১৯৭০–এর দশকের তেল–সংকটের কথা মনে আছে, এবার পরিস্থিতি আরও খারাপ
অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।
অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।
এলএনজি নিয়ে এক সপ্তাহে আসছে তিন ট্যাংকার
টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে এলএনজি আনতে প্রতি এমএমবিটিইউর দাম পড়ছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার।
কাতার থেকে আমদানি হয় ৭০ শতাংশ এলএনজি, দেশটির উৎপাদন বন্ধ থাকবে লম্বা সময়। বিকল্প উৎসের সন্ধান। দাম চড়া।
‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ১৮ মার্চ ভোরে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এই খবরের পরই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়ে।
যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে এক কার্গো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পস্কো ইন্টারন্যাশনাল থেকে কেনা হচ্ছে দুই কার্গো এলএনজি।
কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় ট্যাংকারটি এখন পারস্য উপসাগরেই আটকে আছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।
গতকাল সোমবার ইরানের ড্রোন দুটি স্থাপনায় আঘাত হানে বলে জানিয়েছে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গ্যাসের চাপ কমায় এলাকায় রান্নার চুলা জ্বালাতে সমস্যা হতে পারে।
একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তি
এবার এলএনজি করে গ্যাস আনার চিন্তা
ভোলা থেকে সিএনজি করে ঢাকায় গ্যাস আনার পরিকল্পনা ব্যর্থ। এখন এলএনজি করে আনার নতুন পরিকল্পনা।