মেঘ-বৃষ্টি ও বিরহের বর্ষা এল
বর্ষায় বেদনা আছে, আছে বিরহ। নগর থেকে নিস্তরঙ্গ গ্রাম—সর্বব্যাপী তার প্রবাহ। ভরা নদীর প্লাবন ব্যাকুল করে গ্রামের বধূর হিয়া।
বর্ষায় বেদনা আছে, আছে বিরহ। নগর থেকে নিস্তরঙ্গ গ্রাম—সর্বব্যাপী তার প্রবাহ। ভরা নদীর প্লাবন ব্যাকুল করে গ্রামের বধূর হিয়া।
বৃষ্টিতেও কমছে না গরম, কারণ কী
চলতি মাসে স্বাভাবিক সময়ের অন্তত এক সপ্তাহ পর দেশে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে। এখন এ বায়ু দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে গেছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হচ্ছে না।
নাজমুল ইসলাম জানান, দুপুরের দিকে রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাপমাত্রা হয় ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মাটির পাত্র পানির স্বাভাবিক গুণাগুণ অক্ষুণ্ন রাখতে সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, পাত্রটি যেন ভালোভাবে পোড়ানো ও মানসম্মত মাটি দিয়ে তৈরি হয়।
মৌসুমি বায়ু দেরিতে এলেও ইতিমধ্যে দেশের প্রায় সবখানে ছড়িয়ে পড়েছে।
উষ্ণতা বাড়ছে, সংকুচিত হচ্ছে নিরাপদ কার্বন বাজেট।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেশের মোট বৃষ্টিপাতের ৮০ ভাগের বেশি হয় মৌসুমি বায়ুর কারণে।
দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটেছে। আবার সক্রিয় আছে পশ্চিমা লঘুচাপ। এ দুইয়ের একটা ‘দ্বন্দ্ব’ এখন প্রকৃতিতে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে, ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ, প্রভাব কতটুকু পড়বে
আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।
তিনদিনের তাপপ্রবাহের পর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীতে সামান্য বৃষ্টি হয়।
এমন গরম আর কদিন থাকবে
জাতিসংঘের সতর্কতায় বলা হয়েছে, আসন্ন এল নিনো বিশ্বব্যাপী তাপপ্রবাহ ও চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
আজ বাড়তে পারে তাপ
মে মাসের শুরু হয়েছিল বৃষ্টি দিয়ে। শেষটায় বৃষ্টি কমে তাপ বেড়েছে। তবে সব মিলিয়ে এ মাসে দীর্ঘ সময় ধরে ভ্যাপসা গরম পড়েনি।
হার্টে রিং পরার পর ব্যায়াম করলে হৃদ্যন্ত্রের রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় প্রায় ২২ শতাংশ।
মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশের আগের এ সময় প্রকৃতির ‘বেহিসাবি’ আচরণ চোখে পড়ছে। এটাকে এ সময়ের বৈশিষ্ট্য বলেই মনে করেন আবহাওয়াবিদেরা।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।’
মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, বৃষ্টির কারণ গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার বিস্তার। এটা স্থানিক মেঘ। একটি নির্দিষ্ট স্থানে কিছু সময়ের জন্য বৃষ্টি ঘটায় এই মেঘ।
আগামীকাল ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বেশ কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।
ঢাকার রিকশাচালকদের শরীরে বাড়ছে তাপঝুঁকি, জলবায়ু পরিবর্তনে ভবিষ্যতে সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা।