওরিনোকো মাদুরো মধ্যপ্রাচ্যের তেল!
তোমার দেহাতি অবয়ব সুপ্রাচীন দেয়ালের মতো, আদিম বৃক্ষের মতো স্থির,
সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।
ওগো ঢেউ, পাড়ে এসে আছড়ে পড়া ডুকরে ওঠা ঢেউ, মানুষের হৃদয়ের মতো তুমি কেন বিরহকাতর?
তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।
উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে
বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে
মধ্যরাতের নির্জনতায় জিকিররত জায়নামাজে ওইখানে ঠিক খুশবু ছড়ায় চোখ থেকে আর যায় না মা যে।
হাত ধরে হেঁটে গিয়ে এই শীতে কুয়াশা রুমাল ওড়ানোর কথা ছিল
অদূরে-সুদূরে তুমি ছিলে দাঁড়িয়ে, আমি এত প্রেম পেরিয়ে আসছি না তোমার কাছে।
নব্য নগদ আয়তনের ভারে অথবা ধারে ফালা ফালা দেহবৃক্ষ—
সময়টা মাথা তুলে দাঁড়াবার মতো সাহসী হলো এখনো সফল আগামীর কথা ভেবে তাকিয়ে আছে—
গবেষকেরা মনে করেন, ‘ফ্রাঙ্কের কবিতা হলো মুহূর্তের স্ন্যাপশট, যেখানে একত্রে মিশে গেছে নানা নৈমিত্তিক ভাবনা আর দৈনন্দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা।’
মিথেনের নদী থেকে উঠে এসে এই পাথুরে গুহায়। হিলিয়ামের দুনিয়ায়—অবসরে—
দিক ভুলে যায় দিগ্বিদিকে ছুটতে থাকা হরিণশাবক।
ক্রোমোজোম কোষে নানা সংকেতে সবই তা রয়েছে আঁকা।
শীত এলে পিঠা আর কুয়াশার ঘ্রাণ নদীতীর, বক পাখি, ভোরের উড়ান
তার জ্বলন্ত লাশ নিয়ে উল্লাস করেছে মানুষ এই বেইনসাফের রাস্তায় কবিতার মতো হেঁটেছিল হাদি
লাজুক গুইসাপ শীতের সংশয় নিয়ে আস্তে-ধীরে পার হয় বনপথ।
প্রতিবার শীতের শিরোনামটা আমি তিনজনকে বলি হৃৎপিণ্ড কাঁপানো এবার বাতাসেই বললাম: তিনে—
মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য
শোনো—জ্যোৎস্নার টুপি পরা অভিসারী ঘুঘুদের ধূলিপিণ্ড আয়না—রাস্তা পেরোলেই দেখবে একটি স্বপ্ন দীক্ষিত মেধাবী বিড়াল আপেল খাচ্ছে একাকী।
লোকে বলে, জল ভাটিতে গড়ায়, দেশ ভরে গেছে খরা ও চরায়, মরু-সাহারার হাহাকারে-বাঁচা বৃক্ষের মূলে মাটি-জল নাই—
বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।