প্রাণীর অধিকার রক্ষায় ইসলামের ১০ নীতি
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া প্রথম হজ ফ্লাইটে ৪১৯ জন হজযাত্রী ছিলেন।
একজন মুমিনের প্রতিটি কথা হওয়া উচিত চিন্তাশীল, সংযত ও কল্যাণমুখী—যেখানে সত্য, প্রজ্ঞা ও নৈতিকতার অপূর্ব সমন্বয় থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।
প্রাণী অধিকারের মূল চাবিকাঠি হলো নিঃশর্ত দয়া, এবং কিছু বিশেষ প্রাণীর ক্ষেত্রে মর্যাদা। ইসলাম মানুষের জীবনে কিছু প্রাণীর গুরুত্বের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে।
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
নবীজির ইন্তেকালের পর মদিনাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সাহাবিরা ধীরে ধীরে সেই শোক কাটিয়ে উঠলেও ইয়াফুরের শোক বুঝি কাটছিল না।
ফাতেমার সুখ্যাতি তুর্কিস্তানে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন অনেক রাজা–রাজন্য এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ফাতেমার পাণিপ্রার্থী হয়ে দূত পাঠান। কিন্তু পিতা সমরকন্দি সবিনয়ে সবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
কেন কিছু মানুষের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হলো যে ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুকে দীন বলা যাবে না? এর পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, তিনি তাঁর উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় পান ছোট শিরক—বিশেষ করে ‘রিয়া’কে (লোকদেখানো ইবাদত)। কারণ, এটি মানুষের অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়।
ইসলামি সভ্যতা ও ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে মুসলিম বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদেরা প্রাণীর প্রতিটি প্রজাতি ও প্রকারভেদ নিয়ে কতটা আগ্রহী এবং সচেতন ছিলেন।
শাসকদের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার যে অধিকার ইসলাম সাধারণ নাগরিককে দিয়েছে, তা চৌদ্দ শ বছর আগে যেমন প্রাসঙ্গিক ছিল, আজও একটি ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপরিহার্য।
ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তার জন্য দুনিয়া না আখেরাতের কল্যাণ চাওয়া হচ্ছে—এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তের বিধান ভিন্ন ভিন্ন হয়।
ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।
ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।
মহানবী (সা.) অধীনস্থ শ্রমিক, খাদেম ও কর্মচারীদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের আচরণ করতেন। সাহাবি আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় তাঁর সেবার অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন হাদিসে অধীনদের অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ আছে। এ শিক্ষা ইমানের অংশ।
মহানবী (সা.)-এর যুগের সাহাবীদের বিভিন্ন পেশা থেকে ইসলামী কর্মসংস্কৃতির আদর্শ উদ্ভাসিত হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে পেশাগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তিযুগে ভারসাম্যের পথ দেখানো হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসনে সভ্যতা-নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
অষ্টম শতাব্দীর বসরায় জন্মগ্রহণকারী হযরত রাবেয়া বসরি দারিদ্র্য ও দাসত্ব সত্ত্বেও খোদাপ্রেমের ‘হুব্ব’-ভিত্তিক দর্শন প্রচার করেন। তাঁর জীবন সুফিবাদে প্রেমের নতুন মাত্রা যোগ করে। এই প্রতিবেদনে তাঁর জীবন ও শিক্ষার বিবরণ পাওয়া যাবে।
ধৈর্য মানে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। ছয়টি ধাপে আবেগ লিখে পর্যবেক্ষণ করে মানসিক স্থিরতা অর্জন করা যায়। হাদিস ও কুরআনের আলোকে এই সহজ কৌশল জীবনে প্রয়োগ করুন।
জীবনের প্রকৃত সফলতা কী? কোরআনের আলোকে অন্তরের পরিশুদ্ধি, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভের পথ দেখানো হয়েছে। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী মোহ থেকে মুক্ত হয়ে আখেরাতের চিরস্থায়ী সফলতা অর্জনের শিক্ষা।
শোনার এই গুণটি স্বয়ং আল্লাহর। তিনি ইবলিসের মতো অভিশপ্ত সত্তার যুক্তিহীন দাবিগুলোও মন দিয়ে শুনেছিলেন, যার বর্ণনা কোরআনের সাত জায়গায় এসেছে।
হজরত আয়েশা (রা.)-এর নবীজির প্রতি ভালোবাসা ছিল ঈমান, শ্রদ্ধা ও আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব সমন্বয়। তিনি নবীজির অন্তরের অনুভূতি অনুধাবন করতেন এবং একটি রাতের ঘটনায় তাঁর ইবাদতের দৃশ্য দেখে গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এই সম্পর্ক আমাদের শেখায় সত্যিকারের ভালোবাসার আদর্শ রূপ।
প্রতিটি দায়িত্বই একটি আমানত। আর আমানতের যথার্থ হক আদায় করা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। পক্ষান্তরে দায়িত্ব পালনে অবহেলা প্রদর্শন সেই আমানত খেয়ানতের নামান্তর।
কোরআনের যেসব আয়াতে দোয়ার কথা বলা হয়েছে বা আল্লাহর কাছে চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে সিজদা করার কোনো বিধান নেই।