মুমিন চরিত্রের জন্য ক্ষতিকর ৭ স্বভাব
একজন মানুষের চরিত্র বোঝার অন্যতম বাস্তব ক্ষেত্র হলো তার প্রতিবেশীর সঙ্গে আচরণ। কারণ, প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চরিত্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
একজন মানুষের চরিত্র বোঝার অন্যতম বাস্তব ক্ষেত্র হলো তার প্রতিবেশীর সঙ্গে আচরণ। কারণ, প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চরিত্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
কোনো ব্যবসায় প্রথম টাকাটি খাটাতে যাওয়ার আগে একজন বিশ্বাসী মানুষের মনে এই স্পষ্ট উদ্দেশ্য থাকা দরকার যে সে আসলে কী অর্জন করতে চায়।
আবু বকর (রা.) রোগশয্যায় উপলব্ধি করেছিলেন যে তাঁর সময় ফুরিয়ে আসছে। চাইছিলেন নেতৃত্ব নিয়ে যাতে মুসলিমদের মাঝে নতুন করে অনৈক্য তৈরি না হয়।
মা-ই যদি সন্তানের সঙ্গে মিথ্যা বলেন, প্রতারণামূলক আর্থিক দেনা তৈরি করেন কিংবা মানসিক কষ্টের কারণ হন—তখন সন্তানের মনের অবস্থা কেমন হয়?
সত্যকে অস্বীকার করার অন্ধকার, ভ্রষ্টতা ও শিরকি বিশ্বাসের অন্ধকার; এর সঙ্গে আছে নিজের প্রতিপালক ও পরকালের শাস্তি সম্পর্কে অজ্ঞতার অন্ধকার।
প্রয়োজন স্বামী–স্ত্রীর মধ্যকার গভীর বিশ্বাস ও ত্যাগ স্বীকার। পরিবারে যদি অশান্তি বিরাজ করে, তবে তার বিষবাষ্প ধীরে ধীরে সন্তান ও সমাজে ছড়িয়ে পড়ে।
মানুষ যখন আল্লাহর সুস্পষ্ট আদেশ-নিষেধ ও শরিয়তের সীমানা উপেক্ষা করে নিজের খেয়ালখুশি, আবেগ ও কামনা-বাসনাকে জীবনের একমাত্র পথপ্রদর্শক বানিয়ে নেয়, তখন সে প্রকারান্তরে নিজের নফসের উপাসনা শুরু করে।
নববিবাহিত জীবনের সব আকর্ষণ একনিমেষে তুচ্ছ করে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে কীভাবে অগ্রাধিকার দিতে হয়—তার এক হৃদয়স্পর্শী উপাখ্যান রচিত হয়েছিল ওহুদ ময়দানে।
কোরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে জীবনের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে খেয়ালখুশি কিংবা সাময়িক আবেগ নয়; বরং আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশকেই চূড়ান্ত অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সমাজের অভাবগ্রস্তদের ক্ষুধা নিবারণ ও পারস্পরিক সংহতি রক্ষায় কোরআন ও সহিহ হাদিসের ১০টি দিকনির্দেশনা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
তাহাজ্জুদ নামাজ, চাশত-ইশরাকের নামাজ, নফল রোজা, দান-সদকা ও পবিত্র কোরআন পাঠ বান্দার অন্তরে আল্লাহর প্রতি বিশেষ ভালোবাসা তৈরি করে।
মক্কা থেকে উত্তরমুখী প্রাচীন বাণিজ্যপথ ধরে মদিনা, খাইবার, ওয়াদিউল কুরা, তাইমা ও তাবুক হয়ে কাফেলাটি রোমান সাম্রাজ্যের সীমান্ত নগরী বুসরা আল-শামে পৌঁছায়।
মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল চরম সংযমী ও কৃচ্ছ্রতাপূর্ণ। তিনি এবং তাঁর পরিবারবর্গ প্রায়ই রাতের পর রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটাতেন
মার্জিত আচরণ মানুষের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সামাজিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে; পক্ষান্তরে অশোভন ও রুচিহীন আচরণ মানুষের ব্যক্তিত্বকে ধ্বংস করে দেয়।
ইসলাম কোনো হারাম কাজকে হারাম বলতে নিষেধ করেনি। মদ্যপান, জুলুম, সুদ, ব্যভিচার, ঘুষ কিংবা অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং সতর্ক করা অবশ্যই প্রয়োজন।
ইসলামের প্রশ্ন হলো, সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে? অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না? সম্পদ কি একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছে?
বিশ্বে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষ প্রতি রাতে অনাহারে ঘুমাতে যায়। এই খাদ্যাভাব কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল নয়; বরং ত্রুটিপূর্ণ বণ্টনব্যবস্থা ও অতিভোগবাদের সম্মিলিত সংকট।
‘আল্লাহ বোধহয় আমাকে আর ক্ষমা করবেন না’, ‘আমার দ্বারা ভালো কিছু সম্ভব নয়’—জীবনের কঠিন সময়ে এমন হতাশা আমাদের অনেকের মনেই ভর করে।
সমস্যা সৃষ্টি হয় তখন, যখন নিছক সৌন্দর্য প্রদর্শনের তাড়নায় সীমা অতিক্রম করে মানুষের আল্লাহপ্রদত্ত স্বাভাবিক শারীরিক গঠনকে কৃত্রিম ও স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা হয়।
মদিনা ও তার আশপাশের পাহাড়ি উপত্যকায় (বিশেষ করে ওয়াদি আকিক অঞ্চলে) আবিষ্কৃত অষ্টম শতাব্দীর প্রাচীন পাথুরে শিলালিপিতে এই শহরকে স্পষ্টভাবে ‘তাইয়িবা’ নামের উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম প্রাণীর মধ্যেও আল্লাহ-তাআলা যে নিখুঁত ব্যবস্থা, শৃঙ্খলা ও হেকমত রেখেছেন, তা নিয়ে চিন্তা করলেই মানুষের সামনে সৃষ্টিকর্তার কুদরত আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
নামাজ বা প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকাকালে মানব মস্তিষ্ক কীভাবে স্রষ্টার সঙ্গে এক জীবন্ত সংলাপে যুক্ত হয়, তা আধুনিক গবেষণায় বিশদভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
দৃশ্যমান এই বিশ্বজগতের বাইরে এক পরম পবিত্র, নিষ্কলুষ ও পরাক্রমশালী জগৎ রয়েছে, যার বাসিন্দারা হলেন মহান আল্লাহর অনন্য সৃষ্টি ‘মালাইকা’ বা ফেরেশতাকুল।
নামাজে দাঁড়িয়ে মনে হয়, শুধু যান্ত্রিকভাবে রুকু–সেজদা করে যাচ্ছি; কী পড়ছি খবর নেই। কারও মনে হতাশার জন্ম নেয়, এমন নামাজ পড়ে কী লাভ?