‘হিজরত’ কেন মদিনায় হয়? প্রধান ৫ কারণ
মদিনা ছিল একটা উর্বর মরূদ্যান, যেখানে খেজুরবাগান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি একটি নতুন জনগোষ্ঠীকে খাদ্য-নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য রাখত। যা মক্কার শুষ্ক, বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতিতে ছিল না।
মদিনা ছিল একটা উর্বর মরূদ্যান, যেখানে খেজুরবাগান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি একটি নতুন জনগোষ্ঠীকে খাদ্য-নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য রাখত। যা মক্কার শুষ্ক, বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতিতে ছিল না।
নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।
ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, হিজরি বছরকে আমরা মহররম দিয়ে শুরু করলেও হিজরতের যাত্রা শুরু সফরের শেষভাগে।
ইবরাহিম (আ.)-এর হিজরত এবং আল্লাহর ‘নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত’ আয়াতের আলোকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উৎপীড়নময় পরিবেশ থেকে সরে আসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কোরআনের আয়াত, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি, ইমাম বাগভি এবং তাবেয়িদের ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। মুমিনদের জন্য আল্লাহর প্রশস্ত জমিনে ইবাদতের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভৌগোলিক বা শারীরিকভাবে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দিষ্ট সময় ও ফজিলত অতীত ইতিহাসে পূর্ণতা পেলেও, হিজরতের আত্মিক দরজা কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
খলিফা ওমর (রা.) তাকে সামনে ডেকে আনলেন। পারস্য সম্রাটের সেই ভারী স্বর্ণের জামা, মাথায় রত্নখচিত মুকুট এবং হাতে কিসরার ঐতিহাসিক দুটি স্বর্ণবালা সুরাকাকে পরিয়ে দেওয়া হলো।
এসেছে একটি নতুন হিজরি বছর। নতুন বছরের শুরুই হচ্ছে এমন একটি মাস দিয়ে, যাকে রাসুল (সা.) ‘আল্লাহর মাস’ বলে অভিহিত করেছেন।
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, হিজরতের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হলো কেন?
মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।
যাঁদের আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে, তাঁদের জন্য হজ আদায়ে গড়িমসি করা গুনাহের কারণ হতে পারে। বার্ধক্য কিংবা অসুস্থতা আসার আগেই হজ করা উচিত।
নবীজি (সা.)-এর প্রিয় উট কাসওয়া হিজরত, মসজিদে নববী নির্মাণ, হোদাইবিয়া সন্ধি সহ নবুয়তের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। সিরাত-হাদিসে এর বিবরণ মর্যাদার সঙ্গে পাওয়া যায়। নবীজির ইন্তেকালের পর এটি শোকাহত হয়ে মারা যায়।
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় আসার পর দ্বিতীয় হিজরিতে কুরাইশরা মদিনা আক্রমণ করলে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।