কুত্রাপি-৫৩১
কিস্তি চাউর হলে এইখানে ডুবে যায় হাঁটুজলে হাতি পাতি তলে তলে চায়ের বাগান হয়ে গণতন্ত্রের মতো ফোটে
কিস্তি চাউর হলে এইখানে ডুবে যায় হাঁটুজলে হাতি পাতি তলে তলে চায়ের বাগান হয়ে গণতন্ত্রের মতো ফোটে
এক ভাগ নিয়ে তোমরা কাড়াকাড়ি করো অর্ধেক আমি মারসোর সাথে প্রতিদিন মৃত্যুকে
ওত পেতে বসে আছে বিধ্বংসী কাছিম গতির দিন সুযোগ কোথায়, তার সঙ্গে বহুদিন পর দ্বিরালাপ।
কেউ একজন জানালায় টোকা দিয়ে জানতে চাইল নৈশ-স্কুলের ঠিকানা!
রাত নামলে নিজেকে পিং করি ক্রমাগত, উত্তর আসে না, বৃষ্টি থেমে আছে শিরার ভেতর—যেন লেথের বিস্মৃতির জল।
হৃৎজলে বুনো হাঁসের সাঁতার— আকাশে রঙিন ঘুড়ি—
তোমাকে চেনা যদি জ্ঞান না হয়, তোমাকে ভালোবাসা ছাড়া প্রজ্ঞাও নেই কোনো।
যাই যাই শীতে শুনি আজ বসন্তের আগমন ধ্বনি এই বুকে প্রেম—আলোদীপ্ত—দ্রিমিদ্রিমি প্রেমের সিম্ফনি!
শহরে শীত শীত বলে হাঁক দিয়ে যাচ্ছে ফেরিওয়ালা পয়সা থাকলে কনকনে কিছু শীত কিনে জমিয়ে রাখতাম
পড়ছো ডিলান টমাস। “এভরিম্যানস পোয়েট্রি”। সোয়ানসিতে যাচ্ছে বয়ে রিভার তাওয়ে।
চাটাই বিছিয়ে বই বেচছেন চিত্তরঞ্জন সাহা একুশের দিনভর: কী অবাক দুরূহ সেই গদ্যছবি
সীমার ভেতরে বসা অসীম ক্ষমতাধর রাজন্য ও পারিষদ নানা মন্ত্র জপে যায় শীর্ষাসনে সমাসীন সুদূরের ভিন্নতর কানে।
তুমি জগজ্জননী, দেবীচক্ষু, জেগে আছ ঘরের ঈশান কোণে, কঙ্কালের পাশে।
শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে থলে–উপুড় কড়ি সামন্ত দম্ভোলে কাঁপে নারী ও শিল্পজিজ্ঞাসা!
পুরাতন বইয়ের মতো নিজেকে একনিশ্বাসে পড়তে পড়তে শেষ পৃষ্ঠায় এসে থমকে গিয়ে দেখি, আঙুলের ডগা থেকে উড়ে যাচ্ছে জ্বলন্ত অক্ষর...
চাঁদজ্বলা অপার্থিব রাত অর্থহীন, যদি না দুজনে থাকি জড়াজড়ি শর্তহীন।
ইচ্ছে করে উদ্যানের ছায়াবৃক্ষগুলি একে একে স্পর্শ করে দেখি অভ্যাসের বকুল কুড়াই
বাঁচামরা যখন বিচিত্র নলে, ভীষণ শীতাতপ— ফিনাইলমেশা হাওয়া আর মনিটরে রঙিন ঢেউ
আলোর দুহাত দিয়ে আমায় জড়িয়ে রেখেছে ঠোঁটের স্পর্শে মাখামাখি হচ্ছে
এরা মুগ্ধ লালন-কীর্তন ভাটিয়ালি গানে। আমার কবিতা রবীন্দ্রনাথের মতো
এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।
পিছলে যাচ্ছে সাবানমাখা বাসন চমকে উঠছে নীরব সাবার্বিয়া
দিনভর হালুয়া রুটির খোঁজে মানুষজন আসত আমাদের গরিব কলোনিগুলোর বাসায় বাসায়
ফেলে আসা সংসারের পুতুলবাঘ তবু স্বপ্নে দেখি—বাঘচোখের খাদে কবে যেন আমার কোনো করুণ মৃত্যু ছিল বলে