মনোযোগহীন নামাজের চেয়ে কি নামাজ না পড়াই ভালো
নামাজে দাঁড়িয়ে মনে হয়, শুধু যান্ত্রিকভাবে রুকু–সেজদা করে যাচ্ছি; কী পড়ছি খবর নেই। কারও মনে হতাশার জন্ম নেয়, এমন নামাজ পড়ে কী লাভ?
নামাজে দাঁড়িয়ে মনে হয়, শুধু যান্ত্রিকভাবে রুকু–সেজদা করে যাচ্ছি; কী পড়ছি খবর নেই। কারও মনে হতাশার জন্ম নেয়, এমন নামাজ পড়ে কী লাভ?
মানুষের ভালো উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো, কাউকে হতাশার গহ্বর থেকে টেনে তোলা এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া কেবল মানবিক শিষ্টাচার নয়, এটি খাঁটি নববি চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।
নবীজি এসেছিলেন মানুষের জন্য বুকভরা আশার বার্তা নিয়ে। আল্লাহ তাই তাঁর পরিচয়ে বলেছেন, “হে নবী, আপনাকে তো পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে।”
হেদায়েত আল্লাহ–তাআলার এক বিশেষ দান। যে অন্তর সততা, খোদাভীতি ও বিনয় নিয়ে কোরআনের মুখোমুখি হয়, শুধু সে অন্তরই কোরআনের আলোয় উদ্ভাসিত হতে পারে।
জীবনে হঠাৎ নেমে আসা অন্ধত্ব বা পক্ষাঘাতের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে পরিবার ও ব্যক্তিকে মানসিক সাহস জোগাতে সমবেদনা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা গড়ে উঠেছিল তখন।
যেখানে পাপকর্মে লিপ্ত হওয়ার সব সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু আল্লাহর ভয়ে নিজেকে সংযত রাখা এবং প্রবৃত্তির চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়াই হলো খাঁটি মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য।
বহু বছরের পরিশ্রমে সংগৃহীত কিতাব চোখের সামনে ধূলিসাৎ হয়ে গেলেও তাঁর জ্ঞানসাধনা থমকে যায়নি; কারণ তাঁর জ্ঞানের মূল আধার সুরক্ষিত ছিল তাঁর স্মৃতি ও অন্তরে।
প্রকৃতির ক্ষতির পথগুলো বন্ধ করাও ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নাগরিক জীবনে সামান্য বিশৃঙ্খলা যেন পরিবেশের ক্ষতি না করে, সেদিকে ইসলাম তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখেছে।
তাওরাতের গোপন সংবাদের সঙ্গে নবীজির উত্তরের এই অভ্রান্ত মিল প্রত্যক্ষ করে আবদুল্লাহ ইবনে সালামের অন্তরে আর কোনো সংশয় অবশিষ্ট রইল না। তিনি কালবিলম্ব না করে রাসুলের হাত ধরে উচ্চকণ্ঠে তাওহিদের সাক্ষ্য দিলেন।
সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি ঋণ থেকে এত বেশি আশ্রয় চান কেন?’ নবীজি বলেন, ‘মানুষ যখন ঋণগ্রস্ত হয়, তখন মিথ্যা বলে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে।’
বড়দের সঙ্গে হাঁটার সময় সামান্য পেছনে হাঁটা, দরজায় বা যানবাহনে প্রবেশের সময় তাদের আগে সুযোগ দেওয়া এবং তাদের উপস্থিতির সম্মান জানানোর নবীজির শিক্ষা।
কোরআনে বুদ্ধি খাটানোর নির্দেশ তো আছেই, সেই সঙ্গে প্রাণপ্রকৃতিকে উপমা বানিয়ে গভীরভাবে চিন্তাফিকিরের ইশারা দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ধরনের কিছু উপমা সংক্রান্ত আয়াতের পর্যালোচনা করব।
কোরআনের দৃষ্টিতে চিরন্তন মুক্তির একমাত্র পথ হলো আত্মশুদ্ধি। মানুষের ভেতরটা যখন পরিচ্ছন্ন হয়, তখন তার চিন্তা, ভাষা, আচরণ এবং দৈনন্দিন সম্পর্কগুলোও ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তিনি ছিলেন মদিনার বনু সালামা গোত্রের প্রধান। অত্যন্ত দানশীল, প্রভাবশালী ও সমাজে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এক ব্যক্তি। তবে একটি পা জন্মগতভাবেই কিছুটা দুর্বল।
নির্ধারিত সময়ের পর নামাজ আদায়ের সুযোগ আছে কি না, কিংবা ইচ্ছাকৃত নামাজ ছাড়লে তা কাজা করতে হয় কি না—এ নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
যে সংসার সামান্য উপকরণ নিয়ে শুরু হয়ে দিনে দিনে বরকতময় হয়ে ওঠে, তা সেই প্রাচুর্যপূর্ণ ঘরের চেয়ে টেকসই, যেখানে জাঁকজমক আছে কিন্তু হৃদয়ের উষ্ণতা নেই।
বিশ্বের যেকোনো আদর্শিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রধান বাহন ছিল এই বাকশিল্প। মুহাম্মদ (সা.) থেকে শুরু করে বর্তমান কাল পর্যন্ত বক্তৃতা অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার।
মানবদেহে এমন একটি সূক্ষ্ম অথচ অতীব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে, যার সুস্থতার ওপর সমগ্র জীবনের আলো ও অন্ধকার নির্ভর করে। সে অঙ্গটি হলো ‘কলব’ বা অন্তর।
শৈশবে যদি কোরআন শেখার পবিত্র প্রক্রিয়াটি অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা ভয়ভীতির সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তবে অবচেতনভাবেই শিশুর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।
আধুনিক যুগের ব্যস্ত জীবনযাত্রা এবং অলসতার কারণে শেষ রাতে ঘুম থেকে ওঠা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সহজ ও কার্যকরী ৬ উপায় তুলে ধরা হলো।
ইসলাম মানবচরিত্রের এ স্বাভাবিক প্রবণতাকে উপেক্ষা করেনি; বরং বৈধতার সীমার মধ্যে থেকে তুলনামূলক সহজ ও স্বস্তিদায়ক বিকল্প গ্রহণ করার এক অনন্য জীবনাদর্শ রেখে গেছেন মুহাম্মদ (সা.)।
আমাদের অসংখ্য ত্রুটিবিচ্যুতি মানুষের দৃষ্টি থেকে আল্লাহ আড়াল করে রেখেছেন। নাহলে অন্যের দিকে আঙুল তোলার সাহস আমাদের কারও থাকত না।
কার্যকর সামাজিক রূপান্তর ও যুগোপযোগী সংস্কারের জন্য চারটি ক্ষেত্রে গভীর জ্ঞান অর্জন অপরিহার্য। তবে সমকালীন বাস্তবতার পুঙ্খানুপুঙ্খ জ্ঞানকে সঠিক সিদ্ধান্তের পূর্বশর্ত করা হয়েছে।
জীবনের সংকট, হতাশা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং নৈতিক অবক্ষয়ের এই যুগে কোরআনের বার্তাগুলো মানুষের ভেতর আমূল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। এমন ১০ শিক্ষা তুলে ধরা হলো।