ঋণ নবায়নের নিয়ম শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে বলেছে, নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, ঋণটি খেলাপি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে বলেছে, নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, ঋণটি খেলাপি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে ব্যাংক খাতে অনিয়ম, জালিয়াতি, প্রতারণা ও দুর্নীতির উচ্চমাত্রার প্রভাব পড়ে খেলাপি ঋণে।
লন্ডনভিত্তিক মার্কেট ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনসকে (এমএফএস) প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে আনা হয়েছে। এমএফএস বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সম্পত্তি কেনায় বড় অঙ্কের ঋণ দিয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রিসাইক্লিং (পুনর্ব্যবহার), পরিবেশবান্ধব স্থাপনা, জ্বালানি ও পানিসাশ্রয়ী উদ্যোগে এই ঋণ দেওয়া হবে
সরকারের এই সিদ্ধান্তের একটি মানবিক দিকও রয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টার ভাষ্যমতে, ঋণের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ায় প্রান্তিক পরিবারগুলো এখন বাড়তি অর্থ সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করতে পারবে।
জুলাই–জানুয়ারি মাসে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে ২৬৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার। বিভিন্ন দাতাসংস্থা ও দেশকে ২৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে।
এখন থেকে এককালীন ১ শতাংশ টাকা জমা দিয়েই ঋণ পুনঃ তফসিলকরণের সুবিধা নেওয়া যাবে।
এই সুবিধার মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর আওতায় ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের স্থিতির ওপর ২ শতাংশ জমা দিয়ে পরবর্তী দুই বছরের জন্য ঋণ পুনঃ তফসিল করা যাবে।
১০ কোটি টাকার কম ঋণে গড় খেলাপির হার সাড়ে ২১ শতাংশ। আর ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণে খেলাপির হার ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ বড় ঋণের অর্ধেকের বেশি খেলাপি।
সম্প্রতি ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত টয়োটা বাংলাদেশের শোরুমে এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়।
ভয়ংকর উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, বারবার ঘটে যাওয়া ঋণ জালিয়াতির সব ঘটনা, স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার প্রবণতার কারণে ব্যাংকিং খাতের ওপর মানুষের আস্থা তলানিতে।
ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা।
আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই অনেকটা বেপরোয়া বিদেশি ঋণে ঝুঁকেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব–ঘাটতির কারণে বাজেট সহায়তা এবং বড় প্রকল্পে অর্থছাড় বাড়ানোয় বিদেশি ঋণের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ বিলিয়ন ডলারে।
এ ছাড়া ‘আয়মা’ নারী ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তারা চাইলে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা ঋণ নিতে পারবেন। আর জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন ৫০ লাখ টাকা।
পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ব্যাংকগুলোর ঋণের ৩৬ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের।
গত ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ১০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গত দুই দশকের তথ্য অনুসারে, এত কম প্রবৃদ্ধি আর কখনো দেখা যায়নি।
রাজধানীর বসুন্ধরায় আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালকের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেই পরিচালক ব্যক্তিগত প্রয়োজনে এই তথ্য চেয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
গত ছয় মাসে বড় বড় বন্ধুপ্রতিম দেশ কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এ তালিকায় আছে ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজেটঘাটতি মেটাতে সরকারকে এখন আর আগের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল থাকতে হচ্ছে না।
নির্বাচিত হলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে—বিএনপির এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
উপদেষ্টা পরিষদ গত বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ অনুমোদন করেছে।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।