
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানালেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল জানান, বর্ষা শেষে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল জানান, বর্ষা শেষে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সংসদে রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে কি না।

রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনই ইসির প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সিইসি।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত শুরু করবে সরকার।

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। ভবিষ্যতে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি যেন নির্বাচিত হয়ে আসেন, এখন থেকে সজাগ থাকতে হবে।

বর্তমান বাস্তবতা, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেরই মেয়াদ পার হয়ে গেছে, কোনো কোনোগুলোতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রশাসকও বসানো হয়েছে এবং নতুন সরকার ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তবে সাংবিধানিক ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্তৃত্বে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের ইচ্ছা থাকলেও আইনগত জটিলতার কারণে কিছুটা সময় লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকারগুলো আপাতত রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ করে চালাবে বিএনপি সরকার।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় বা জাতীয় প্রতীকে হবে কি না—বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পরই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম তাঁর নির্বাচনী এলাকায় আসেন। জেলার সীমানায় পৌঁছানোর পর উনত্রিশ মাইল এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ও সমর্থকেরা তাঁকে বরণ করে নেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় দলীয়ভাবে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।