হিন্দুত্ববাদের দুর্গে তেলাপোকাদের হানা ও ভারতের নতুন রাজনীতি
দেশে দেশে শাসক ও সরকার পরিবর্তন নতুন কিছু নয়, আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে।
দেশে দেশে শাসক ও সরকার পরিবর্তন নতুন কিছু নয়, আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে।
আরএসএস ভারতের গোঁড়া হিন্দু সংগঠন, যে সংগঠনের হাত ধরে বেড়ে উঠেছেন নরেন্দ্র মোদি, তা এখন বদলে দিচ্ছে ভারতের পরিচয়। লক্ষ্য, অসাম্প্রদায়িক ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিণত করা।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের এবং বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার নিয়ে শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারত নয়, বিশ্বের পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হলো, বিশ্লেষণ হলো।
ভারতের আরএসএসের সাবেক সংগঠক যশবন্ত সাহদেব শিন্দে অমিত শাহ ও প্রিয়াঙ্ক খাড়গেকে চিঠি দিয়ে আরএসএস, ভিএইচপি ও বজরং দলকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।
মোস্তফা, ফাজিল, জালাল—এই নামগুলোতে উত্তর প্রদেশের হিন্দুত্ববাদী বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আপত্তি। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও নাম পাল্টাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনেক স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক সংগঠন’এবং হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোও বড় ধরনের বিক্ষোভ দেখিয়েছে।
সূর্যাস্তের সময়টাই জেলে সবচেয়ে কঠিন। দিল্লির কুখ্যাত তিহার জেলের হাজার হাজার বন্দীকে যখন তাঁদের সেল থেকে বের করে অন্ধকার নামার আগপর্যন্ত স্যাঁতসেঁতে উঠানে থাকতে বাধ্য করা হয়, তখন থেকেই বন্দী নম্বর ৬২৬৭১৪-এর মনের ভেতর এক তীব্র আতঙ্ক দানা বাঁধতে শুরু করে।
১৯৪০ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ লাহোরে তাঁর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ নিয়ে ভাষণ দেন। শিগগিরই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাওয়া এই নেতা সে সময় দাবি করেছিলেন, ‘হিন্দু ও মুসলমানরা যে কখনো একটি একক জাতীয়তা গড়ে তুলতে পারে—এটি কেবলই একটি স্বপ্ন।’
উত্তর ও মধ্য ভারতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি যদি বহুলাংশে মন্দির-মসজিদ রাজনীতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে, তবে পূর্বাঞ্চলে কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।
ভারতে মসজিদকে মন্দির করার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কট্টর হিন্দুত্ববাদী কর্মীরা ভারতজুড়ে এ ধরনের দাবি করে আসছেন।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ভারতের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ জোশী। তিনি কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শনিবার (২৫ জুলাই) দেওয়া এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে
সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত সংহতি সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর মোদি সরকার দমন-পীড়ন চালাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মতো সেখানেও ফ্যাসিবাদী রাজনীতির পতন হবে।