
লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ, জানালেন মার্কিন কর্মকর্তা
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিলের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিলের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।

হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থনে অনিশ্চয়তার মুখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।

গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।

গত ২৫ বছরের মধ্যে লেবাননের সবচেয়ে গভীরে অনুপ্রবেশ করেছে ইসরায়েল।

গতকাল হিজবুল্লাহর ১০০টির বেশি অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালানো হয়।

লেবাননজুড়ে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর রেদওয়ান ফোর্সের কমান্ডার মালেক বালু নিহতের দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার নির্দেশ দিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

হিজবুল্লাহকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে লেবানন সরকারের সক্ষমতা সীমিত

লেবানন সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনায় রাজি হলেও হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলবে না ইসরায়েল। আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে আলোচনা শুরু হবে। লেবাননে চলমান সংঘাতে ১ হাজার ৯৫০-এর বেশি মানুষ নিহত।

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে লড়াইয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর চার সেনা নিহত হয়েছেন, দুজন আহত। নিহত তিনজন নাহাল ব্রিগেডের গোয়েন্দা ইউনিটের সদস্য। আইডিএফ ঘটনার বিবরণ জানিয়েছে।

২০০৬ সালের হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধের অমীমাংসিত সমাপ্তি ঘটে। তবে সেই যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছিল।