দুনিয়ার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে কোরআনের ১০ আয়াত
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং প্রকৃত সাফল্য লাভের জন্য আল্লাহ–তাআলা কোরআনে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দিয়েছেন। জীবন-সংগ্রামের এই পরীক্ষায় সফল হতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং প্রকৃত সাফল্য লাভের জন্য আল্লাহ–তাআলা কোরআনে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দিয়েছেন। জীবন-সংগ্রামের এই পরীক্ষায় সফল হতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত।
যদি আমরা যৌক্তিক লাভ করি এবং একচেটিয়া ব্যবসা না করি, তবে তা–ই সমাজের জন্য বড় সহায়তা। এতে উভয় পক্ষই পারস্পরিক সহযোগিতার সওয়াব পাবেন।
গুনাহের পর অনেকেই ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে, মনে করে তার জন্য আর ফিরে আসার সুযোগ নেই। অথচ আল্লাহর রহমত অসীম; তিনি সবসময় তওবার দরজা খোলা রাখেন।
যখন পুরো মসজিদ জনশূন্য হয়ে এলো, তখন মসজিদের পাহারাদার এসে ইমামকে ধমকে উঠল। কর্কশ স্বরে বলল, ‘এই যে মুরুব্বি, উঠে পড়ুন। এখানে রাতে থাকা যাবে না।’
তাঁরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করেছিলেন, যাঁরা সকালে ঘোড়ার পিঠে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়তেন, আর রাতে কায়রোর কোনো মাদ্রাসায় বসে সহিহ বুখারির সনদ বিশ্লেষণ করতেন।
হঠাৎ পাশ থেকে একটি রিকশা আপনার গায়ে ধাক্কা দিল। ব্যথা পেলেন। এক সেকেন্ড—শুধু এক সেকেন্ডের মধ্যে ভেতরে রক্ত গরম হয়ে গেল, গলা শুকিয়ে এল।
কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।
বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ–তাআলা নামাজে বিনীত ও মনোযোগী হওয়ার গুরুত্ব এবং এর সুফল বর্ণনা করেছেন। নামাজে একাগ্রতা বাড়াতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াতের বর্ণনা।
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
নবীজি (সা.) ছিলেন শ্রেষ্ঠ সাহসী বীর, কিন্তু তিনি হঠকারী ছিলেন না। হিজরতের সময় তিনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার পাশাপাশি নিখুঁত পরিকল্পনাও করেছিলেন।
হাতিব (রা.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দক্ষ তীরন্দাজ ও দক্ষ ঘোড়সওয়ার। একই সঙ্গে তাঁর ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়।
নবুয়তপ্রাপ্তির আগে নবীজির পবিত্র চরিত্র, সততা ও জাহেলি যুগের মূর্তিপূজাসহ যাবতীয় পাপাচার থেকে দূরে থাকার গুণাবলি তাঁর সন্তানদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
একদিন রাস্তায়, সূর্যের তাপে পাথরগুলো গরম হয়ে উঠেছে। তিনি সেজদায়। ঠিক তখনই শত্রুরা তার ওপর ফেলে দিল উটের পচা নাড়িভুঁড়ি। পৃথিবীটা যেন একটু থেমে গেল।
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।
ইসলামি সভ্যতা ও ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে মুসলিম বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদেরা প্রাণীর প্রতিটি প্রজাতি ও প্রকারভেদ নিয়ে কতটা আগ্রহী এবং সচেতন ছিলেন।
শাসকদের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার যে অধিকার ইসলাম সাধারণ নাগরিককে দিয়েছে, তা চৌদ্দ শ বছর আগে যেমন প্রাসঙ্গিক ছিল, আজও একটি ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপরিহার্য।
এমন কোনো বিধান যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং যা সাধারণ ও বিশেষজ্ঞ—সকল স্তরের মুসলিমের কাছে স্পষ্টভাবে পরিচিত, তা অস্বীকার করা ইসলামি বিশ্বাস পরিপন্থী।
ইসলামের মৌলিক উৎস কোরআন ও সুন্নাহ নারীকে পুরুষের অনুগামী নয়, পরিপূরক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহেলি যুগের নৃশংস প্রথা উৎখাত করে নারীকে সম্মান ও স্বাধীনতা দিয়েছে। কোরআনের আয়াতগুলো এই সমতার সাক্ষ্য বহন করে।
ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।
কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত নামাজের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমে পাপ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। নবীজি (সা.)-এর উদাহরণসহ নামাজের প্রভাব ও খুশু-খুজুরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সঠিকভাবে আদায় করা নামাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
মহানবী (সা.)-এর যুগের সাহাবীদের বিভিন্ন পেশা থেকে ইসলামী কর্মসংস্কৃতির আদর্শ উদ্ভাসিত হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে পেশাগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তিযুগে ভারসাম্যের পথ দেখানো হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসনে সভ্যতা-নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
ধৈর্য মানে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। ছয়টি ধাপে আবেগ লিখে পর্যবেক্ষণ করে মানসিক স্থিরতা অর্জন করা যায়। হাদিস ও কুরআনের আলোকে এই সহজ কৌশল জীবনে প্রয়োগ করুন।
শোনার এই গুণটি স্বয়ং আল্লাহর। তিনি ইবলিসের মতো অভিশপ্ত সত্তার যুক্তিহীন দাবিগুলোও মন দিয়ে শুনেছিলেন, যার বর্ণনা কোরআনের সাত জায়গায় এসেছে।