হাজিকে অর্থ দিয়ে দোয়া চাওয়া: ইসলামের নির্দেশনা কী?
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
পানির সংকটে বর্জ্য পানি পরিশোধন করে ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। শরিয়তে এই ‘পরিশোধিত পানি’ দিয়ে অজু-গোসল বা পানাহারের বিধান কী? ফকিহদের মতামত ও শর্তসমূহ জানুন।
ইসলামে একজন মুমিন স্বামীর দাম্পত্য জীবনে ৮টি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে, যা কুরআন ও হাদিস থেকে উদ্ধৃত। এগুলো পালন করে সুখী পরিবার গড়া যায়। মহানবী (সা.) নারীদের জ্ঞানার্জনের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন।
ইসলামে মানুষের মর্যাদা তাকওয়া দ্বারা বিচার হয়, বংশ বা রূপ নয়। সাহাবি জুলাইবিব (রা.)-এর ঘটনা এর উজ্জ্বল উদাহরণ। কোরআন ও হাদিস থেকে সাম্যের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ইসলামে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে বদদোয়া করা জায়েজ, তবে শরিয়ত নির্দিষ্ট সীমা ও নিয়ম দিয়েছে। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের মতামত থেকে এর বিধান বোঝা যায়। মজলুমের জন্য এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, কিন্তু সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ।
পবিত্র কুরআনের সুরা নাসর মক্কা বিজয়ের সুসংবাদ দিয়ে ইসলামের প্রসার ঘটায় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করে। এতে তসবিহ, ইস্তিগফারের নির্দেশ এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় ও শুকরিয়ার বার্তা এই সুরার মূল শিক্ষা।
হজরত ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় নবীজি (সা.)-এর মজলিসে মানুষের রূপে জিবরাইল (আ.)-এর আগমন ঘটে। তিনি ইসলাম, ইমান, ইহসান এবং কিয়ামতের লক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। এই হাদিস দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রকাশ করে।
ইসলামে ঘুষ মহাপাপ, তবে আধুনিক ফকিহরা তিন শর্তে দাতার জন্য ছাড় দিয়েছেন, গ্রহীতার জন্য নয়। হাদিসে দাতা-গ্রহীতা ও মধ্যস্থতাকারীদের লানতের কথা আছে। নাম পরিবর্তন করলেও অনৈতিক লেনদেন ঘুষই থাকে।
কেয়ামতের আগে পৃথিবীতে ঘটবে ইমাম মাহদি, দাজ্জাল, হজরত ঈসা (আ.)-এর অবতরণসহ বড় আলামত। ইসলামি গ্রন্থে বর্ণিত এই চিহ্নগুলো মুমিনদের সচেতন করে তোলে পরকালের প্রস্তুতির জন্য। ছোট আলামতগুলো ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে বলে মনে করা হয়।
ইসলাম প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহজতা ও সম্মানের বিধান নির্ধারণ করেছে। কুরআন-হাদিসে তাদের ধৈর্যের বিনিময়ে আল্লাহর দয়া, ক্ষমা ও জান্নাতের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। নবী (সা.)-এর জীবনীতে প্রতিবন্ধী সাহাবিদের উচ্চ মর্যাদার নজির উল্লেখযোগ্য।
ইসলামে হাসি-ঠাট্টা জায়েজ কিন্তু নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে। নবী (সা.)-এর কৌতুকের উদাহরণসহ শরিয়তের সীমারেখা তুলে ধরা হয়েছে। মিথ্যা, উপহাস বা অতিরিক্ত হাসি থেকে সতর্ক করা হয়েছে।
রমজানের পর ইমানের সজীবতা হারিয়ে যায় না যেন, সেজন্য ৮টি ব্যবহারিক উপায়। সাহাবিদের অনুসরণ করে সারা বছর রমজানের আবহ বজায় রাখুন। হাদিস-আয়াতভিত্তিক পরামর্শে ইবাদতের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করুন।
কাবার গিলাফকে বলা হয় ‘কিসওয়া’। এটি সবসময় কালো ছিল না, বিভিন্ন সময় সাদা, সবুজ বা লাল রঙেরও পরানো হয়েছে। কাবা সম্পর্কে আরও জানুন এই ৬টি তথ্য।
ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর খিটখিটে মেজাজ ফিরে আসছে কেন? কোরআন-হাদিসের আলোকে রাগ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায়গুলো জানুন। রমজানের ধৈর্য সারা বছর ধরে রাখুন।
অভাবী ঋণগ্রহীতার পাওনা মকুফ করা নফল সদকা হয়, কিন্তু সরাসরি জাকাত হিসেবে গণ্য করা অধিকাংশ আলেমের মতে জায়েজ নয়। বিশেষ শর্তে বিকল্প পথ রয়েছে। কোরআন ও আলেমদের মতামতসহ বিস্তারিত।
কোরআনের সুরা বাকারার ৫৭ নং আয়াতে আল্লাহ হালাল রিজিক গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। হারাম রিজিক ইবাদতকেও প্রভাবিত করে। আলেমদের মতে হারাম মালের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে, বিশেষ করে পিতার আয় হারাম হলে সন্তানের করণীয়।
রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে পুরনো অনৈতিক অভ্যাসে ফিরে যান, মসজিদ ফাঁকা হয়ে যায়। এটি ‘রমজানি’ মানুষের চিহ্ন, যাদের ইবাদত এক মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সত্যিকারের ‘রব্বানি’ হতে হলে সারা বছর ধর্মানুশীলন অব্যাহত রাখতে হবে।
তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।
কেয়ামতের ময়দানে প্রতিটি নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। স্বাধীনতা দিবসে আমাদের আত্মোপলব্ধি প্রয়োজন—আমরা কি স্বাধীনতার এই নেয়ামতকে সঠিক পথে ব্যয় করছি?
কেউ যখন নিজের দুর্বলতা কিংবা কষ্টের কথা জানায়, তখন তা গোপন রাখা নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। প্রকাশ করা বা তা নিয়ে উপহাস করা বিশ্বাসভঙ্গের শামিল।
প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।
এই জাতিকে আল্লাহ অল্প শ্রমে অধিক সওয়াব, জুমার নামাজ, নামাজের কাতার ফেরেশতাদের মতো হওয়াসহ এমন কিছু বিশেষত্ব দিয়েছেন, যা আগের জাতিগুলোর না।
ইতিহাস প্রমাণ করে যে, ধর্ম, বর্ণ বা ভাষার পার্থক্য সংঘাতের মূল কারণ নয়। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়বিচার থাকলে এগুলো মানব কল্যাণের সহায়ক হতে পারে।
ঈদের দিনে রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে মেহমানদারির দিন। মহানবী (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে রোজা রাখতে বিশেষভাবে নিষেধ করেছেন।