পরিবারের জন্য অর্থ খরচ করা যখন ইবাদত
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে গভীর করতে একে অপরকে উপহার প্রদান ও ভালোবেসে ব্যয় করা অত্যন্ত বরকতময়। স্ত্রীকে খুশি করতেস্বামী যা ব্যয় করে, তাতেও সদকার সওয়াব নিহিত।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে গভীর করতে একে অপরকে উপহার প্রদান ও ভালোবেসে ব্যয় করা অত্যন্ত বরকতময়। স্ত্রীকে খুশি করতেস্বামী যা ব্যয় করে, তাতেও সদকার সওয়াব নিহিত।
আর্থিক অস্থিরতা শুধু মানসিক চাপই বাড়াচ্ছে না, বরং পারিবারিক শান্তিও কেড়ে নিচ্ছে। ইসলাম অর্থ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মিতব্যয়িতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আইনি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মসজিদ ইসলামের কোনো অবিচ্ছেদ্য অংশ কি না। যেহেতু পুরো পৃথিবীই নামাজের জন্য অবারিত।
আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।
সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানোর পর মানুষের মধ্যে অনেক সময় ‘আমি’ বোধ বা অহংকার দানা বাঁধে। অহংকার সামাজিক ও মানসিক প্রশান্তিকেও ধ্বংস করে দেয়।
আধুনিক ‘মিনিমালিজম’ বিশ্বে জনপ্রিয় হলেও ইসলামের ‘জুহদ’, ‘কানাআত’ ও ‘ইসরাফ’ পরিহার এর চেয়ে গভীর। কুরআন-হাদিস ও সালাফগণের বাণীতে এর সারমর্ম ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এটি ভারসাম্যপূর্ণ সচেতন জীবনধারা শেখায়।
ইসলাম পারিবারিক সুখ রক্ষায় ১০টি সহজ মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক সূত্র দিয়েছে। কুরআন ও হাদিসের আলোকে এগুলো অনুসরণ করলে সম্পর্কের ভারসাম্য অটুট থাকবে। শান্তিময় পরিবার গড়ার এই উপায়গুলো সহজেই প্রয়োগ করা যায়।
পেশাগত জীবনে দুর্নীতি এড়িয়ে সততা বজায় রাখার ইসলামের ১০টি নির্দেশনা। কুরআন-হাদিসের আলোকে হালাল উপার্জন, আমানত রক্ষা ও ন্যায়বিচারের সূত্রগুলো। এগুলো পালন করলে আত্মশান্তি ও সমাজকল্যাণ নিশ্চিত।
হজের সফরে বাহ্যিক ও আত্মিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকওয়া ও ইবাদতের সঠিক জ্ঞান থাকলে হজ মাবরুর হয় এবং জীবন বদলে যায়। হজ প্রশিক্ষক গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী দিচ্ছেন পরামর্শ।
আধুনিক ব্যবস্থাপনার ‘আগে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা’ নিয়ম ইসলামের অগ্রাধিকারের ফিকহে হাজার বছর ধরে রয়েছে। হাদিসের আলোকে এর উদাহরণ এবং আলেমদের বিশ্লেষণ দেখানো হয়েছে। এই জ্ঞান আধুনিক ফ্রেমওয়ার্কে উপস্থাপন করলে বিশ্বব্যাপী পরিবর্তন আনতে পারে।
জান্নাতের সহজতম দরজা মা-বাবা, যা তাঁদের মৃত্যুর সঙ্গে চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। নবীজি (সা.) বলেছেন, পিতামাতাই জান্নাতের মধ্যবর্তী দরজা। জীবিত থাকতে তাঁদের সেবা করে আখিরাতের পথ সহজ করুন।
ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ১০টি নীতি জানুন। সময়ের সঠিক ব্যবহার, গিবত-হিংসা এড়ানো থেকে দাওয়াতের প্রসার—কুরআন-হাদিসভিত্তিক সহজ সূত্র। এগুলো অনুসরণ করে ডিজিটাল আসক্তি কাটিয়ে জীবনকে অর্থবহ করুন।
ইসলামি ইতিহাসের অনন্য শহর কুফার নগর পরিকল্পনায় মসজিদকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ভবন ও বায়তুলমাল নির্মিত হয়। খলিফা ওমর (রা.)-এর নির্দেশে ১৭ হিজরিতে প্রতিষ্ঠিত এই শহরে প্রশস্ত রাস্তা ও সুনির্দিষ্ট নকশা ছিল। পরে এটি খেলাফতের রাজধানী হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে বিশ্বের বিপুল জনগোষ্ঠী বিষণ্নতায় ভুগছে। ইসলাম দেড় হাজার বছর আগে মানসিক প্রশান্তির জন্য ১০টি কার্যকর সূত্র শিখিয়েছে। কুরআন ও হাদিসভিত্তিক এই নির্দেশনাগুলো মনের অস্থিরতা দূর করতে সাহায্য করবে।
যখন কোনো কাজ করা হবে, তখন তা হতে হবে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এবং নিখুঁত, যা বলা হয় ‘ইতকান’। কারণ, আল্লাহ আপনার প্রতিটি কাজের পর্যবেক্ষক।
মুহাম্মদ (সা.) জন্মেছিলেন এতিম হয়ে। এটি পৃথিবীর সমস্ত এতিমের জন্য অনেক বড় সম্মানের এবং সান্ত্বনার বিষয়। তিনি মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই পিতাকে হারান।
মিতব্যয়িতা মানুষকে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে রক্ষা করে। যখন কেউ অল্পে তুষ্ট থাকে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করে, তখন আল্লাহ তার বরকতের দুয়ার খুলে দেন।
এক বালতি পানির জন্য হাজিদের হাহাকার তাঁকে যে অস্থিরতা দিয়েছিল, তার বিনিময়ে তিনি পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিলেন এক চিরস্থায়ী সদকায়ে জারিয়া।
দুনিয়াতে মানুষ অন্যের সম্মান করে তার বাহ্যিক চেহারা, বংশ পরিচয় বা সম্পদের কারণে। কিন্তু আল্লাহর কাছে মানদণ্ড এটি নয়, বরং মানুষের অন্তরের অবস্থা এবং তার আমল।
আপনি ভালো কিছু করতে গেলে নানা বাহানায় আপনাকে অনুৎসাহিত করে। তখন মনে হয় না, এই মানুষটা কি আসলে বন্ধু নাকি অন্য কিছু?
সচেতন মুসলিমের দায়িত্ব হলো সে যেন এই সাংস্কৃতিক স্রোতে অন্ধভাবে গা ভাসিয়ে না দিয়ে বরং সৃজনশীলতা ও তাকওয়ার ভারসাম্যে নিজের ডিজিটাল পদচিহ্নকে সুন্দর করে তোলে।
আধুনিক ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই ইসলামি আইন তার মৌলিক মূল্যবোধে অটল থেকেও পরিবর্তনশীল বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
জুওয়াইনি শিখিয়েছেন যে খেলাফত কেবল একটি ‘নাম’ নয়, এটি একটি ‘কাজ’। যদি খেলাফত না থাকে, তবে বাস্তবসম্মত প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা ইসলামের বিরোধী নয়।
দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে চিরস্থায়ী আখিরাতকে ভুলে যাওয়া প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়। দুনিয়ার আসক্তি কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করতে কোরআনের ১০টি দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।