বিস্ময়াহত শুদ্ধিপর্ব
খাঁচায় সূর্যাস্তের স্বীকৃতি।মেঘেদের বক্ষদেশে মরণোত্তর পিতামহ।অভূতপূর্ব অভিবাদনে জল আর সেতারপ্রগাঢ় ট্যাপেস্ট্রির মতো।স্বর্গতুল্য শূন্যতায় অধিষ্ঠিত অধিপতিরা।বিষাদগ্রস্ত উপপত্নীরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার...
খাঁচায় সূর্যাস্তের স্বীকৃতি।মেঘেদের বক্ষদেশে মরণোত্তর পিতামহ।অভূতপূর্ব অভিবাদনে জল আর সেতারপ্রগাঢ় ট্যাপেস্ট্রির মতো।স্বর্গতুল্য শূন্যতায় অধিষ্ঠিত অধিপতিরা।বিষাদগ্রস্ত উপপত্নীরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার...
<p><strong>দুর্যোগ</strong></p><p>ধর্ম আর শজনে ফুল একসাথে ঝরে পড়ছে। ফাগুন বাতাস কতটা অধার্মিক হলে এমন ঘটাতে পারে।</p><p>ছায়াবাজি রোদ তোমার আকার বিকৃত করে দেখাচ্ছে সমাজকে। যেন তুমি শিমুল। তোমার শরীর...
বহুরৈখিক এ স্বপ্ন বিফল বিপন্ননিদারুণ হাওয়ার পড়ন্ত বেলায়।কোথাও নেই সবুজ সংকেত...অরণ্যজ্বলছে বৈশাখী ঝড়ে প্রবন্ধ-প্রণয়।এক আশ্চর্য পৃথিবী, ধূসর মলিন!সড়কে শকুন নাচে ইতর মুদ্রায়।সকুরুণ তরুণীর তাড়িত যৌবন—আজ...
<p>বাসো বৈশাখ আমারেও বাসো, বাসো দোতলার মেজ মেয়েটারে</p><p>হলুদ পাতারা লঘু পায়ে যার হৃদি ভেদ করে, আস্তানা গাড়ে</p>. <p>বহো বৈশাখ ইলিশ রঙের নদীনির মতো, এই তো আরকি!</p><p>চারুকলা থেকে হাইকোর্ট বহো,...
তুমিই আমার পহেলা বৈশাখ
মন খারাপে একটু নাহয় জ্যোৎস্না হলো ভার
<p>আমি সেই ইন্দ্রনীল রাত </p><p>আমাকে দেখো</p><p>আমি সেই ভাবনাপ্রপাত</p><p>আমাকে দেখো</p><p>দেখো মেঘ, দেখো মাঠ, দেখো ঘরবাড়ি,</p><p>গ্যালাক্সি থেকে উঠে আসা বিচ্ছুরিত কসমিক রে</p><p>আমাকে...
নিঃসঙ্গতার ক্ষতমুখ থেকে গড়িয়ে পড়ছে
গুটিকয় মাটির ভাঁড় বাঁকে ঝুলিয়ে
<p>(তুমি প্রিয় মানুষ ছিলে, শামস সুমন)</p>. <p>মৃত্যু আমাদের প্রতিবেশী</p><p>একই পাড়ায় থাকি আমরা</p><p>হয়তো সে বাস করে পাশের ঠিকানায়</p><p>কিংবা হয়তো এগারো–বারো বাসা দূরে</p><p>ঠিক কত দূরে বা কত...
বজ্রকণ্ঠে মহাজন কাঁপায় আঙ্গিনা:
এক অপূর্ব কবিতায় বিষামৃতময়ের রহস্যময় আকর্ষণ ফুটে উঠেছে। রুদ্র মধু থেকে বিষ উদ্ধারের যাত্রা, যৌবন-অন্ধকারের মিলন এবং নিজেকে খুঁজে পাওয়ার বিশ্বাসের কথা এতে বর্ণিত। পথে-বিপথে তীর্থপথের মতো এর অপেক্ষায় সকলে দাঁড়িয়ে আছে।
কথা-নীরবতার মাঝে প্রবাহিত ছোট নদীর মতো স্বপ্নগ্রস্ত জীবনের ছবি। আয়নার মায়া, হাসির স্মৃতি ও মধ্যরাতের নীরবতায় ঘেরা ভাবাতুর মুহূর্ত। এলাচের গন্ধে ভালোবাসা জাগিয়ে নর্দমার পাশেও বেঁচে থাকার কবিতা।
বসন্তের লাল গোলাপ নিয়ে এক কবিতা। প্রেম, প্রতারণা ও নির্জনতার ছোঁয়ায় ভরা এই রচনায় বর্ণিত হয়েছে উজ্জ্বল অসুখ এবং করুণ সৌন্দর্যের মিশ্রণ। ঘুমহীন সবুজ বসন্তের মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রণয়ের গভীর রহস্য।
বসন্তের উৎসবে মৃত্যুর ছায়া নেমে আসে এ দেশে। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো তরুণ প্রজন্মের শোকগাথা লেখা হচ্ছে বারবার। সমাজের এই চক্রাকারে কতদিন চলবে এই কষ্টের ঘটনা?
বসন্তের আগমনে শঙ্কিত মনের কাব্যিক প্রকাশ। আধবোজা দিনের ভয়, মনের উড়ান মধুপুর জঙ্গলে এবং নিয়তির ছায়ায় এক অদ্ভুত অনুভূতি। সোনালি পাখির ডাকে রাগান্বিত হওয়ার কল্পনা।
বসন্তের আগমনে কোকিলের ডাক হৃদয়ে অশান্তি জাগায়। এই কবিতায় কোকিলের সেই ডাকে লুকিয়ে আছে স্মৃতির ঝনঝনানি এবং অন্তরের আগল খুলে যাওয়া। প্রত্যাশিত মিলনের ছায়ায় বেঁচে ওঠে হৃদয়ের যুগল।
এই কবিতায় পথের ভ্রান্তি, বসন্তের মাধুরী ও ধূলি-বালির মিশ্রণ ফুটে উঠেছে। মলিন কথা ফুরিয়ে বনের বেতার চালু হবে। আগামীকালের বাসনায় রঙিন হওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।
বসন্তের নির্জন পাতাছায়ায় একাকী পথচলার কাব্যিক চিত্র। দিন শেষ না হলেও বিদায়ের মুহূর্ত, অপেক্ষিত বাঘের ছায়া এবং সুন্দরবনের তীরে অপেক্ষা। পরিতৃপ্ত চোখে ফিরে যাওয়া এবং গভীরে আলোর অনুসন্ধানের অনুভূতি।
বসন্তের প্রকৃতিতে প্রেম, স্বাধীনতা ও সম্মতির আলো জ্বলে ওঠে এই কবিতায়। নারী-পুরুষের সম্পর্ককে গ্রামীণ দৃশ্যের মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে সৃষ্টির উর্বরতা। শরীরকে পাপ নয়, সৃষ্টির দরজা হিসেবে উপস্থাপন করেছে কবিতা।
হিয়া বসন্তের একঘেয়েমি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বহুদিনের একই রকম হাওয়া, গান আর কোকিলের রব কি আর ভালো লাগে না? লেখক বসন্তকে সকল মাসে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
ঋতু ও যৌবনের অনিত্যতা নিয়ে এক কবিতা। কোনো ঋতু স্বয়ম্ভূ নয়, সবাই পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। বসন্তের ফুল ছাড়া ঋতুর যৌবন অসম্পূর্ণ।
কলিঙ্গযুদ্ধের ছেঁড়া দিনলিপি থেকে শুরু করে ভূত-প্রেতের কবিতাপ্রেম এবং সরস্বতীর প্রশংসায় এই অশেষ কবিতালিপি। শিশুদের হারানো পিং পং বলের খোঁজ আর কবিদের পলায়নের ছবি আঁকা হয়েছে এতে। দৈনিকের সাহিত্যপাতায় ছাপা এই রচনায় পাঠকরা অভিভূত।
বর্ণমালারা মিলেমিশে অক্ষর-শব্দ-বাক্য গঠন করলেও কোনো গভীর মালা গাঁথেনি। তারা প্রেমহীন, কামহীন, সম্মতিবিহীন হয়ে শুয়ে আছে। যেন ল্যাবরেটরির পেট্রি ডিশে ক্যালসিয়াম-পটাসিয়াম-ভিটামিন মিশিয়ে ফলের সৌন্দর্য গড়া হয়নি।